ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ২৪ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ‘চণ্ডালিকা’ মঞ্চস

সংস্কৃতি ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:৩২, ২০ মার্চ ২০২৩

তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ‘চণ্ডালিকা’ মঞ্চস

‘চণ্ডালিকা’ নৃত্যনাট্যে রাফিয়া রাসু ও সহশিল্পী

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী নৃত্যনাট্য ‘চণ্ডালিকা’। সম্প্রতি তুরস্ক-সিরিয়া অঞ্চলের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশে এই নৃত্যনাট্য মঞ্চায়ন হয় যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাস শহরের আর্ভিঙ আর্ট সেন্টারে। নৃত্যনাট্য মঞ্চায়নের মূল উদ্যোক্তা ছায়ানটের সাবেক শিক্ষিকা রাফিয়া রাসু। আর্ভিঙ আর্ট সেন্টারের বিশাল মঞ্চে যখন পর্দা ওঠে, এটি সবার জন্যে একটা বিস্ময় ছিল।

প্রথমে ‘নব বসন্তের দানের ডালি’ গানটার সাথে ফুলওয়ালি দলের চরিত্রের জমকালো সাজপোশাক পরা এক ঝাঁক ছেলে-মেয়েরা নৃত্যে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেয়।
এতে স্প্যানিশ ভাষী ব্যক্তির দইওয়ালার ভূমিকায় অভিনয় ও নৃত্যে দর্শক মুগ্ধ। এরপর শান্ত-সৌম্য বৌদ্ধ শিষ্য দেখে মনে হয়েছে, সেও বুঝি তিব্বতের পাহাড় থেকে নেমে এসেছে। সেও একজন বিদেশী। ‘আমি তাপিত পিপাসিত, আমায় জল দাও। আমি শ্রান্ত, আমায় জল দাও।’ তার তৃষ্ণার কষ্ট দর্শকের উপলব্ধি করতে কোনো কষ্ট হয়নি।
প্রকৃতির ভূমিকায় ছিল রাফিয়া রাসুর কন্যা রাইয়া খান। তার অভিনয় ও নৃত্য সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সে যেভাবে চ-ালিকা হওয়ার বেদনা ফুটিয়ে তুলেছে, তা সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ‘ওকে ছুঁয়ো না, ছুঁয়ো না, ছি’ গানের সময়ে মেয়েটার অভিব্যক্তি ছিল দর্শকনন্দিত।
মায়ার চরিত্রে রাফিয়া রাসু ছিলেন এক কথায় অনবদ্য। মা ও মেয়ের একই স্টেজে নৃত্য-অভিনয় দর্শকদের মনে দাগ কেটেছে। মোটকথা এই নৃত্যনাট্যে যারা অংশ নিয়েছে তারা সবাই পুরো অনুষ্ঠানকে পূর্ণতা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ‘চণ্ডালিকা’ নাটকের সফল মঞ্চায়ন প্রমাণ করে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো যায়।

×