ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

ঈদ সামনে রেখে স্বজনদের কাছে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা

মার্চের প্রথম ১৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২২০ কোটি  ডলার

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

প্রকাশিত: ২৩:১৬, ১৬ মার্চ ২০২৬

মার্চের প্রথম ১৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২২০ কোটি  ডলার

মার্চের প্রথম ১৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২২০ কোটি  ডলার

আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে চলতি মাসে দেশে রেমিট্যান্স আসা বেড়েছে ৩৫ দশমিক ৭০ শতাংশ। মার্চের প্রথম ১৪ দিনে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ২ দশমিক ২০ বিলিয়ন (২২০ কোটি) ডলার। ২০২৫ সালের একই সময় রেমিট্যান্স এসেছিল ১ দশমিক ৬২ বিলিয়ন (১৬২ কোটি) ডলার। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের মুপপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এদিকে একটি বেসরকারি ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেছেন, ‘মূলত ঈদের কারণে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ বেড়েছে।

ঈদের পর এ প্রবাহ কমে আসতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই তখন রেমিট্যান্স একটু কম আসে। তিনি বলেন, ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের কারণে মধ্যেপ্রাচ্যে থাকা প্রবাসীরদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর ঈদের পর এক ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। কারণ, সেখানে প্রবাসীরা যদি কাজ করতে না পারেন, তাহলে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স আসা কিছুটা হলেও কমতে পারে। আরেকটি বেসরকারি ব্যাংকের ডেপুটি ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, রবিবার প্রতি ডলারের জন্য প্রবাসীদের দেওয়া হচ্ছে ১২১ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ১২১ টাকা ৭৫ পয়সা। আর এলসি নিষ্পত্তি করা হয়েছে ১২১ টাকা ২০ পয়সায়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল-আমেরিকা যৌথভাবে ইরানে আক্রমণ করে। ইরানও ইসরাইলসহ উপসাগরীয় যেসব আরব দেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি রয়েছে, তাদের নিশানা করে একের পর এক মিসাইল ও ড্রোন আক্রমণ করছে। হরমুজ প্রণালি দিয়েও ইরানের অনুমতি ব্যতীত কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারছে না। এতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামও বাড়ছে। তাছাড়া গত সপ্তহে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থনীতিবিদরা। 
বৈঠক সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ ধরে রাখার চেষ্টা করবে। তাতে বাজারে এক রকম সংকেত পাওয়া যায় যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক সহজেই ডলার বিক্রি করবে না। এজন্য ব্যাংকগুলো বেশি দামে রেমিট্যান্স কেনা শুরু করে। বেসরকারি ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সামনে নতুন বিনিয়োগ বাড়লে এলসি খোলার চাহিদা বাড়বে। তখন ব্যাংকগুলোতে ডলার চাহিদা বাড়বে। এজন্য ব্যাংকগুলোও বেশি দামে ডলার কিনছে।

প্যানেল হু

×