ঢাকা, বাংলাদেশ   বুধবার ২৬ জুন ২০২৪, ১৩ আষাঢ় ১৪৩১

কুষ্টিয়া-৩

নৌকার পালে বইছে হাওয়া বিএনপিতে সিদ্ধান্তহীনতা

এমএ রকিব, কুষ্টিয়া

প্রকাশিত: ২২:৫২, ২৪ মার্চ ২০২৩

নৌকার পালে বইছে হাওয়া  বিএনপিতে সিদ্ধান্তহীনতা

.

জেলার চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কুষ্টিয়া জেলা সদর, ইবি থানা কুষ্টিয়া পৌর এলাকা নিয়ে গঠিত কুষ্টিয়া- (কুষ্টিয়া সদর উপজেলা) সংসদীয় আসন। সাহিত্য সংস্কৃতিক জনপদখ্যাত কুষ্টিয়া জেলার উত্তর-পশ্চিম এবং উত্তরে রয়েছে পদ্মা নদী। অপর তীরে রাজশাহী, নাটোর পাবনা জেলা। দক্ষিণে ঝিনাইদহ পূর্বে রাজবাড়ী জেলা। পশ্চিমে রয়েছে মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া মুর্শিদাবাদ জেলা।

১৮২৩ সালে কুষ্টিয়া সদর থানা গঠিত হয়। ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত কুষ্টিয়া ছিল অবিভক্ত ভারতের নদীয়া জেলার অন্তর্ভুক্ত। ব্রিটিশ আমলে কুষ্টিয়া ছিল যশোর জেলার অধীন। ১৮৬৯ সালে এখানে প্রতিষ্ঠিত হয় পৌরসভা। ১৯৮৪ সালে চুয়াডাঙ্গা মেহেরপুর পৃথক জেলা হিসেবে স্বীকৃতি পেলে কুষ্টিয়া মহকুমার ৬টি থানা নিয়ে গঠিত হয় বর্তমান কুষ্টিয়া জেলা। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে জেলার রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা। ওই সময় স্বাধীনতাকামী বীর মুক্তিযোদ্ধারা দখলদার পাক হানাদারদের খতম করে কুষ্টিয়া প্রথমবারের মতো হানাদারমুক্ত করে ৩১ মার্চ।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত এই জেলা শিল্প সাহিত্য এবং সংস্কৃতিতে বাংলাদেশকে করেছে সমৃদ্ধ। তা ছাড়া উনবিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত সাংবাদিক সাহিত্যিক সমাজ সংস্কারক এবং উদার হৃদয় সাধক পুরুষগ্রামবার্তা প্রকাশিকা পত্রিকার প্রকাশক সম্পাদকহরিনাথ মজুমদার ওরফেকাঙাল হরিনাথ, অমর কথাসাহিত্যিকবিষাদ সিন্ধু রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন, স্বদেশী আন্দোলনের নেতা বিপ্লবী বাঘা যতিন, বিশিষ্ট কবি গীতিকার আজিজুর রহমান, জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক আকবর হোসেন এবং মহিলা সাহিত্যিক শিক্ষাবিদ জোবেদা খানমসহ অনেক কবি-সাহিত্যিকের জন্ম এই কুষ্টিয়ার মাটিতে। বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের দেশ এই কুষ্টিয়া। নীল বিদ্রোহের নেত্রী প্যারী সুন্দরী, প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী, সংগীত শিল্পী আব্দুল জববার, ফরিদা পারভীনসহ অসংখ্য গুণীজনের পীঠস্থান কুষ্টিয়া জেলাকে করেছে গর্বিত। ২টি থানা, ১টি পৌরসভা ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত কুষ্টিয়া- সংসদীয় আসন। ভোটার সংখ্যা মোট লাখ ১৩ হাজার ৩২৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার লাখ ৫৪ হাজার ১৮১ জন এবং নারী ভোটার লাখ ৫৯ হাজার ১৪৩ জন। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে পদ্মা-গড়াই বিধৌত এই আসনটির গ্রাম-গঞ্জে ছড়াচ্ছে নির্বাচনী উত্তাপ।

কুষ্টিয়া- (কুষ্টিয়া সদর) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য হচ্ছেন আওয়ামী লীগের মাহবুব উল আলম হানিফ। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তার পৈতৃক বাড়ি ভেড়ামারা উপজেলার ষোলদাগ এলাকায়। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এই প্রভাবশালী নেতা সর্বশেষ ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনে দ্বিতীয়বারের মতো নৌকা মার্কা নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে তিনি এই আসনে জয়লাভের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো এমপি হন।

