ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ১৪ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

ঐতিহাসিক স্থাপনা

প্রকাশিত: ০৭:৩৩, ৮ এপ্রিল ২০১৬

ঐতিহাসিক স্থাপনা

লালবাগ কেল্লা লালবাগ কেল্লা, মোঘল আমলের বাংলাদেশের একমাত্র ঐতিহাসিক নিদর্শন যাতে একই সঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছে কষ্টিপাথর, মার্বেলপাথর আর নানা রং-বেরঙের টালি। লালবাগ কেল্লা ছাড়া আর বাংলাদেশের আর কোন ঐতিহাসিক নিদর্শনে এমন কিছুর সংমিশ্রণ পাওয়া যায়নি আজ পর্যন্ত। প্রায় প্রতিদিন হাজারো দেশী-বিদেশী দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখরিত হয় ঢাকার লালবাগ এলাকার এই দুর্গটি। আহসান মঞ্জিল ইসলামপুরের কুমারটুলী নামে পরিচিত পুরনো ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে বর্তমান ইসলামপুরে আহসান মঞ্জিল অবস্থিত। এটি ব্রিটিশ ভারতের উপাধিপ্রাপ্ত ঢাকার নওয়াব পরিবারের বাসভবন ও সদর কাচারি ছিল। অনবদ্য অলঙ্করণ সমৃদ্ধ সুরম্য এ ভবনটি ঢাকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্থাপত্য নিদর্শন। নওয়াব আবদুল গনির পিতা খাজা আলিমুল্লাহ ১৮৩০ সালে ফরাসিদের নিকট থেকে এই কুঠিটি ক্রয়পূর্বক সংস্কারের মাধ্যমে নিজ বাসভবনের উপযোগী করেন। পরবর্তীতে নওয়াব আবদুল গনি ১৮৬৯ সালে এই প্রাসাদটি পুনঃনির্মাণ করেন এবং প্রিয় পুত্র খাজা আহসানুল্লাহর নামানুসারে এর নামকরণ করেন আহসান মঞ্জিল। রাজশাহীর পুঠিয়া বাংলাদেশের যে কয়েকটি জেলা স্বনামে খ্যাত রাজশাহী তার মধ্যে অন্যতম। রাজশাহী জেলায় ইতিহাস-ঐতিহ্য সমৃদ্ধ অনেক স্থান রয়েছে। পুঠিয়া ঐতিহাসিক স্থানটি রাজশাহী জেলায় অবস্থিত। পুঠিয়া রাজশাহী জেলায় অবস্থিত। রাজশাহী জেলার একটি উপজেলাও এই পুঠিয়া। পুঠিয়া উপজেলায় রয়েছে, পুঠিয়া রাজবাড়ী, পুঠিয়া মন্দির ছাড়াও অনেক দৃষ্টিনন্দন স্থান। বালিয়াটি প্রাসাদ ঢাকা বিভাগের একটি উল্লেখযোগ্য জেলার নাম মানিকগঞ্জ। মানিকগঞ্জ জেলায় যে কয়েকটি ঐতিহাসিক স্থাপনা রয়েছে তার মধ্যে বালিয়াটির জমিদারবাড়ী অন্যতম। উনিশ শতকের প্রথমার্ধে বালিয়াটির জমিদার গোবিন্দরাম একটি প্রাসাদ নির্মাণ করেন। সেই প্রাসাদটিই বর্তমানে বালিয়াটি প্রাসাদ নামে সুপরিচিত।মানিকগঞ্জ শহর থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে সাটুরিয়ার বালিয়াটিতে এই প্রাসাদটি অবস্থিত।
×