২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ২ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

কঠোর নির্দেশ ॥ সিটি কর্পোরেশন ও সব সেবা প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিত কাজ করতে হবে ॥ প্রধানমন্ত্রী


কঠোর নির্দেশ ॥ সিটি কর্পোরেশন ও সব সেবা প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিত কাজ করতে হবে ॥ প্রধানমন্ত্রী

মশিউর রহমান খান ॥ রাজধানীর উত্তর ও দক্ষিণ দুই সিটি কর্পোরেশনের অধিক্ষেত্র এলাকাসহ দেশের সকল সিটি কর্পোরেশন এলাকার সকল সরকারী সেবাদানকারী ও অন্যান্য সকল সংস্থাকে সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে সমন্বয় করে সকল উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে ও কাজ করার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পরিচালক (প্রশাসন) দেওয়ান হুমায়ূন কবীর স্বাক্ষরিত দেশের সকল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো এক পরিপত্রে এসব কথা বলা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থিত সেবা প্রদানকারী সংস্থার সঙ্গে কর্পোরেশনের কাজে অধিকতর গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন-২০০৯ এর ৪৯ (১৫) ধারার উদ্দেশ্য পূরণের জন্য সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশন এলাকার পরিকল্পনা ছাড়া সমন্বয়হীন কাজের লাগাম টেনে ধরতে সক্ষম হবেন মেয়রগণ। এ নির্দেশের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশন এলাকায় যুগের পর যুগ ধরে চলে আসা যত্রতত্র বা যে কোন সময় রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা চালু করা, ওয়াসার খাল খনন, পানি সাপ্লাইয়ের লাইন চালু করা, ড্রেন পরিষ্কার করা, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন নতুন রাস্তা তৈরি ও গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কমিশনের (বিটিআরসি) কেবল সংযোগ স্থাপন কার্যক্রম পরিকল্পিতভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। ফলে মিলবে নাগরিক স্বস্তি।

মূলত স্থানীয় সরকার আইনের পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের জন্যই সরকার এ নির্দেশনা প্রদান করেছে। নাগরিক সেবা প্রদানে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ও নাগরিকদের কাছে দায়বদ্ধতায় আনতে এ পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিগণকেও সকল কাজের জন্য নাগরিকদের কাছে জবাবদিহিতায় স্বচ্ছতা আনবে। ফলে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে। পরিপত্র জারির ফলে প্রতিটি সিটি কর্পোরেশনের মাসিক উন্নয়ন সভায় রাজধানীর সরকারী ও স্বায়ত্তশাসিত সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের বাইরেও সকল সরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে সভায় আমন্ত্রণ জানালে বাধ্যতামূলকভাবে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনার ফলে রাজধানীবাসীসহ দেশের সকল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বসবাসকারীদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের জন্য সৃষ্ট সকল সংস্থার সমন্বয়হীনতার কষ্ট থেকে আশু মুক্তি মিলবে, যা কর্পোরেশন এলাকায় বসবাসকারীদের দীর্ঘ বছরের দাবি ছিল। এর আগে প্রতিটি সমন্বয় সভায় মৌখিকভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সরকারের সংস্থা প্রধানকে উপস্থিত থাকতে বলা হলেও তারা থাকতে বাধ্য ছিলেন না।

নাগরিক যন্ত্রণা ও দুর্ভোগ নিয়ে প্রতিটি সংবাদপত্র ও রেডিও টেলিভিশন নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও শুধু সেবাদানকারী সকল সংস্থার সমন্বয়হীনতার কারণে এসব সমস্যার সঠিক সমাধানে তেমন কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। সমন্বয়হীন রাজধানী ঢাকা এখন উন্নয়নের ফাঁদে ‘হ-য-ব-র-ল’। মাসের পর মাস ধরেই ঢাকা ওয়াসার উন্নয়নমূলক কাজের জন্য খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। ঢালাই করা পিচের রাস্তা কেটে ১০-১২ ফুট গভীরে কাজ চলছে। অনেক জায়গায় কাজ শেষও হয়ে গেছে কিন্তু পিচ ঢালাই আর হয় না। মাটিচাপা দিয়েই কাজের সমাপ্তি করা হয়। সঠিকমতো হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদান করেও নাগরিকগণ সঠিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এর ফলে সরকার গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে বিলম্ব হচ্ছে। এর কারণে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যার প্রভাব জিডিপির ওপর পড়ছে।

