২৩ জানুয়ারী ২০২০, ১০ মাঘ ১৪২৬, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

’২০ সালে শীর্ষ দশ অর্থনীতির দেশের তালিকায় বাংলাদেশ থাকবে তৃতীয় স্থানে

প্রকাশিত : ১৮ নভেম্বর ২০১৯
  • ইকোনমিস্টের পূর্বাভাস

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ আগামী ২০২০ সালে বিশ্বের দ্রুততম উদীয়মান শীর্ষ ১০ অর্থনীতির তালিকায় বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানে থাকবে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক প্রভাবশালী সাপ্তাহিক ইকোনমিস্ট। সাপ্তাহিকীটির ‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইন ২০২০’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেবলমাত্র দক্ষিণ আমেরিকার ছোট্ট দেশ গায়ানাকে বাদ দিলে এই শীর্ষ উদীয়মান ১০ দেশের সবই আফ্রিকা ও এশিয়ার। ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা কিংবা অস্ট্রেলিয়ার কোন দেশ এই শীর্ষ উদীয়মান দেশের তালিকায় ঠাঁই পায়নি।

ইকোনমিস্টের হিসাবে ২০২০ সালের বিশ্বের দ্রুততম উদীয়মান শীর্ষ ১০ অর্থনীতিগুলো হলো- গায়ানা, সিরিয়া, বাংলাদেশ, রুয়ান্ডা, ইথিওপিয়া, ভুটান, মিয়ানমার, নেপাল, আইভরিকোস্ট ও ভারত। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে অফশোরে জ্বালানি তেল পাওয়া দেশ গায়ানা, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮.৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে যুদ্ধবিধস্ত দেশ সিরিয়া, তৃতীয় সর্বোচ্চ ৭.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে বাংলাদেশ। এছাড়া আফ্রিকান দেশ রুয়ান্ডার প্রবৃদ্ধি দাঁড়াবে ৭.৫ শতাংশ, ইথিওপিয়ার ৭.৪ শতাংশ, ভুটানের ৭.৩ শতাংশ, মিয়ানমারের ৭ শতাংশ, নেপালের ৬.৯ শতাংশ, আইভরিকোস্টের ৬.৮ শতাংশ এবং ভারতের ৬.৭ শতাংশ।

প্রতিবেদনে বাংলাদেশের এই শীর্ষ উদীয়মান অর্থনীতির তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে আসার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি নিয়ে এগিয়ে যাবে। ২০০৪ সালের পর বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে।

২০২০ সালে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়াবে ৭.৭ শতাংশ। মাথাপিছু আয় বেড়ে দাঁড়াবে ২ হাজার ৮০ মার্কিন ডলার। মূলস্ফীতি ৫.১ শতাংশের মধ্যে অবস্থান করবে। আর বাজেট ঘাটতিও নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই জিডিপির ৪.৭ শতাংশে থাকবে।

সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হলো, বাংলাদেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল অবকাঠামো পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজ ২০২০ সালে সম্পন্ন হবে। দেশটির স্বপ্নের এই সেতু ২০২১ সালে খুলে দেয়া হবে, উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করবে।

প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সম্পর্কে আরও বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার তৃতীয় দফায় সরকার পরিচালনা করছে। সরকারের মূলধনী প্রকল্পে বিনিয়োগের কারণে বাজেট ঘাটতি বাড়বে। কারণ যেভাবে সরকারের উন্নয়ন ব্যয় বাড়ছে সে তুলনায় রাজস্ব আয় বাড়ছে না। একইভাবে দেশটির মুদ্রানীতিও শিথিল থাকবে। অন্য উদীয়মান বাজারগুলোর মতো আয় বৃদ্ধি না পেলেও কাছাকাছি থাকবে।

প্রকাশিত : ১৮ নভেম্বর ২০১৯

১৮/১১/২০১৯ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



শীর্ষ সংবাদ: