বুধবার ১২ কার্তিক ১৪২৮, ২৭ অক্টোবর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

সামাজিক সুরক্ষা বাস্তবায়নে দারিদ্র্য কমবে

  • বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ শহর এলাকায় প্রতি ৫ জনে একজন দরিদ্র, যাদের অনেকেই সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচীর বাইরে রয়েছেন। তবে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর টেকসই উন্নয়নে চলমান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচীর সঠিক ব্যবহারে দেশে দারিদ্র্যের হার ৩৬ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশ কমে ২৪ শতাংশে নেমে আসতে পারে বলে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংস্থাটির ‘বাংলাদেশ সোশ্যাল প্রটেকশন পাবলিক এক্সপেন্ডিচার রিভিউ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে, সামাজিক সুরক্ষার প্রতি বাংলাদেশের অব্যাহত বিনিয়োগ এবং বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচী ও প্রকল্পের পরিকল্পনা, নক্সা, প্রোগ্রামিং এবং ডেলিভারিসহ বিদ্যমান কাঠামোতে কীভাবে উন্নতি করতে পারে, সে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচীতে গ্রামীণ অঞ্চলকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। যদিও, শহর এলাকায় প্রতি ৫ জনে একজন দরিদ্র এবং শহরবাসীর অর্ধেক দারিদ্রের ঝুঁকিতে রয়েছে। গ্রামীণ ও শহর এলাকার মধ্যে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচীর ভারসাম্য রাখা প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, শহর এলাকায় প্রায় ১১ শতাংশ মানুষ সামাজিক সুরক্ষায় আছেন যদিও ১৯ শতাংশ মানুষ দরিদ্র। অন্যদিকে, গ্রামাঞ্চলে ২৬ শতাংশ মানুষ দরিদ্র যদিও ৩৬ শতাংশ মানুষ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচীর আওতায় রয়েছেন। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচীগুলোতে আরও জোর দিলে বাংলাদেশের দারিদ্র উল্লেখযোগ্য হারে দূর করতে পারে বলে এ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন কর্মকৌশলের কেন্দ্রে রয়েছে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচী। এর মাধ্যমে দরিদ্র মানুষ উপকৃত হচ্ছে। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচীগুলোতে আরও বেশি জোর দিলে বাংলাদেশ আরও উল্লেখযোগ্য হারে দারিদ্র দূর করতে পারবে। ‘বাংলাদেশ সোশ্যাল প্রটেকশন পাবলিক এক্সপেন্ডিচার রিভিউ’ শিরোনামের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের চলমান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচী ও প্রকল্পে বিনিয়োগ এবং সেগুলোকে কিভাবে আরও গতিশীল করা যায় সে বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের অপারেশন্স ম্যানেজার দনদন চেন বলেন, কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচীর আওতা বাড়িয়েছে। বর্তমানে দেশের প্রতি ১০টি পরিবারের মধ্যে তিনটি পরিবার সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় এসেছে। মহামারী আরও শক্তিশালী, দক্ষ এবং অভিযোজিত সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তাকে জোরালো করেছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ জিডিপির প্রায় ২ দশমিক ৬ শতাংশ সামাজিক সুরক্ষায় ব্যয় করেছে, যা একই ধরনের আয়ের স্তরের দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে।

শীর্ষ সংবাদ:
জান্তার দোসর আরসা ॥ প্রত্যাবাসন ঠেকাতে মিয়ানমারের নয়া কৌশল         আমরা ইচ্ছে করলেই পারি, সবই করতে পারি         ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আজ ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই টাইগারদের         চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে নৌকার প্রার্থী যারা         ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার নির্দেশ ॥ সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস         ইন্ধনদাতাদের নাম শীঘ্র প্রকাশ করা হবে         পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ, টিয়ার শেল         বন্ধুকে বিয়ে করলেন জাপানের রাজকুমারী মাকো         পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রদীপ-লিয়াকত ফোনালাপ, এসএমএস         চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারের র‌্যাম্পের দুটি পিলারে ফাটল         সংখ্যালঘু নির্যাতনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রয়োজন         কর্ণফুলী মাল্টিপারপাস শত শত কোটি টাকা হাতিয়েছে         করোনা : গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৬         রফতানি পণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর উপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর         অপপ্রচার করাই বিএনপির শেষ আশ্রয়স্থল ॥ কাদের         ইউপি নির্বাচন : ৮৮ ইউনিয়নে নৌকার প্রতীক থাকছে না         সাক্ষ্য অইনের ১৫৫(৪) ধারা বাতিলে নারীর মর্যাদাহানি রোধ করবে : আইনমন্ত্রী         নিম্ন আয়ের পরিবারের সদস্যরা সরকারের সকল সেবা সম্পর্কে অবগত নয় : মেয়র খালেক         আন্দোলন থেকে সরে এলেন বিমানের পাইলটরা         ডেঙ্গু : হাসপাতালে ভর্তি ১৮২, মৃত্যু ১