২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

গফরগাঁওয়ের ৪ শতাধিক শিশু শ্রমিক ঝুঁকির মধ্যে


শেখ আব্দুল আওয়াল গফরগাঁও থেকে ॥ গফরগাঁওয়ে নসিমন, করিমন, ভটভটির শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে চারশতাধিক শিশু। এই পেশায় কাজ করতে গিয়ে ইতোমধ্যেই শতাধিক শিশু টু-স্ট্রোক ইঞ্জিনের বিষাক্ত কালো ধোঁয়া এবং বিকট শব্দে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, চর্মরোগ, শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া, হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়েছে। দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়েছে অনেকে। উপজেলার ছোট-বড় মিলে প্রায় ৩০ টির মতো সড়কে নসিমন, করিমন, ভটভটি চলাচল করে। সেচ কাজের জন্য নির্ধারিত ডিজেলচালিত টু-স্ট্রোক শ্যালোইঞ্জিন দিয়ে স্থানীয়ভাবে তৈরি এসব যানবাহনের মাধ্যমে মালসহ যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। সরকারীভাবে নিষিদ্ধ টু-স্ট্রোক ইঞ্জিনের এসব যানবাহনের প্রধান সমস্যা কার্বন মনো-অক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইড, কার্বন ডাই-অক্সাইড মিশিত কালো ধোঁয়া এবং বিকট শব্দ। আর ওইসব নসিমন, করিমন, ভটভটিতে ৮ থেকে ১২ বছরের প্রায় ৪ শতাধিক শিশু শ্রমিক হেল্পার হিসেবে কাজ করছে ঝুঁকি নিয়ে। ১০ থেকে ১৬ বছরের দুই শতাধিক শিশু হাইড্রলিক ব্রেক কিংবা গিয়ার এবং সামনে-পিছনে সিগন্যালবাতি বিহীন এসব যানবাহনের চালক হিসেবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হলেও শিশুরা মজুরি পায় অত্যন্ত কম। হেল্পার হিসেবে রোজ ৫০ থেকে ৬০ টাকা। ড্রাইভার হিসেবে কাজ করলে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা।