রবিবার ১০ মাঘ ১৪২৮, ২৩ জানুয়ারী ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

চুরি করতে স্বামীকে সহযোগীতা করে স্ত্রী

চুরি করতে স্বামীকে সহযোগীতা করে স্ত্রী

অনলাইন রিপোর্টার ॥ চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীতে অভিযান চালিয়ে স্বামী-স্ত্রীসহ চোর চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, স্ত্রী কাজের বুয়া সেজে বাসাবাড়ির তথ্য দিত আর স্বামী সঙ্গীদের নিয়ে চুরি করত ঘরের মূল্যবান সামগ্রী।

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) চোরদেরকে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর চরজব্বর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বায়েজীদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।

তিনি বলেন, গত ২৫ ডিসেম্বর বায়েজীদ বোস্তামী থানার আতুরার ডিপো এলাকায় এক প্রবাসীর বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলাটি তদন্ত করতে গিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই চক্রটি কমপক্ষে ৫০ বার বিভিন্ন বাসা বাড়িতে চুরি করেছে।

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন- মো. সাইফুল ইসলাম (২২), সাইফুদ্দিন (৩২), তার স্ত্রী রুমা আকতার (৩৮) ও মো. আলম (২৪)।

পুলিশ কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলন, আসামিরা একটি সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা বায়েজীদ থানা এলাকাসহ আশপাশ এলাকার সে সকল বাড়ির লোকজন বেড়াতে বা অন্য কোনো কাজে অন্যত্র অবস্থান করে, সেই বাসা বা ঘরকে টার্গেট করে চুরি করে থাকে। আর এর জন্য সাইফুদ্দিনের স্ত্রী রুমা দিনে কাজের বুয়া সেজে বাসা শনাক্ত করে এবং তথ্য তার স্বামীসহ অন্যান্যদেরকে সরবরাহ করে। পরে চোরচক্র রাতের বেলায় কৌশলে বাসায় প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, রুমা আক্তার চোরাই সোনা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র বিভিন্ন বাসা ও দোকানে বিক্রি করে থাকে। সে চুরি করা জিনিসপত্র আত্মীয়-স্বজন বিদেশ থেকে পাঠিয়েছে বলে সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে বিক্রি করে থাকে। চুরি করার পরপরই তারা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বায়েজীদ বোস্তামী থানার আতুরার ডিপো এলাকায় এক প্রবাসী তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাকলিয়া এলাকায় খালার বাড়িতে বেড়াতে যান। পরে ৩০ ডিসেম্বর বাসায় ফিরে দেখে তার ঘরের দরজা খোলা ও ঘরে থাকা সোনার অলঙ্কার, সৌদি রিয়েলসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নাই। পরে এই ঘটনায় ১ জানুয়ারি বায়েজীদ বোস্তামী থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

মামলা দায়েরের পর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ১০ জানুয়ারি সাইফুলকে গ্রেফতার করা হয়। ১৩ জানুয়ারি ঘটনার সাথে জড়িত চোর চক্রের অন্যতম সদস্য সাইফুদ্দিন ও তার স্ত্রী রুমা আকতারকে নোয়াখালী জেলার চরজব্বর থানা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে রিমান্ডে থাকা সাইফুলসহ তিনজনকে মুখোমুখি করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেখানে তারা চুরির কথা স্বীকার করেন। পরে তাদের দেওয়া তথ্যদের ভিত্তিতে প্রথমে মো. সাইফুল ইসলামের বাসা থেকে বাদীর চুরি যাওয়া গহনা ও রিয়াল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তদন্তে নাম আসা আসামি মো. আলমকে চুরির কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতিসহ গ্রেফতার করা হয়। সর্বশেষ সাইফুদ্দিন দম্পতির বাসা থেকে চুরি যাওয়া আরও সোনার গহনা উদ্ধার করা হয়। এ সময় সর্বমোট ১৩ ভরি সোনার গহনা ও ২ হাজার রিয়াল জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া চুরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

ওসি বলেন, আসামি সাইফুলের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি ও বায়েজীদ বোস্তামী থানায় আরও দুটি মামলা রয়েছে।

শীর্ষ সংবাদ:
মেয়াদ শেষে জেলা পরিষদে বসবেন প্রশাসক, বিল উত্থাপন         জনবান্ধব পুলিশিং করুন ॥ প্রধানমন্ত্রী         নির্বাচন কমিশন গঠন আইন সংসদে         বৃষ্টির আভাস         বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪ কোটি ৯৭ লাখ ৭ হাজার ৫৬১ জনে         সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু         পুলিশ সপ্তাহ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী         মায়ের কাছেই থাকবে জাপানি দুই মেয়ে         পুরান কাপড়ের যুগ শেষ ॥ দেশের মর্যাদা সুরক্ষায় বন্ধ হচ্ছে আমদানি         প্রধানমন্ত্রী আজ পুলিশ সপ্তাহ উদ্বোধন করবেন         ফের আলোচনায় বসার আহ্বান জানালেন শিক্ষামন্ত্রী         ইসি নিয়োগ বিল আজ সংসদে উঠছে         দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব-নাসিকই প্রমাণ         ভ্যাট ও ট্যাক্স আদায়ে হয়রানি বন্ধের দাবি ব্যবসায়ীদের         মাদক চালান আসা কেন বন্ধ হচ্ছে না-কোথায় ঘাটতি?         অবৈধ মজুদদারের কব্জায় পাট ॥ কৃত্রিম সঙ্কটে দাম বাড়ছে         দেশে করোনায় আরও ১৭ জনের মৃত্যু         বয়সের অসঙ্গতি দূর করে নীতিমালা সংশোধন         প্রশ্নফাঁস চক্রে সরকারী কর্মকর্তা ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান         সর্বোচ্চ ৫ বছর জেল, ১০ লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব