ঢাকা, বাংলাদেশ   সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০

ঢাকার দিনরাত

মারুফ রায়হান

প্রকাশিত: ২০:৩৯, ২০ মার্চ ২০২৩

ঢাকার দিনরাত

পর পর দুটি ভবনে বিস্ফোরণের পর উদ্ধার তৎপরতা নিয়ে কি ঢাকাবাসী সন্তুষ্ট হতে পেরেছে

পর পর দুটি ভবনে বিস্ফোরণের পর উদ্ধার তৎপরতা নিয়ে কি ঢাকাবাসী সন্তুষ্ট হতে পেরেছে? আমরা জানি, ঢাকা ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে। বড় ভূমিকম্পে লাখো ভবন ধসে পড়ার আশঙ্কা। রীতিমতো কেয়ামতই হয়ে যাবে আমাদের এই প্রিয় রাজধানীতে। রাজউক ঢাকায় ভূমিকম্প নিয়ে একটি সমীক্ষা করেছে আরবান রেজিলিয়েন্স প্রকল্পের রাজউক অংশের আওতায়। এ প্রকল্পের ব্যয় ৫৩৬ কোটি টাকা। এতে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

ভূমিকম্পের ভয়াবহতা নিয়ে বড় আকারে এ ধরনের সমীক্ষা এবারই প্রথম করা হয়েছে। ২০১৮ থেকে ২০২২- এই চার বছর ধরে সমীক্ষাটি করা হয়। তাতে যেসব তথ্য উঠে এসেছে তা রীতিমতো উদ্বেগজনক।
১৮৯৭ সালে ৮ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকা, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। ওই ভূমিকম্পে দেড় হাজার মানুষ মারা যান। টাঙ্গাইলের মধুপুরে মাটির নিচে যে চ্যুতিরেখা বা ফল্টলাইন রয়েছে, সেখানে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হলে ঢাকায় ৮ লাখ ৬৫ হাজার ভবন ধসে পড়বে। দিনের বেলায় এ ভূমিকম্প হলে মারা যাবেন ২ লাখ ১০ হাজার মানুষ, আহত হবেন ২ লাখ ২৯ হাজার। কথা হচ্ছে বাঁচার জন্য আমরা কি কোনো প্রস্তুতিই নেব না! হাল ছেড়ে দেব?

আঙুল ফুলে কলাগাছ

এ শহরে বৈধ উপার্জনে আর ক’জন ধনবান হতে পারে! বেশিরভাগই আঙুল ফুলে কলাগাছ। মানুষ ঠকানো আর দেশের ক্ষতি করেই এসব বামনদের উত্থান। এ সপ্তাহে একজন রুবেল মিয়ার খোঁজ পাওয়া গেছে কথিত আরাভ খানের আগে। এই রুবেল চাচার প্রতিষ্ঠানে ৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতেন, এখন ব্যাংকে তার কোটি টাকা। ২০১৯ সালে রিলায়েন্ট ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ওয়ে নামে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট হিসেবে ব্যবসা শুরু করেন রুবেল মিয়া।

তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অনুসন্ধান করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) বলছে, সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসার আড়ালে রুবেল মিয়া মানব পাচার, স্বর্ণ চোরাচালান ও মুদ্রা পাচার করে কয়েক বছরের ব্যবধানে বিপুল অর্থের মালিক বনে গেছেন। ভাবুন একবার, মুদ্রা পাচার, মানব পাচারের পাশাপাশি আবার সোনা চোরাচালান। অবশ্য শেষ রক্ষা হয় না এদের। যেতে হয় শ্রীঘরে। ইতালিতে পাঠানোর নাম করে ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে রুবেল মিয়ার বিরদ্ধে গত বছরের ১৭ অক্টোবর রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা করেন সবুজ নামের এক ব্যক্তি।

মামলায় তিনি বলেন, রুবেল শ্রমিক ভিসায় বিদেশে লোক পাঠানোর মধ্যস্থতাকারী। রুবেল মিয়া ১২ লাখ টাকায় তাকে ইতালিতে পাঠানোর আশ্বাস দেন এবং লিখিত চুক্তিও হয়। গত বছরের ১০ এপ্রিল রুবেল তার কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা নেন। পরে ওই বছরের ২১ এপ্রিল তাকে দুবাই পাঠানো হয়। এরপর তাকে জিম্মি করে বাংলাদেশে তার পরিবারের কাছ থেকে আরও ৬ লাখ টাকা আদায় করা হয়। এর পরও তাকে ইতালিতে পাঠানো হয়নি। দুবাইয়ে রুবেলের লোকজন তাকে মারধর করেন।

