ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১

শাকিব-চুমু বিতর্কের পর এবার সংসদ সদস্য হতে চান মিষ্টি জান্নাত

প্রকাশিত: ১৩:৪৭, ২৪ মে ২০২৪

শাকিব-চুমু বিতর্কের পর এবার সংসদ সদস্য হতে চান মিষ্টি জান্নাত

মিষ্টি জান্নাত

একেবারেই আলোচনার বাইরে থাকা চিত্রনায়িকা মিষ্টি জান্নাত প্রথম আলোচনায় আসেন শাকিব খানের তৃতীয় বিয়ে কেন্দ্রিক সংবাদের মাধমে। তারপর উপস্থাপক জয়কে ঘিরে আবারও চুমু বিতর্কে সংবাদের শিরোনাম হন এই নায়িকা। আর এবার মিষ্টি জান্নাত সংসদ সদস্য হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। সেজন্য বর্তমানে লন্ডনের ইউনিভার্সিটি অফ অ্যাসেক্সে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করছেন তিনি। 

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। মিষ্টি বলেন, আমি আইন বিষয়ে পড়াশোনা করছি। কারণ ভবিষ্যতে সংসদ সদস্য হতে চাই। এজন্য যতদূর সম্ভব প্রস্তুতি নিচ্ছি। ডেন্টালের পড়াশোনা শেষ করে এখন আমি লন্ডনের ইউনিভার্সিটি অফ অ্যাসেক্সে আইন বিষয়ে পড়ছি। 

এদিকে বৃহস্পতিবার (২৩ মে) মিষ্টি জান্নাতকে ১০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন অভিনেত্রী তমা মির্জা। যেখানে মিষ্টি জান্নাতের দুটি বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। 

‘আপনার বয়ফ্রেন্ডকে বিয়ে করব না, তমা মির্জাকে খোঁচা দিয়ে মিষ্টি জান্নাত’ এবং ‘....নায়িকা হয়েছে তমা মির্জা : জান্নাত’ শীর্ষক শিরোনামে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মানহানিকর বক্তব্য রয়েছে বলে দাবি করেছেন তমা মির্জার আইনজীবী। এজন্য ১০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। 

তমার সেই নোটিশের জবাবে মিষ্টি জান্নাত বলেছেন, আসলে এসব নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় কোথায়। আমি আইন বিষয়ে পড়াশোনা করছি। আইন ভালো জানি। তার এই লিগ্যাল নোটিসের কোনো গ্রাউন্ড নেই। কিন্তু আমার গ্রাউন্ড আছে আমিও তাকে লিগ্যাল নোটিস পাঠাব। আমার আইনজীবীর মাধ্যমে উল্টো তাকেই আমি আইনি নোটিস পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছি।

অভিনয়ের পাশাপাশি চিকিৎসক হিসেবেও পরিচিতি রয়েছে মিষ্টি জান্নাতের। এখন তাহলে আবার আইন নিয়ে পড়ছেন কেন. প্রশ্নের জবাবে এই অভিনেত্রী বলেন- সামনে আমি সংসদ সদস্য হতে চাই। রাজনীতিতে সক্রিয় হব। তাই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করছি। নিজেকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে যোগ্য করতে প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এদিকে তমার পাঠানো নোটিসে বলা হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে জনসম্মুখে ক্ষমা চেয়ে দশ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এছাড়া পরবর্তী সময়ে এ ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। অন্যথায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বারাত

×