এর আগে বিভিন্ন সময়ে আসনটি ছিল আওয়ামী লীগ, বিএনপি, ন্যাপ জাতীয় পার্টির দখলে। ১৯৭৩ সালে এখানে এমপি হন আওয়ামী লীগের এম. আমীরুল ইসলাম। এর পর ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে বিএনপির শাহ আজিজুর রহমান, ১৯৮৬ সালে ন্যাপের সৈয়দ আলতাফ হোসেন এবং ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির বদরুদ্দোজা গামা এমপি নির্বাচিত হন। এর পর ১৯৯১ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আসনটি ছিল বিএনপির দখলে। ওই সময় চার মেয়াদে এমপি নির্বাচিত হন পর্যায়ক্রমে বিএনপির আবদুল খালেক চন্টু অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন।

২০০৮ সলের নির্বাচনে বিএনপির কাছ থেকে আসনটি ছিনিয়ে নেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী খন্দকার রশিদুজ্জামান দুদু। এর পর থেকে আসনটি আওয়ামী লীগের দখলেই রয়েছে। এলাকার একাধিক ভোটার জানান, বিগত বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকার আমলে উন্নয়নের ছোঁয়াবঞ্চিত ছিল কুষ্টিয়া জনপদ। কিন্তু জেলার অবহেলিত মানুষের কাছে আশীর্বাদ হয়ে আসে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। দলের সভাপতি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়চেতা এবং দূরদর্শী সিদ্ধান্তে একে একে পাল্টে যেতে থাকে এখানকার দৃশ্যপট। কুষ্টিয়া- আসনে এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর উন্নয়নের রূপকারখ্যাত মাহবুব উল আলম হানিফের তত্ত্বাবধানে জেলায় শুরু হয় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ। উল্লেখযোগ্য উন্নয়নকাজের মধ্যে কুষ্টিয়া-হরিপুর সংযোগ সেতু, কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ, শহর বাইপাস সড়ক, সুইমিংপুল কমপ্লেক্স এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমির অত্যাধুনিক কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ এখন দৃশ্যমান। ফোর লেন সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের কাজও এগিয়ে চলছে।

জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি হাজী রবিউল ইসলাম বলেনদেশে বর্তমানে যে উন্নয়নের ধারা চলছে, তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান এমপি মাহবুব উল আলম হানিফের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশিত উন্নয়ন কর্মকান্ডগুলোর বেশিরভাগই এখন সম্পন্ন হয়েছে। এসব উন্নয়ন কর্মকান্ড করে হানিফ ইতোমধ্যেই দলীয় নেতাকর্মীসহ এলাকার মানুষের কাছেউন্নয়নের রূপকার স্বীকৃতি পেয়েছেন। আগামী দ্বাদশ নির্বাচনেও মাহবুব উল আলম হানিফ আসনে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট সম্ভাব্য প্রার্থী।

সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ জনকণ্ঠকে বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই কুষ্টিয়ায় ব্যাপক উন্নয়নকাজ হয়েছে। জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশাগুলো একে একে বাস্তাবায়িত হয়েছে। আমাদের প্রত্যেকের পরিশ্রম আন্তরিকতার কারণে সফলতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে জেলার প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ। দেশে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের কোনো বিকল্প নেই।

এদিকে উন্নয়নের ওপর ভর করে এই আসনে মাহবুব উল আলম হানিফ রয়েছেন বেশ ফুরফুরে মেজাজে। আসনে অনেক আগে থেকেই নৌকার পালে বইছে হাওয়া। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র এক নেতা বলেন, এমপি হানিফ সাহেবের ভাইয়ের কারণে দল এবং হানিফ সাহেবের ভাবমূর্তি অনেক ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তার ভাই দলীয় কমান্ডের বাইরে গিয়েও অনেক কিছু করেছেন।

আসনে হেভিওয়েট প্রার্থী মাহবুবউল আলম হানিফ ছাড়াও আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইন বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার এম. আমীর-উল ইসলাম, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাজী রবিউল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজগার আলী এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বিএমএ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ ডা. এএফএম আমিনুল হক রতনের নাম শোনা যাচ্ছে।

বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র এবং৭২ এর সংবিধানের অন্যতম রচয়িতা সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্যারিস্টার এম.আমীর-উল ইসলামের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, আসনটি স্বাধীনতার পর বেশিরভাগ সময়ই ছিল বিএনপির দখলে। ওই সময় এলাকায় আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসেবে পরিচয় দিতেও মানুষ ভয় পেত। সেই অবস্থা থেকে ব্যারিস্টার আমীর তার কন্যা ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর সহস্রাধিক উদ্যমী তরুণ-তরুণীকে সংগঠিত করেসচেতন যুবসমাজ গঠন এবং তাদের মাধ্যমে উঠান বৈঠক গণসংযোগসহ নানা রাজনৈতিক কর্মকান্ডে মধ্য দিয়ে দলকে বের করে এনে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত করেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলামের প্রস্তুত করা মাঠের ফসল ঘরে তোলে আওয়ামী লীগ। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে ওই নির্বাচনে ব্যারিস্টার আমীরকে নৌকার টিকেট দেওয়া হয়নি। মনোনয়ন পান তারই হাতে গড়া আওয়ামী লীগ জেলা কমিটির সভাপতি প্রয়াত খন্দকার রশিদুজ্জামান দুদু। নির্বাচনে তিনিই বিজয়ী হন।

কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাজী রবিউল ইসলামও আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী। তিনিও দলীয় মনোনয়ন চাইবেন। কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজগার আলী জনকণ্ঠকে বলেন, অনেক আগে থেকেই আমি রাজনীতি করে আসছি। দলের পেছনে অনেক শ্রম মেধা দিয়েছি। কোথাও কোনো অন্যায় কাজ করিনি। সেই হিসেবে আমি আওয়ামী লীগের একজন শক্ত সম্ভাব্য প্রার্থী। তিনি বলেন, দলের মধ্যে একজন ত্যাগী নেতা হিসেবে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক হিসেবে, নিজেকে আমি মনে করি কোথাও আমার কোনো ঘটতি নেই। আমি দূর্নীতিবাজ নয়। ছোট বেলা থেকেই আমি ব্যবসা করি সততা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে। আমি কারও কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে কাজ করি না। টেন্ডারবাজি করি না। সুতরাং প্রার্থী হিসেবে যারা ভালো মানুষ, তাদের মধ্যে একজন হিসেবে আমি নিজেকে দাবি করতে পারি।

আজগার আলী বলেন, দলের ভেতর মতপার্থক্য থাকতেই পারে। এর কারণটা হচ্ছে টেন্ডারবাজি, অবৈধ কোনো টাকা আয়, অবৈধ টাকা কামায়, দলকে যারা ক্ষতিগ্রস্ত করে তাদের জন্যই দলের মধ্যে মতপার্থক্য। দল ক্ষতিগ্রস্ত হোক এমন কাজ আওয়ামী লীগ যারা করে তারা করে না। কিছু অশুভশক্তি যারা বাইরের দল থেকে এসে আমাদের দলকে (আওয়ামী লীগ) ক্ষতিগ্রস্থ করছে। এই জায়গায় আমাদের মতানৈক্য।

ছাড়াও এই আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বিএমএ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ ডা. এএফএম আমিনুল হক রতনের নাম শোনা যাচ্ছে। ক্লিন ইমেজের ডাক্তার রতন বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন। আওয়ামী লীগ বিএমএ ছাড়াও একাধারে তিনি বাংলাদেশ-ভারত সম্প্রতী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি, স্বাধীনতা চিকিৎসা পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি, ডা. তোফাজ্জুল হেলথ এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার কুষ্টিয়ার স্বত্বাধিকারী, শেখ হাসিনা ফ্রি স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র কুষ্টিয়ার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক প্রভৃতি। অপরদিকে দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকা এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনরত বিএনপির নির্বচনে আসা নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। যে কারণে মাঠে কোনো তৎপরতা নেই দলটির। তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে আসলে দলটির সম্ভব্য প্রার্থী হতে পারেন, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি অধ্যাপক সোহরাব উদ্দিন, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার, শহর বিএনপির সভাপতি কুতুব উদ্দিন এবং জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম-উল হাসান অপু।

তবে বিএনপির কুষ্টিয়া জেলা যুগ্ম সম্পাদক জাকির হোসেন সরকার জনকণ্ঠকে বলেন, আগামী নির্বাচন নিয়ে আমারা কোন চিন্তা-ভাবনা করছি না। বর্তমান সরকারের অধীনে নয়, আমরা একমাত্র নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচনে যাব। সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনেই যাবো না। এই সিদ্ধান্তে আমরা অটল রয়েছি। ছাড়া জেলা জাতীয় পার্টির (এরশাদ) সভাপতি নাফিজ আহমেদ খান টিটু এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ ইনু) প্রার্থী জেলা জাসদের সভাপতি গোলাম মহসিন দল দুটির সম্ভাব্য প্রার্থী।

×