২০ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৪ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

মানবসম্পদ উন্নয়নে ১৮ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ প্রথম


রহিম শেখ ॥ কখনও এশিয়ান টাইগার। কখনও নেক্সট ইলেভেন। আবার কখনও সেরা ত্রিশ। গত চার দশকে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নতির এমন প্রশংসা ছিল সারাবিশ্বে। দীর্ঘ এই সময়ে মানবসম্পদ উন্নয়নে দ্রুত এগিয়ে যাওয়া ১৮টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশ স্থান করে নিয়েছে প্রথমটি। কোন কোন সূচকে ভারত ও পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ। নোবেল বিজয়ী বাঙালী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন একাধিকবার লিখেছেন, সামাজিক সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতি ভারতের চেয়েও ভাল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জেপি মরগান চেজ আমাদের পুঁজিবাজার সম্ভাবনা বিবেচনায় বলেছিল, উদীয়মান বাজারে পাঁচটি প্রধান বিকাশমান দেশের একটি বাংলাদেশ। অর্থনীতির বিদ্যমান ধারা বজায় থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে এই রাষ্ট্রটি পশ্চিমা বিশ্বকে ছাড়িয়ে যাবে। তবে স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি অর্থনীতির এই অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে এমনটা মনে করছেন দেশের অর্থনীতিবিদরা। তারা বলছেন, হরতাল, অবরোধের মতো হিংসাত্মক রাজনৈতিক কর্মসূচীতে বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক বিপ্লব ঠেকানো যাবে না। বাংলাদেশ উন্নতি করবেই।

