১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৪ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

যত কম হবে ততই ভাল


প্রথম কয়েকটি দৃশ্য দেখার পরই ‘পুরো ছবি দেখা যাবে তো!’ এমন সংশয় চলে এলে সে ছবির ভাগ্যে কী জুটতে পারে, অনুমান করে নেয়া যায়। ছবি মুক্তির মাত্র কয়েকদিন পর হলে গিয়ে সে প্রতিফলনই দেখা গেল। হলের পেছনের কয়েকটি সারি ছাড়া পুরোটা শূন্য। হল ম্যানেজারের চোখেমুখেও অসন্তুষ্টি, ‘সেল ভাল না।’ কী কারণে যেন বহু আগে থেকেই কিছু পরিচালকদের মাথায় ঢুকে আছে- কিছু কমেডি আর কিছু মিরাকল ঢুকিয়ে দিলেই ছবি ‘দর্শক খাবে।’

এ থিওরিতেই আটকে আছেন পরিচালক অপূর্ব রানা। যে কারণেই সূর্য-কিরণ মানে সাইমন-পরীমনির জন্ম, বাচ্চাকাল থেকেই একজন আরেকজনকে ছেড়ে থাকতে না পারার ভেতরে যে মিরাকল টানার চেষ্টা করা হয়েছে এ ছবিতে, এখনকার সময়ে এসে খুবই ব্যর্থ এ ফর্মুলা।

কমেডি দৃশ্যগুলোতেও কোন প্রাণ নেই। খুবই মেকি মনে হয় সাইমন-পরীর খুনসুটির দৃশ্যগুলোও। আর গল্প কোথায় কোথায় ঘুরেছে, কোথায় যেতে চেয়েছে সেটা চিত্রনাট্যকারই ভাল বলতে পারবেন।

ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের জন্যই ‘পুড়ে যায় মন’ মার খেয়েছে বেশিরভাগ জায়গায়। জাভেদ আহমেদ কিসলুও বোধহয় ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক করতে গিয়ে দ্বিধায় ছিলেন- দৃশ্যটি কি আসলে রসিকতার নাকি বেদনার! মন কাড়েনি সংলাপ।

অন্তত গানে এসে যে বিন্দুমাত্র সান্ত¡না খুঁজে পাবেন, সে আশারও গুড়ে বালি। সবমিলিয়ে ‘পুড়ে যায় মন’ একটুও পোড়াতে পারল না!