রবিবার ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২২ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

বিএনপি ৮ লবিস্ট নিয়োগ দিয়েছিল

বিএনপি ৮ লবিস্ট নিয়োগ দিয়েছিল
  • সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সংসদ রিপোর্টার ॥ দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করতে বিপুল অর্থ ব্যয় করে বিএনপি-জামায়াতের লবিস্ট নিয়োগ করা এবং এ লবিস্ট নিয়োগে কত টাকা ব্যয় করেছে সেই গোপন তথ্য দালিলিক প্রমাণসহ সংসদে ফাঁস করে দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে মোমেন। দেশের অমঙ্গল ডেকে এনে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য বিএনপি নানামুখী অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করার জন্য বিএনপি-জামায়াতের প্রতি ধিক্কার ও নিন্দা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিএনপি প্রথম লবিস্ট নিয়োগ করেছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধের জন্য। দেড় লাখ ডলার ব্যয়ে একটি মার্কিন প্রতিষ্ঠানকে এজন্য নিয়োগ দেয়া হয়। এভাবে দেশের স্বার্থবিরোধী কাজের জন্য বিএনপি আটটি প্রতিষ্ঠানকে লবিস্ট হিসেবে নিয়োগ দেয়। লবিস্টের জন্য ব্যয় করা এই অর্থের উৎস্য নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বিএনপির নিয়োগ লবিস্টরা চিঠি দিয়ে বলেছে বাংলাদেশে সাহায্য, সহায়তা বন্ধ করে দিতে। উন্নয়ন যাতে ব্যাহত হয় তার জন্য তারা যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে বলেছে। তাদের এমন রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকা-ের তীব্র নিন্দা জানাই।

স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে কার্যপ্রণালী বিধির ৩০০ বিধিতে প্রদত্ত বিবৃতি প্রদানকালে তথ্য-প্রমাণসহ বিএনপি-জামায়াতের দেশবিরোধী এসব অপতৎরতা ফাঁস করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর ফ্লোর নিয়ে তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভা-ারী অবিলম্বে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ এবং বিপুল অর্থ ব্যয় করে লবিস্ট নিয়োগসহ দেশবিরোধী অপতৎপরতার সঙ্গে জড়িত বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দায়ের করার দাবি জানান।

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করতে সরকার ইতোমধ্যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তবে প্রক্রিয়াটি নিষ্পত্তি করতে সময় লাগবে। আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে। আমরা আমেরিকানদের সঙ্গে একাধিক মিটিংয়ের আয়োজন করেছি। ইনশাল্লাহ! আমরা যখনই তথ্যগুলো সঠিকভাবে তাদের কাছে পৌঁছাতে পারব, আমার বিশ্বাসÑ র‌্যাবের মতো একটি অত্যন্ত ভাল প্রতিষ্ঠানের ওপর থেকে নিশ্চয়ই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবেন।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির লবিস্ট নিয়োগ নিয়ে গত রবিবার জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেছিলেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু ও বিএনপির সংসদ সদস্য মোঃ হারুনুর রশীদ।

বিবৃতিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরকার ও বিএনপির মধ্যে মতামতের ভিন্নতা থাকতে পারে কিন্তু তাই বলে দেশের অনিষ্ট করা যাবে না মন্তব্য করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও তাঁর পরিবার যুক্তরাষ্ট্রে কোথায় যান, কী করেন সে খোঁজ নেয়ার জন্য এফবিআইয়ের প্রতি এ্যাপ্রোচ করে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বিএনপি নেতার ছেলে সিজার। তারা জয়কে অপহরণের ষড়যন্ত্র করেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে সিজার ও তার সহযোগীদের সাজাও হয়েছে। তিনি বলেন, একটি দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে পারেন, অনুযোগ করতে পারেন। কিন্তু দেশের বিরুদ্ধে যারা এই ধরনের অপপ্রচার করে তাদের প্রতি ধিক্কার জানাই।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুঃখের বিষয় ১২টি আন্তর্জাতিক এনজিও জাতিসংঘের পিস কিপিংয়ের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলকে একটি চিঠি লিখেছে। তারা চিঠিতে বিভিন্ন ধরনের প্রপাগান্ডা ও স্পেকুলেশন তুলে ধরে বলেছেন, র‌্যাব বিভিন্ন রকম হিউম্যান রাইটস ভঙ্গ করছে। বাংলাদেশ জাতিসংঘের এক নম্বর পিসকীপার। সবচেয়ে বেশি সৈন্য আমরা শান্তিরক্ষায় পাঠাই। আমরা ভালভাবে কাজটা করি বলেই বাংলাদেশ থেকে তারা সৈন্য নেয়। কিন্তু বাংলাদেশের র‌্যাব বিভিন্ন রকম অপকর্মে নিযুক্ত আছে ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে এই অজুহাতে বাংলাদেশ থেকে তাদের শান্তিরক্ষায় না নিতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০২০ সালের ৮ নবেম্বর তারা এই অনুরোধ করে। দুই মাস হলো জাতিসংঘ এটা পেয়েছে। জাতিসংঘ তাদের উত্তরে বলেছে, যখনই কোন লোককে শান্তিরক্ষায় নেয়া হয় তারা নিজের নিয়মে যাচাই-বাছাই করে তারপর তারা কাজটা দেয়। সুতরাং এসব অপপ্রচার দুরভীসন্ধিমূলক কাজ জনগণের বিরুদ্ধে। র‌্যাব একটা ভাল প্রতিষ্ঠান। আমি বিশ্বাস করি, এ রকম ভাল প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করতে তারা উদ্যোগ নিয়েছেন বুঝতে পেরে তারাও দুঃখিত হবেন, তারাও লজ্জা পাবেন।

দেশের অমঙ্গল ডেকে এনে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য বিএনপি নানামুখী অপচেষ্টা চালাচ্ছে দাবি করে আবদুল মোমেন বলেন, আমাদের প্রতিপক্ষ দলের নেতারা বিভিন্ন দেশের প্রায় ১৮টি কমিটির লোকজনকে চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে বলেছেন, দেশের সব রকমের সাহায্য বন্ধ করতে। আমেরিকার নিরাপত্তা বাংলাদেশের কারণে বিঘিœত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছেন, বিশেষ করে ভাষানচরে নিয়ে যে পরিকল্পনা করেছেন, অপপ্রচার চালিয়ে বলা হয়েছে এটা আত্মঘাতী! এই আশ্রয়ের ফলে নাকি আমেরিকার আন্তঃএশিয়া পলিসি বিঘিœত হবে। আমেরিকার সিকিউরিটি ধ্বংস হবে। এই রকমের বাজে কথা যারা বলে ‘শেইম অন দ্যাম’। আগামীতে তারা এই ধরনের দুরভীসন্ধিমূলক কাজ থেকে বিরত থাকবে বলে আশা করি।

সরকার কোন লবিস্ট নিয়োগ করেনি দাবি করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিবৃতিতে আরও বলেন, আমরা একটা পিআর ফার্ম নিয়োগ করেছিলাম। লবিস্ট ফার্ম আর পিআর ফার্মের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে। একটা সিনেটে গিয়ে ইউএসএ গিয়ে বা বিভিন্ন সংস্থায় গিয়ে তদবির করে। আমরা সেই ধরনের কোন প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেয়নি। আমরা যেটা করেছি সেটা ‘লবি ফার্ম’, তাদের দায়িত্ব অপপ্রচার বা যে সকল মিথ্যা তথ্য প্রকাশ হয় সেগুলো জনগণকে জানানো। সত্য কথাগুলো তারা বলবে। বিজিআর নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ২০১৪-১৫ সালে নিয়োগ দেয়া হয়। তিনি আরও বলেন, আমাদের দল সন্ত্রাসে বিশ্বাস করে না, দুরভীসন্ধিতে বিশ্বাস করে না, ষড়যন্ত্রে বিশ্বাস করে না। আমরা তাদের ষড়যন্ত্রের খবর পাই ‘টাইম টু টাইম’ কিন্তু তারা যে দুনিয়ার সব হিউম্যান রাইটস এজেন্টকে নক করেছেন। এটার জন্য দুঃখ করতে হয়।

দেশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় বিদেশী রাষ্ট্রগুলোতে লবিস্ট ফার্ম নিয়োগের তথ্য উপাত্ত তুলে ধরে আবদুল মোমেন বলেন, আমাদের দেশে যুদ্ধাপরাধী বিচার যখন চলে তখন ইউনাইটেড স্টেট গবর্মেন্টকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সেই বিচার ভুল প্রমাণিত করার জন্য চেষ্টা করে ‘পিস এ্যান্ড জাস্টিস’ নামের জামায়াত-বিএনপির প্রতিষ্ঠান। তারা এক লাখ ৩২ হাজার ডলার দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ করে। তারা যুদ্ধাপরাধী মামলা বন্ধ করার জন্য পরবর্তীতে কন্ট্রাক্ট পাবলিক এ্যাফেয়ার্স ‘আউটরিচ’ নামে আবার লবিস্ট নিয়োগ করে।

তিনি বলেন, শুধু জামায়াত নয়, বিএনপি ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ২৭ লাখ ডলার খরচ করেছে। তারা প্রতিমাসে ১ লাখ ২০ হাজার ডলার খরচ করেছে। এগুলো আমেরিকার ওয়েবসাইটে আছে। সবাই দেখতে পাবেন। বিএনপি ‘একিন গবর্মেন্ট’ নামে একটি ও হুইফ্রেড নামে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দিয়েছে। সেখানে প্রতিমাসে এক লাখ ২০ হাজার ডলার খরচ করে। এর পর তারা একটি প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ ৫০ হাজার ডলার দেবেন বলে নিয়োগ করেছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, খুবই তাজ্জবের বিষয়, ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে তাদের (বিএনপি) কিছু প্রতিনিধি আমেরিকায় গেছেন। সেখানে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করেছেন। সেখানে লবিস্ট নিয়োগ করা অন্যায় না। লবিস্ট কি কারণে নিয়োগ হয়েছে, সেটা মুখ্য বিষয়। লবিস্টদের টাকা কোথা থেকে গেল? দুঃখের বিষয় হচ্ছে, তাদের লবিস্টরা এমন সব বক্তব্য দিয়েছেন, এমন সব বক্তব্য তুলে ধরেছে যেগুলো দেশের মানুষ জানলে শুধু দুঃখিত না, তারা ধিক্কার দেবে।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপির কিছু কিছু লোক জাতিসংঘের মহাসচিবকে চিঠি দিয়েছেন বাংলাদেশের সংসদকে অবৈধ ঘোষণা করার জন্য। তারা চিঠি দিয়ে আমেরিকানদের বলেছে, তোমরা সাহায্য-সহায়তা বন্ধ করে দাও। বন্ধ করলে কি হবে? এতে দেশের নাগরিক দুই বেলা খেতে পারে, গ্রামেগঞ্জে বিদ্যুত পায়, দেশের উন্নয়ন হচ্ছে, তা ব্যাহত হবে। তারা দেশের উন্নয়ন বন্ধের জন্য আমেরিকা সরকারকে বলছে। নিশ্চয়ই বিএনপির কর্মীরা কেউ চাইবেন না, এ দেশের অমঙ্গল হোক। এদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হোক। তিনি আরও বলেন, বিএনপি নেতারা কিভাবে এমন করে লিখতে পারেন! আপনার দলের (বিএনপি) মাঠেময়দানে যে কর্মীরা কাজ করে, তারা যদি এগুলো শোনে, তারা তখন আপনাদের নেতৃত্বকে প্রশ্ন করবে? আমি সেদিনের প্রতীক্ষায় আছি।