পরে স্বজনদের সহযোগিতায় তিনি দেশে ফিরে আসেন। মানব পাচারের ওই মামলায় রুবেলকে গত বছরের ২৩ অক্টোবর গ্রেপ্তার দেখানো হয়। রুবেল মিয়া বর্তমানে দুই মামলাতেই জামিনে আছেন। তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করেছে সিআইডি।

অনিয়ম থেকে মাসিক আয় ১৭ কোটি টাকা মাত্র

রাজধানীর গণপরিবহনে ডিভাইস কারসাজি করেই এই অবৈধ আয়। বাস ভাড়া আদায়ে ই-টিকিটিং অংশত চালু হলেও সেখানে চলছে প্রতারণা। গণমাধ্যমের কাছে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, যাত্রীদের কাছ থেকে কমপক্ষে ৫ থেকে ৭ টাকা করে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হয়। রাজধানীতে যেসব বাস চলাচল করে এগুলো ৩৯ থেকে ৪৫ সিটের। প্রতিটি গাড়িতে সিটের চেয়ে দ্বিগুণ যাত্রী বহন করা হয়। অর্থাৎ গড়ে ৭০-৮০ যাত্রী বহন করা হয়। আর একেকটি গাড়ি প্রতিদিন ৫ থেকে ৬টি ট্রিপ দিয়ে থাকে। গড়ে ৫টি ট্রিপ ধরা হলেও একেকটি গাড়ি ৩৫০ জন যাত্রী বহন করে।

যাত্রীদের কাছ থেকে ৫ টাকা করে হলেও ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়তি হাতিয়ে নেয়। এ হিসেবে ই-টিকিটে চলাচলরত ৩ হাজার ৩০৭টি পরিবহন প্রতিদিন যাত্রীদের কাছ থেকে ৫৭ লাখ ৮৭ হাজার ২৫০ টাকা বাড়তি হাতিয়ে নেয়। এ বাড়তি আদায়ের অঙ্ক মাসে দাঁড়ায় ১৭ কোটি ৩৬ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা।
কিলোমিটার ধরে ভাড়া নেওয়া হলে যে দূরত্বে ভাড়া হতো ১৫ থেকে ১৬ টাকা, সেটিই আদায় করা হয় ৩০ টাকা। যাত্রীরা এখানে জিম্মি। যাত্রীদের হয়রানি ঠেকাতে পরীক্ষামূলকভাবে ই-টিকিটিং চালু করা হয় গত বছরের ১৩ নভেম্বর। প্রথম পর্বে মিরপুর রুটে ৩০টি কোম্পানির ১৬৪৩টি বাসে ই-টিকিটিং চালু করা হয়। দ্বিতীয় পর্বে চলতি বছরের জানুয়ারিতে ১৬টি কোম্পানির ৭১৭টি বাসে এবং তৃতীয় পর্বে গত ১ মার্চ থেকে আরও ১৩টি পরিবহন কোম্পানির ৯৪৭টি বাসে ই-টিকটিংয়ের আওতায় যাত্রী পরিবহন করা শুরু হয়। যাত্রীদের সুবিধার জন্য ই টিকিটিং চালু। অথচ সেখানেও সর্ষের ভেতরে ভূত।

সিরিজ জয়ের পর হোয়াইট ওয়াশ

তিন ম্যাচের দুটিতে পর পর জয় পেলে তৃতীয়টিতেও যে জয় মিলবে, এমন কোনো কথা নেই। বিশেষ করে শক্তিশালী দল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। তাই হোয়াইট ওয়াশ হবে কিনা এ নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। ক্রিকেট তো অনিশ্চয়তারই খেলা। যাক, শেষ পর্যন্ত জয় এলো, ধবল ধোলাই হলো ইংল্যান্ড। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে বরাবরই তাচ্ছিল্য করে এসেছে ইংরেজরা। এবার তাদের দর্প চূর্ণ হলো। আশা করা হচ্ছিল, জয়ের পর বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস হবে। কিন্তু মাঠে তেমন কিছুই দেখা গেল না।