সিটি কর্পোরেশন রাজধানীর অভিভাবক হিসেবে পরিচিত হলেও তার আওতাধীন অঞ্চলে সড়ক নির্মাণ ও মেরামত, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মশক নিধন ও সৌন্দর্যবর্ধন ছাড়া তেমন কোন দৃশ্যমান উন্নয়নে কার্যক্রম পরিচালনা করে না। রাজধানীর আবাসন সমস্যা, যানজট নিরসন, গ্যাস, পানি, বিদ্যুত সরবরাহসহ রাজধানীর স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনাগুলো সিটি কর্পোরেশনের হাতে নেই। ঢাকা ওয়াসা, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) ও ঢাকা এনার্জি সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষসহ সকল উন্নয়ন সংস্থাগুলো পৃথক মন্ত্রণালয়ের অধীনে। এ কারণেই কোন উন্নয়ন কাজ একক সিদ্ধান্তে করা সম্ভব হয় না এবং কাজের মধ্যেও সমন্বয় থাকে না। সরকারের এ পরিপত্র জারির মাধ্যমে সকল প্রকার উন্নয়ন কর্মকা- পরিচালনার জন্য একক সভার আয়োজন করতে পারবে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, সিটি কর্পোরেশনের অধিক্ষেত্রে সরকারী বিভিন্ন সেবা প্রদানকারী সংস্থার কাজে অধিকতর গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার আইন বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরিপত্র অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনের অধিক্ষেত্রের অন্তর্ভুক্ত সেবা প্রদানকারী সকল সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সরকারী দফতরের প্রধানগণ সিটি কর্পোরেশনের আমন্ত্রণে সভায় বাধ্যতামূলকভাবে যোগদান করতে হবে। কোনক্রমেই প্রতিনিধি পাঠাতে পারবেন না। এছাড়া সভায় গৃহীত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবেন এবং এসব বাস্তবায়ন অগ্রগ্রতি সিটি কর্পোরেশনকে নিয়মিতভাবে চিঠি দিয়ে অবহিত করবেন। কোন প্রকার সমস্যার সৃষ্টি হলে কেন ও কী কারণে সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না বা কত সময় প্রয়োজন, তা জানাতে হবে। মোটকথা সকল সেবাদানকারী ও সংশ্লিষ্ট সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো জবাবদিহিতার আওতায় চলে আসবে।

বর্তমানে প্রতিটি সিটি কর্পোরেশনে প্রতি এক মাসে একটি করে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসব সভায় সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রতিটি সরকারী স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে কর্পোরেশনের উন্নয়ন ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা প্রণয়নের স্বার্থে সভায় আমন্ত্রণ জানালেও তারা এসব সভাকে কোন গুরুত্বই দেন না। প্রায় প্রতিটি সভায় সরকারী সংস্থার প্রধানগণ তাদের নিম্নশ্রেণীর কর্মকর্তা পাঠিয়ে দায়মুক্ত হন। এতে জনস্বার্থে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন না সংশ্লিষ্ট এলাকার মেয়রগণ। যার খারাপ ফলাফল নাগরিকগণকে ভোগ করতে হবে। সভায় সকল সংস্থার প্রধানগণ উপস্থিত থাকলে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে উন্নয়মূলক কাজ ত্বরান্বিত করা সহজ হয়।

রাজধানীর দুই সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন সংস্থার উন্নয়নমূলক কাজ সারাবছরই চলমান থাকে। সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখিত বা সাবধান উন্নয়ন কাজ চলিতেছে কিংবা প্রকল্প কাজ চলমান সতর্ক থাকুন সংবলিত সাইন বোর্ড শহরের বিভিন্ন অলিগলিতে সারাবছরই দৃশ্যমান। এর মধ্যে বিশেষ করে বর্ষাকালে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যণীয়। সরকারের কোন সংস্থার সঙ্গেই অপর সংস্থার কোন সমন্বয় না থাকায় একটি রাস্তাকে কয়েক দফায় কাটতে দেখা যায়। সিটি কর্পোরেশন তাদের রাস্তা তৈরির এক মাসের মধ্যেই অন্যান্য সংস্থা তাদের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে উন্নয়ন কর্মকা- করতে থাকে। রাজধানীতে সরকারের সর্বমোট ২৬টি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। নাগরিক সেবার কথা চিন্তা করে কোন প্রতিষ্ঠান তাদের সংশ্লিষ্টদের বছরের যে কোন সময়ই সরকার গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজ শুরু করে। এতেই শুরু হয় নাগরিক মহাভোগান্তি। এসব সংস্থার কাজ করতে কয়েক মাস পর্যন্ত লেগে যায়। বর্ষকালে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কারণে কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে বিধায় নাগরিকদের রাস্তায় চলাচল সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