১৯৭১ সালের ৭ কোটি মানুষ এখন ২০১৫ সালে ১৮ কোটি। বলা যায়, স্বাধীনতার পর ধ্বংসস্তূপ থেকেই বাংলাদেশের পথচলা শুরু হয়েছিল। তখন কোন অবকাঠামো ছিল না, প্রতিষ্ঠানও ছিল না। সেই সময় বাংলাদেশকে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার তলাবিহীন ঝুড়ি বলেছিলেন। বলা হয়েছে, বাংলাদেশ একটি উন্নয়নের পরীক্ষাগার। অর্থাৎ, এ রকম পরিস্থিতিতে যদি বাংলাদেশের উন্নয়ন হয়, তাহলে পৃথিবীর যে কোন দেশেরই উন্নয়ন সম্ভব। ১৯৭২ সালের এক কোটি দশ লাখ টন খাদ্য উৎপাদনের তুলনায় এখন উৎপাদিত হচ্ছে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টন। জমি কমেছে শতকরা ১৫ ভাগ। বেড়েছে উদ্যোগ, পরিশ্রম, প্রণোদনা এবং কৃষিজীবী ও জমির উৎপাদনশীলতা। স্বাধীনতার পর থেকে শুরু করে দীর্ঘ ২৫ বছর পর্যন্ত বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার সাড়ে ৪ শতাংশের বেশি বাড়েনি। এর মধ্যে ১৯৭৩-৭৪ থেকে ১৯৭৯-৮০ সময়ে প্রবৃদ্ধির হার ছিল গড়ে মাত্র ৩ দশমিক ৮ শতাংশ। পরের ১০ বছর জিডিপি বেড়েছে প্রায় ৫ শতাংশ হারে। এরপর থেকে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ছাড়িয়ে গেছে ৬ শতাংশ। সর্বশেষ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পর পাকিস্তান যখন ব্যর্থ রাষ্ট্রের কালিমা নিয়ে ধুঁকছে তখন বাংলাদেশ উঠেছে সম্ভাবনাময় অর্থনীতির দেশের তালিকায়। মানব উন্নয়নের ক্ষেত্রে স্বল্পোন্নত দেশের কাছে বাংলাদেশ এখন অনুকরণীয়। শুধু অর্থনীতি ও মানব উন্নয়ন নয়; বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে গেছে আইনের শাসন, জবাবদিহিতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও। জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান মধ্যসারির দেশগুলোর তালিকায় আছে ১৫২ নম্বরে। সেখানে পাকিস্তানের অবস্থান ১৫৭ নম্বরে। আইএফপিআরআইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সামাজিক সূচকগুলোতে বড় পরিসরে উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। বেসরকারী খাত ও সরকারের নেয়া সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের দেশটির সক্রিয় অংশগ্রহণ চরম দারিদ্র্য জনগোষ্ঠীর শিশুদের অপুষ্টি কমিয়েছে। ক্ষুধা নিরসনে বাংলাদেশের এ অর্জন সার্ক দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ অর্থাৎ পাকিস্তান ও ভারতের চেয়ে ভাল। বাংলাদেশের খাদ্য উৎপাদন পাকিস্তান আমলের ৯৬ লাখ টন থেকে বেড়ে এখন ৩ কোটি ৬০ লাখ টনে দাঁড়িয়েছে। ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূরীকরণে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান ও নেপালকে ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইএফপিআরআই) বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে বলা হয়, ২০১৪-তে সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি সাধনকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে। ওই প্রতিবেদনে ক্ষুধা নিরসনে বাংলাদেশের র‌্যাঙ্কিং ৫৭। ২০০৫ সালেও বাংলাদেশের পয়েন্ট ছিল ১৯ দশমিক ৮। ২০১৪ সালে এসে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ১ পয়েন্টে। ইউনেস্কোর পরিসংখ্যান অনুসারে, বাংলাদেশে মাধ্যমিক শিক্ষায় শিক্ষিত নারীর হার ৩০.৮ শতাংশ। সেখানে পাকিস্তান ১৯.৩ শতাংশ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জেপি মরগান চেজ আমাদের পুঁজিবাজার সম্ভাবনা বিবেচনায় বলেছিল, উদীয়মান বাজারে পাঁচটি প্রধান বিকাশমান দেশের একটি বাংলাদেশ । বিশ্ববিখ্যাত ঋণমান নির্ণয়কারী স্ট্যান্ডার্ড এ্যান্ড পুওর পর পর তিন বছর বাংলাদেশকে পাকিস্তানের তিন ধাপ উপরে, ভারতের একধাপ নিচে এবং ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম ও ফিলিপিন্সের সমপর্যায়ে বলে উল্লেখ করেছে। মুডিস ইনভেস্টর সার্ভিসের মূল্যায়নে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতিকে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে স্থিতিশীল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নিউইয়র্কের ওয়াল স্ট্রীট জার্নালের একটি নিবন্ধে এস ঢুম বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার স্ট্যান্ডার্ড বেয়ারার হিসেবে উল্লেখ করে দেশটি সম্পর্কে লিখেছেন, ‘ক্যান টিচ এ লেসন অর টু টু অল আদার রিজিওন্যাল এ্যাক্টরস’। ঐ নিবন্ধে ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে জঙ্গীবাদ নির্মূলের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়। বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাকস্ বলছে, সম্ভাবনাময় ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের নামটিও রয়েছে। হিসাব ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান প্রাইস ওয়াটার হাউস কুপারস বলেছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ২৩তম অর্থনীতি হিসেবে আবির্ভূত হবে। এ সবই স্বপ্ন দেখাচ্ছে বাংলাদেশকে। বাংলাদেশ এখন স্বপ্ন দেখছে এক দশকের আগেই মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ছিল ৪ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকার অর্থনীতি। এখন বাংলাদেশের অর্থনীতি ৭ লাখ ৮৭ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকার।