মুস্তাফিজ একটি স্টাম্প তুলে নিলেও বাকিদের করমর্দন আর কোকাকুলিতেই শেষ উদ্যাপন। পুরস্কার বিতরণী শেষে যে ছবিটি তোলা হলো, তাতেও আনন্দের আতিশয্যে ভেসে যাননি কেউই। বরং ক্রিকেটারদের চেয়েও বেশি খুশি দেখাচ্ছিল বিসিবি কর্তাদের। এ যেন বদলে যাওয়া এক বাংলাদেশ। সংবাদ সম্মেলনে সে বার্তাই দিয়ে গেছেন সাকিব।
ক্রিকেটের সব পরাশক্তির বিরুদ্ধে কোনো না কোনো সংস্করণে সিরিজ জয়ের সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ দল। বাকি ছিল শুধু ইংল্যান্ড। এবার দেশের মাটিতেই মধুরেণ সমাপয়েৎ ঘটল। পরাস্ত হলো বিশ^সেরা দলটি। টি-টোয়েন্টির তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম দুটিতে দারুণ জয় ছিনিয়ে নিয়ে সিরিজ জিতল টাইগাররা। বিশ^সেরাদের হারানোর গৌরবই আলাদা। এতে থাকে আনন্দের মিশেলে আত্মবিশ^াস। শাবাশ বাংলাদেশ। দেশবাসী আশা করতেই পারে টাইগারদের হাতে ইংল্যান্ড টিমের হোয়াইট ওয়াশ হোক। 
ওয়ান ডে ও টেস্টের বাইরে টি-টোয়েন্টিতে মেহেদি হাসান মিরাজের ওপর ভরসা রাখা যে বিফলে যায়নি তার প্রমাণ এই সিরিজ। ক্যারিয়ারসেরা বোলিং ফিগার পেয়েছেন মিরাজ দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথমবারের মতো সিরিজে খেলতে নেমে। ৪ ওভার বল করে ১২ রান দিয়ে ৪ উইকেটপ্রাপ্তি। ফলে তাকে ম্যাচসেরা করতে বিশেষ ভাবতে হয়নি নির্বাচকদের। সাকিব, তাসকিন ও মুস্তাফিজÑ এরাই প্রধানত টিমের ক্ষমতার জায়গা, শক্তিশালী স্তম্ভ। নাজমুল হোসেন শান্ত আর হাসান মাহমুদের কথাও আলাদা করেই বলতে হবে।

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ডেথ ওভারে ইংল্যান্ডের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছিলেন হাসান। আবার প্রথমার্ধে (প্রথম ১০ ওভারে)  বোলিং করে বাটলারকে বোল্ড করার ঘটনা ছিল ম্যাচের জন্য টার্নিং পয়েন্ট। নাজমুলের ৩০ বলে ৫০ করাটা টি-টোয়েন্টির ঝড়ো মেজাজের সঙ্গে খুবই মানানসই। প্রথম ম্যাচে তার পারফর্মেন্সে আগেভাগে লক্ষ্য পূরণ হয়েছিল। মানে দুই ওভার বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে এক প্রান্ত আগলে রাখার কাজ ভালোভাবে করে প্রত্যাশিত রানও তুলেছেন নাজমুল, ৪৭ বলে ৪৬ রান তুলে ছিলেন অপরাজিত। এই সিরিজের ভেতর দিয়ে নাজমুল উজ্জ্বল হয়ে উঠেছেন। তারকা হয়ে উঠলেন তিনি।

সোহাগ মোল্লা থেকে আরাভ খান

সোহাগ, রবিউল, আপন, হৃদিক হরেক নামের পরে শেষ পর্যন্ত ‘আরাভ’ নামে এসে থেমেছেন কথিত খুনি। হঠাৎ করে তার নাম সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। কারণ হলো দুবাইয়ে তার সোনার দোকান উদ্বোধন করতে যান সাকিব আল হাসান, হিরো আলমসহ ক’জন নামকরা ব্যক্তি। পুলিশ খুনের আসামি দেশ থেকে পালিয়ে প্রথমে ভারত যান; সেখান থেকে নতুন পাসপোর্ট করে সোজা দুবাইবাসী। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার হিরন ইউনিয়নের আশুতিয়া গ্রামে আরাভ খানের বাড়ি।