র‌্যাবের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ টেনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন আরও বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনভাবে আমেরিকার সরকার র‌্যাবের এবং এর কতিপয় সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। কোন ধরনের পূর্ব আলোচনা ছাড়াই এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। অপপ্রচারের কারণে এই নিষেধাজ্ঞা এসেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, র‌্যাবের বিরুদ্ধে গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন লবিস্ট প্রতিষ্ঠান, আমাদের প্রতিপক্ষের লবিস্ট প্রতিষ্ঠান তারা আমেরিকার সরকারের কাছে কেবল মিথ্যা তথ্য কিংবা অসত্য ঘটনা প্রকাশ করেনি, সেই সঙ্গে পৃথিবীর বড় বড় যেসব মানবাধিকার সংস্থা আছে তাদেরকেও প্রতিনিয়ত ফিডব্যাক করছে যে, র‌্যাব খুব খারাপ প্রতিষ্ঠান!

মন্ত্রী বলেন, র‌্যাব তাদের কর্মকা-ের মাধ্যমে জনগণের গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। তারা দুর্নীতিমুক্ত হয়ে মানুষের সেবা করে। দুঃখের বিষয়, বাংলাদেশে এরকম একটি ভাল প্রতিষ্ঠান যেটা দেশের সন্ত্রাস, মাদক বন্ধ করেছে। মানব পাচার মোটামুটিভাবে বন্ধ করেছে। আমেরিকার সরকারের পলিসি হচ্ছে টেররিজম, হিউম্যান ট্রাফিকিং ও ড্রাগ কমানো। র‌্যাব এই কাজগুলোই করে। অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তারা এই কাজ করে। সেই একটা বড় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আমাদের কিছু লোকজন বিভিন্ন রকমের রং তথ্য দিয়ে এই সেকশনটা দেখিয়েছেন।

নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে অবহিত করেছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্যাঙ্কশন দেয়ার পর আমেরিকার সরকার আমাকে জানান। জানার পরপরই আমি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করি। আমার আলাপ অত্যন্ত পজিটিভি ছিল। এসব সমস্যা দূরীভূত করার জন্য, যদি কোন অভিযোগ থাকে তা নিরসনের জন্য আমাদের নাম্বার’স অব ডায়ালগ আছে। তিনি (মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী) বলেছেন, সেগুলো তিনি করবেন।

শীর্ষ সংবাদ:
বাজারে গ্যালে দাম হুইন্না কইলজাডা মোচড় মারে         বাংলাদেশিরা মালদ্বীপে বৈধ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন         রাজধানীতে ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক         ঢামেকে ভর্তি ঢাবি শিক্ষার্থী         চার মাসে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ৬ লাখ ৭৭ হাজার         হাজী সেলিম দুপুরে আত্মসমর্পণ করবেন         আট বিভাগে হতে পারে বৃষ্টি         দুশ্চিন্তায় কৃষক ॥ বোরো ধান কাটতে তীব্র শ্রমিক সঙ্কট         সিলেটে ৩৩২ কিমি সড়ক এখনও পানির নিচে         বিদ্যুত ও গ্যাসের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ আত্মঘাতী         দখল দূষণে কর্ণফুলীর আরও বিপর্যয়         টিকটক হৃদয়সহ ৭ বাংলাদেশীর যাবজ্জীবন         গাজীপুরে ট্রেন পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ৩         এবার ডিমের বাজারও বেপরোয়া         হজযাত্রীদের বিনামূল্যে করোনা পরীক্ষা         সড়ক দুর্ঘটনায় এসআইসহ নিহত ৭         কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতে পাঁচজনের মৃত্যু         রাজশাহীর বাজারে এসেছে সুমিষ্ট গোপালভোগ         পূর্বাঞ্চলীয় রেলের ৪৮২ একর জমি বেদখল         তিস্তা কমান্ড এলাকায় ৭০ হাজার হেক্টরে বোরোর বাম্পার ফলন