অনেক সমস্যার পরও বৈদেশিক রেমিটেন্স ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিটেন্সে অব্যাহত প্রবৃদ্ধি বজায় রেখে অর্থবছরের প্রথম আট মাস শেষে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স আয় করে এমন শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ সপ্তম অবস্থানে। তার পরের অবস্থানে পাকিস্তান। বিশ্ববাজারে অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও বাংলাদেশে রফতানির পরিমাণ বাড়ছে। গেল বছর বাংলাদেশের রফতানি ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বৈদেশিক মুদ্রার ক্রমবর্ধমান মজুদ ও বিনিময়হারের স্থিতিশীলতা বিদেশী বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। বিদেশী বিনিয়োগ বা এফডিআই বর্তমানে ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। সারাবিশ্বে এফডিআইয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ছয় ধাপ এগিয়েছে। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ বৈদেশিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এখন দ. এশিয়ায় দ্বিতীয়। ২০১৩’র মাঝামাঝি থেকে ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হারও স্থিতিশীল অবস্থানে রয়েছে। মূল্যস্ফীতি নিম্নগামী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণভাবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানত ও ঋণের সুদহারও ধীরে ধীরে কমে আসছে। শক্তিশালী হয়েছে ব্যাংকিং খাত। হরতাল-অবরোধের মতো রাজনৈতিক সংঘাতের পরও উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করছে, অভ্যন্তরীণ বাজার সম্প্রসারিত হচ্ছে। শিল্প কারখানাগুলোতে জ্বালানি ও বিদ্যুত সঙ্কট কমেছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংক গবর্নর ড. আতিউর রহমান জনকণ্ঠকে বলেন, কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যবসায়িক খাতকে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও পরিবেশবান্ধব টেকসই অর্থায়ন কর্মকা-ে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করে আসছে। এই কৌশলের কারণে বৈশ্বিক আর্থিক সঙ্কট ও প্রবৃদ্ধি মন্দার মধ্যেও বাংলাদেশ এক দশক ধরে ছয় শতাংশের ওপর জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের উদ্যোক্তারা এবং সাধারণ মানুষ অত্যন্ত সাহসী ও পরিশ্রমী। তারা প্রয়োজনে বড় ঝুঁকি নিতে কুণ্ঠাবোধ করে না। নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে তারা এগিয়ে যায়। এই উদ্যমী মানুষের ‘রেসিলিয়েন্স’ হচ্ছে আমাদের অর্থনীতির অন্তর্নিহিত শক্তি। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও গ্রামাঞ্চলে মানুষের অর্থায়নের আরও সুযোগ সৃষ্টি করতে পারলে দেশের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করা সম্ভব, যা আমাদের ৮৫ হাজার গ্রামের উন্নয়নের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

অর্থনীতি বিশ্লেষক মামুন রশীদের মতে, বর্তমানে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সম্ভাবনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, অস্থিরতা। সবাই সম্মিলিতভাবে দেশের উন্নয়নের কথা ভাবতে পারছে না। পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়ে কোন দল ক্ষমতায় যাওয়ার চার বছর শেষ না হতেই দেশে শুরু হয়ে যায় সরকার পতনের আন্দোলন এবং এ আন্দোলন দেশের উন্নয়নে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। তিনি বলেন, আমরা যদি পোশাক রফতানির এ বিষয়টি ধরে রাখতে পারি, অভ্যন্তরীণ রেমিটেন্স বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায় তাহলে আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৬ শতাংশ ছাড়িয়ে ৭ থেকে ৮ শতাংশ পৌঁছবে। আর এভাবে হাঁটি হাঁটি পা পা করে আমাদের জিডিপি যদি ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করতে পারি, তাহলে বিশ্বে আমরা একটি মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে পারব।

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জনকণ্ঠকে বলেন, স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত একটা অর্থনীতি নিয়ে যেখান থেকে যাত্রা করেছিল বাংলাদেশ, সে তুলনায় নিশ্চয়ই অনেক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু এ দেশের পুরো সম্ভাবনা এখনও কাজে লাগানো যায়নি। চার দশকের বেশি সময়ে মাথাপিছু আয় প্রকৃত অর্থে আড়াইগুণ বেড়েছে, গড় আয়ু ৫০ থেকে ৬৫ বছর ও সাক্ষরতার হার দ্বিগুণ হয়েছে, শিশুমৃত্যুর হার ৮০ শতাংশ কমেছে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বার্ষিক ৩ শতাংশ থেকে অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে; এগুলো কম অর্জন নয়। তার মতে, একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক শাসন ব্যবস্থার অভাবেই ভবিষ্যতের জন্য একটা আস্থা ও নিশ্চয়তার জায়গা তৈরি হয়নি। অথচ অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জাতি গঠনে এটা অপরিহার্য উপাদান।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্য যা অসম্ভব-অবাস্তব মনে হতো আজ তা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গবর্নর ড. ফরাসউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, স্বাধীনতাপরবর্তী বাংলাদেশে ৭০ শতাংশ উৎপাদনশীলতা বেড়েছে, অর্থনীতি একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। মাথাপিছু আয় সত্যিকার অর্থে দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। বিভিন্ন উন্নয়ন সূচকে অগ্রগতি দেখে বিশ্ব প্রশংসা করছে। কিন্তু বাংলাদেশের এই অগ্রগতি ও বিশ্ব প্রশংসার মাঝে স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি অর্থনীতির ধারাকে বাধাগ্রস্ত করছে। হরতাল, অবরোধ আর ধর্মঘটের মতো হিংসাত্মক রাজনৈতিক কর্মসূচীতে বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক বিপ্লব ঠেকানো যাবে না বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, ২০৫০ সালের মধ্যে পশ্চিমা বিশ্বকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: