ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০

শান্তর একটু আক্ষেপ আর গর্বের এক সিরিজ

স্পোর্টস রিপোর্টার

প্রকাশিত: ০০:৫৫, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩

শান্তর একটু আক্ষেপ আর গর্বের এক সিরিজ

নাজমুল হোসেন শান্ত

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে নেতৃত্বের প্রথম ম্যাচেই পেয়েছেন সেঞ্চুরি, আভিজাত্যের সাদা পোশাকে প্রথমবারের মতো ঘরের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়- সিলেটে এমনি সব ঐতিহাসিক অর্জনের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করা নাজমুল হোসেন শান্তর সামনে সুযোগ ছিল ইতিহাসটাকে আরও ওপরে নিয়ে যাওয়ার। মিরপুরে বৃষ্টি আর বোলারদের দাপটের টেস্টে এক গ্লেন ফিলিপসের সঙ্গেই পারল না স্বাগতিকরা। প্রবল চাপের মুখে কিউই অলরাউন্ডার খেললেন দারুণ দুটি ইনিংস। তবে এর চেয়েও টাইগার অধিনায়কের বেশি আফসোস নিজেদের ব্যাটিং নিয়ে।

ব্যাটিংটা আরেকটু ভালো হলে দৃশ্যপট অন্যরকম হতে পারত বলে মনে করছেন শান্ত। গোটা সিরিজে প্রবল প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে সমানে-সমান লড়াই করে ১-১-এ ড্র সিরিজেও তাই একটু আক্ষেপ তরুণ এই অধিনায়কের। শনিবার মিরপুর টেস্ট শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে শান্তÍ কথা বলেছেন সিলেট এবং মিরপুরের উইকেট, নিজের ব্যাটিং আর নেতৃত্ব, দলীয় সমন্বয়, মাঠের ভেতর ও বাইরের নানা বিষয়ে। ‘প্রথমত আমি খুবই গর্বিত। সিলেটে দারুণ একটা  টেস্ট খেলার পর এখানেও (মিরপুরে) সবার বডি ল্যঙ্গুয়েজ খুব ভালো ছিল। ওদেরকে মাত্র ১৩৭ রানের টার্গেট দিয়ে আমাদের বোলাররা যেভাবে চেষ্টা করেছে, তাতে আমি বেশি খুশি।

উন্নতির অনেক জায়গা আছে, বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে আরেকটু বেটার আমরা কীভাবে করতে পারি... এই জায়গাটায় ঘাটতি আছে। বলব না উন্নতি হচ্ছে না, এখানে অনেক প্লেয়ার আছে যারা একদমই নতুন। কিন্তু ওদের দেখে কারও মনে হয়নি অমন নার্ভাস বা টেনশন ফিল করছে। সবই দলের জন্য খেলার চেষ্টা করেছে, এই সবই পজিটিভ দিক,’ বলেন শান্ত। সিলেটে প্রথম টেস্টে স্পিনাররা দাপট দেখালেও উইকেটের আচরনে ভারসাম্য ছিল। কিন্তু মিরপুরে একচ্ছত্র অধিপাত্য দেখিয়েছে স্পিনাররা। এ বিষয়ে অধিনায়কের মূল্যায়ন, ‘সিলেটে বোলারদের জন্য খুব বেশি হেল্প ছিল, তা বলব না। ব্যাটারদের কষ্ট হলেও একটা ব্যালেন্স ছিল। এই টেস্টের কথা যদি বলি, আমরা ব্যাটাররা খুব ভালো ব্যাটিং করিনি।

প্রথম ইনিংসে ২৩০-২৪০ রানের উইকেট ছিল, দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিংটা আরেকটু বেটার করলে এই পরিস্থিতি তৈরি হতো না’, তবে টেস্টে ও ওয়ানডে-টি২০তে আলাদা পরিকল্পনা থাকতে হবে বলে মনে করেন শান্ত। এমনকি উইকেট এবং দল তৈরিতেও থাকতে হবে ভিন্ন পরিকল্পনা।
ব্যাটসম্যানরা অতিরিক্ত আক্রমণাত্মক হতে গিয়েই কি উইকেট হারিয়েছে? অধিনায়কের উত্তর, ‘সবাই যে আক্রমণ করতে গিয়েছে, বিষয়টা এমন নয়। প্রত্যেকের পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু সেটা বাস্তবায়ন হয় নাই। ব্যাটিংয়ে সবাই মিলে দায়িত্ব নিতে পারলে ভালো কিছু হতে পারত।’ দুই ইনিংসেই প্রতিপক্ষ ব্যাটার ফিলিপসকে থামাতে না পারার দায় বোলারদের দিতে চান না শান্ত, ‘আমাদের বোলাররা যথেষ্ঠ ভালো বোলিং করেছে। আসলে সে-ও (ফিলিপস) ভালো ব্যাটিং করেছে, নেতৃত্ব ব্যাটিংয়ের জন্য কোনো সমস্যা নয় বলেই জানিয়েছেন তিনি।

×