তার বাবা মতিউর রহমান মোল্লা ছোটবেলা থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে ঘুরে ভাঙ্গাড়ি মালামাল  কেনাবেচা করতেন। খুনের আসামি দুবাইয়ের স্বর্ণ ব্যবসায়ী। তার কাহিনী সিনেমার মতোই। বাস্তবও যে কাল্পনিক উপন্যাসের চেয়ে রোমাঞ্চকর হয়ে ওঠে, তারই উদাহরণ যেন।

২০১৮ সালের ৭ জুলাই পুলিশ কর্মকর্তা মামুন এমরান খানকে বান্ধবীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে বনানীতে এই আরাভ খানের বাসায় ডেকে নিয়েছিলেন ‘বন্ধু’ রহমত উল্লাহ। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সেখানে আগে থেকে অবস্থান করছিলেন তিন নারী। বাসার একটি কক্ষে লুকিয়ে ছিলেন দিদার, আতিক, স্বপন সরকারসহ পাঁচজন। তাদের লক্ষ্য ছিল ওই নারীদের সঙ্গে আপত্তিকর ছবি তুলে মামুনের কাছ থেকে টাকা আদায় করা। তখন বাসার একটু দূরে দাঁড়িয়ে পুরো ঘটনা দেখছিলেন রবিউল ইসলাম, সাম্প্রতিক যিনি আরাভ খান নামে পরিচিত। আরাভের আনা বস্তায় ভরে দূরবর্তী এলাকায় গিয়ে পোড়ানো হয় পুলিশ কর্মকর্তা মামুনের লাশ।
রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশেও আসেন। তখন পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেনি। অবাক করার মতোই ঘটনা। ৮ ফেব্রুয়ারি আরাভ খান নামের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে রবিউল গোপালগঞ্জ শহরের একটি তিনতলা বাড়ি দেখিয়ে বলেন, এটা তার গোপালগঞ্জের গ্রামের বাড়ি নয়। এটা তার ব্যক্তিগত বাড়ি। এখানে তিনি থাকেন। পরে বিএমডব্লিউ ব্র্যান্ডের একটি মোটরসাইকেল নিয়ে স্থানীয় বাজারে গিয়ে মাছ কেনেন তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আরাভ খান ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম বা অর্গানাইজড ক্রাইমের একজন জ্বলন্ত উদাহরণ। এ ঘটনায় বোঝা যাচ্ছে, আরাভ খান একটা হাতের পুতুল মাত্র। এর পেছনে আরও বড় বড় শক্তি আছে; যারা আন্তর্জাতিক অপরাধ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত। আরাভের অঢেল টাকার মালিক হওয়া সেটাই প্রমাণ করে। পেছনে শক্তিশালী গ্রুপ বা চক্র না থাকলে এমনটি সম্ভব নয়।’
প্রফেসর সাহেবের কথাগুলো ফেলে দেওয়ার মতো নয়। দেশ থেকে টাকা নিয়ে আরাভকে দুবাইয়ে ব্যবসা পরিচালনার অনুমতি দেয়নি বাংলাদেশ ব্যাংক বা সরকার। প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে ২০২০ সালে আরাভ ভারতের পাসপোর্ট সংগ্রহ করে দুবাই গিয়ে এত টাকা পেলেন কীভাবে? আরাভের উত্থানের বিষয়টি সামনে আসার পর সাবেক এক পুলিশ কর্মকর্তার নাম ঘুরেফিরে এসেছে। তিনিই আরাভকে স্বর্ণ ব্যবসার জন্য টাকা দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

যদিও এক ফেসবুক লাইভে আরাভ দাবি করেছেন, তার এসব কর্মকাণ্ডে পুলিশের সর্বোচ্চ এক কর্মকর্তার সহযোগিতার অভিযোগ সত্য নয়। এর মধ্যেই শুক্রবার আরাভের সঙ্গে এক ব্যক্তির কথোপকথনের রেকর্ড ভাইরাল হয়। সেখানেও উঠে আসে তিনটি নাম। যাহোক, সময় যাক কিছু। ধীরে ধীরে সব স্পষ্ট হয়ে উঠবে।

১৮ মার্চ, ২০২৩

[email protected]

×