সমন্বয় না থাকায় একটি সরকারী সংস্থার কাজ শেষ হয়ে এলে ওই স্থানে সিটি কর্পোরেশন মাটিচাপা দিয়ে যেতে না যেতেই প্রয়োজনের কারণে একই স্থানে পুনরায় অপর একটি সেবাদানকারী সংস্থা তাদের খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করে দেয়। রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির বাইরে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা চালু করা, ওয়াসার খাল খনন, পানি সাপ্লাইয়ের লাইন চালু করা, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন নতুন রাস্তা তৈরি ও গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন, বিটিআরসির কেবল সংযোগ স্থাপন প্রকল্প সারাবছর চলমান থাকে। উন্নয়নের নামে এক রাস্তাই বার বার খোঁড়াখুঁড়ি করছেন বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা। সংস্থাগুলো কাজ শেষে কোনরকম মাটিচাপা দিয়েই উন্নয়ন কাজের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে রাস্তায় খানাখন্দ, কাদা ও জলাবদ্ধতা হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী। মূলত ইটের টুকরো দিয়ে গর্তগুলোকে চাপা দেয়া হলেও চাপা দেয়া যায়নি নাগরিক দুর্ভোগ।

রাজধানী ঢাকায় বছরের পুরোটা সময় ধরেই এসব উন্নয়নমূলক সংস্থা কোন রকম সমন্বয় ছাড়াই উন্নয়নের কাজ করে যেতে থাকে, যার ভুক্তভোগী হয় শুধুই সাধারণ মানুষ। সম্প্রতি নাগরিক দুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট ২৬টি সংস্থাকে এক কাজ বার বার না করে সমন্বয় করে করার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন। তার এ নির্দেশে এক প্রকার পাত্তা না দিয়েই সমন্বয় ছাড়াই অপরিকল্পিতভাবে কাজ করে চলছিল সরকারে এ উন্নয়ন সংস্থাগুলো। সিটি কর্পোরেশন তার নির্ধারিত কাজের বাইরে অন্য কোন কাজ করার এখতিয়ার রাখে না। আর স্বায়ত্তশাসিত এ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়। আবাসন কর (হাউজিং ট্যাক্স), দোকান ভাড়া, রিক্সার লাইসেন্স ও বাৎসরিক কর, ট্রেড লাইসেন্স, হাট ইজারাসহ বেশ কয়েকটি খাত থেকে অর্থ সংগ্রহ করার ক্ষমতা রয়েছে। আর বাৎসরিক বাজেট পেশের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়। নির্দেশনা থাকলেও সেবাদানকারী এসব সংস্থা তেমন কর্ণপাত না করার ফল নাগরিকদের ভোগ করতে হয় নিয়মিত। নাগরিক ভোগান্তি কমাতে সমন্বয় করে কাজ করতে সরকারের এ সিদ্ধান্ত বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন জনকণ্ঠকে বলেন, রাজধানীর উন্নয়নে সরকারের গৃহীত ও নাগরিক স্বার্থে যেসব কর্মকা- সম্পাদিত হতো এসব কাজে সরকারী ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার মাঝে কোন প্রকার সমন্বয় ছিল না। সরকারের এ প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে সমন্বয়হীনতার যে অভাব ছিল তা দূর হয়েছে। এখন থেকে যে কোন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে গেলে সকল সেবাদানকারী ও সংশ্লিষ্ট সরকারী প্রতিষ্ঠানকে নাগরিক সমস্যা সমাধানের কথা চিন্তা করে সিটি কর্পোরেশনের ডাকা সভায় সংস্থার প্রধানগণ বাধ্যতামূলকভাবে হাজির হতে হবে। এতে কম সময়েই যে কোন প্রকার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। তাছাড়া প্রতিটি সংস্থাকে সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করবেন। প্রতি মাসে করা সভায় আগের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতির সর্বশেষ বাস্তবায়ন সম্পর্কে আপডেট জানাবেন। এর মাধ্যমে নাগরিকদের কাছে সকল সংস্থার জবাবদিহিতা বাস্তবায়ন হবে। সারাবছর রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি থেকে শুরু করে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা কমে আসবে। ফলে নাগরিক ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: