ইরান–ইসরাইলের মতো উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি চললেও প্রবাসে থাকা মানুষের জীবনে ঈদের আনন্দ থেমে থাকে না। বরং এই সময় ঈদের অনুভূতি আরও গভীর হয়ে ওঠে—কারণ দূরে থেকেও পরিবার, দেশ আর প্রিয়জনদের জন্য মায়া ও দোয়া আরও বেড়ে যায়। ইরান ইসরাইল মহা যুদ্ধেও প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিরা আবারও আনন্দ, উৎসব আর মিলনমেলার মধ্য দিয়ে ঈদ পালন করেছেন। এবারের ঈদ পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থাকলেও হৃদয়ে থাকে দেশের টান, তাই নিজের মতো করে সাজিয়ে তুলছেন ঈদের আনন্দঘন মুহূর্ত।
ইরান–ইসরাইলের মতো উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কারনে মাঠে ময়দানে না হয়ে এবারে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে হয়েছে বিভিন্ন মসজিদে মসজিদে।যুদ্ধ, অনিশ্চয়তা বা বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও মানুষ শান্তি, সহমর্মিতা আর ভালোবাসার বার্তা ছড়িয়ে পালন করেন আজকের এই মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের আজকের এই দিনটিকে। ঈদের নামাজ দিয়ে দিন শুরু করে প্রবাসীরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি, শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, আয়োজন করেন বিশেষ খাবারের। অনেকেই বন্ধু-বান্ধব ও সহকর্মীদের নিয়ে ঘোরাফেরা। প্রবাসে ঈদ উদযাপন মানে শুধু নতুন পোশাক বা আনন্দ নয়—এটা একধরনের মানসিক শক্তি।
বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীরা ঈদের দিন ছুটি নিয়ে একত্রিত হন, মসজিদে নামাজ আদায় করে আনন্দকে ভাগাভাগি করেন। কেউ কেউ ভিডিও কলের মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করেন।
প্রবাস জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও ঈদের এই আয়োজন যেন নতুন করে শক্তি যোগায়, বাড়ায় ভালোবাসা ও বন্ধনের গভীরতা। দেশের বাইরে থেকেও নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধরে রেখে প্রবাসীরা প্রমাণ করছেন—ঈদের আনন্দ সীমান্ত মানে না, এটি হৃদয়ের এক সার্বজনীন উৎসব।
ইরান-ইসরাইলের মতো অস্থির পরিস্থিতির মাঝেও প্রবাসে থাকা মানুষের জীবন থেমে থাকে না। যুদ্ধের শঙ্কা, উদ্বেগ আর অনিশ্চয়তার মধ্যেও প্রবাসীরা চেষ্টা করেন নিজেদের ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবগুলো উদযাপন করতে আয়োজন ভিবিন্ন অনুষ্ঠানের। এই বাস্তবতা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—পরিস্থিতি যত কঠিনই হোক, মানুষের আশা, ভালোবাসা ও বিশ্বাস কখনো থেমে থাকে না। যুদ্ধের মধ্যেও শান্তির প্রত্যাশা আর ঈদের আনন্দ একসাথে পথ চলে।
রাজু








