ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

কুড়িগ্রামে জমে উঠেছে ঈদবাজার

স্টাফ রিপোর্টার, কুড়িগ্রাম

প্রকাশিত: ২৩:৪৮, ১৬ মার্চ ২০২৬

কুড়িগ্রামে জমে উঠেছে ঈদবাজার

ঈদকে সামনে রেখে বিপণি বিতানে বেড়েছে ক্রেতা

কুড়িগ্রাম শহরের বিভিন্ন বিপণি বিতানে ঈদের বাজার জমে উঠেছে। শহরের হক সুপার মার্কেট, কে আই সুপার মার্কেট, এন আর প্লাজা, সাগর সুপার মার্কেট, দবির প্লাজা, নছর উদ্দিন মার্কেট ও বিপণি বিতানগুলোতে সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত চলছে কেনা কাটা। রোজার এক সপ্তাহ পর থেকে বেচা কেনা শুরু হয়েছে। শহরের বিভিন্ন শপিংমলে ও বাজারে চলছে শেষ সময়ের বেচাকেনা। দোকানিরা ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ব্যস্ত থাকছে। 
কুড়িগ্রাম শহরের কে আই সুপার মার্কেট, হক মার্কেট, এন আর প্লাজা সাগর মার্কেট খন্দকার মার্কেটসহ বিভিন্ন শপিংমলে ও বাজারে এখন চলছে প্রচ- ভিড়। দোকানিরা সময় পাচ্ছে না বেচা করে। বিক্রেতারা বলছে প্রথম দিকে বেচা কেনা কম দেখে মন খারাপ হয়েছিল। এখন রোজার শেষের দিকে বিক্রি বাড়ছে। ঈদের পূর্ব মুহূর্তে আরও বেচাকেনা বাড়বে। শহরের বিভিন্ন বিপণি বিতান আর মার্কেটে ঘুরে দেখা গেছে মানুষ আর মানুষ। পুরুষের চেয়ে মহিলা ক্রেতাদের সংখ্যাই বেশি। শুধু শহরের নয় বিভিন্ন উপজেলা থেকে মানুষ এসেছে ঈদের কেনাকাটা করতে। ঈদের কেনাকাটা করতে অনেকেই পরিবার নিয়ে এসেছে অনেকে এসেছে বন্ধু-বান্ধব নিয়ে কেনাকাটা সারছে। 
পছন্দের কাপড় কিনতে তারা এক দোকান থেকে আর এক দোকান ছুটছে। এবার ঈদে শিশুদের পোশাক আর পাঞ্জাবির দাম অনেক বেশি। তরুণরা পাঞ্জাবি ফতুয়া খুঁজছে। বিভিন্ন দামে কিনছে তারা। তবে কিশোরী আর মহিলারা শাড়ির চেয়ে সেলোয়ার কামিজের দিকে ঝুঁকছেন। প্রতিটি থ্রি পিস ৯০০ থেকে ১৫ হাজার টাকা দরে বেচাকেনা হচ্ছে। তবে স্বল্প আয়ের মানুষরা কম আসছে। তারা ঈদের দু-একদিন আগে আসবে। চাঁদ রাত পর্যন্ত চলবে। 
ছাত্রী পারভিন জানান, বাবা মায়ের সঙ্গে এসেছি এখানে এসে আমাক খুব ভালো লাগছে থ্রি পিস ৯০০ থেকে ১৫শ টাকা দরে কিনতে হচ্ছে আমাকে।
চাকরিজীবী নুরুজ্জামান জানান, আমরা আমাদের বাজেটের মধ্যে কেনাকেটা করছি। গতবারের চেয়ে এবার কাপড়ের দাম বেশি হওয়ায় অনেকেই বিভিন্ন দোকান ঘুরে ফিরে যাচ্ছে। তবে আরও ৭ দিন বাকি আছে এর মধ্য আমরা দেখে শুনে কিনব।
এনার প্লাজার ব্যবসায়ী সম্রাট জানান রোজার কয়েকদিন আমাদের ব্যবসা খারাপ গেলেও ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে বেচাকেনা ততই বাড়ছে। আগামীতে আরও বেচাকেনা বাড়বে। কাপড় ব্যবসায়ী মো. রিন্টু ইসলাম এবারের ঈদের বাজারে কাস্টমার তুলনামূলকভাবে অনেক কম। এ জেলার মানুষ কৃষির ওপর নির্ভর করে। শিল্প-কলকারখানা অনেক কম। বাড়তি আয়ের কোনো সুয়োগ নেই। তাই কেনা বেচা সেভাবে জমে উঠেনি। 
আগামী ১০ দিনের মধ্যে ঈদের বাজার জমে না ওঠে তাহলে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মধ্যে পড়বে। কারণ ঈদ উপলক্ষে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন এনজিও থেকে লোন নিয়ে কাপড় এনেছে।

প্যানেল হু

×