শুক্রবার ৮ মাঘ ১৪২৭, ২২ জানুয়ারী ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

ব্রহ্মপুত্রে বাঁধ ॥ চীনের ঘোষণার দু’ দিনের মাথায় পাল্টা ঘোষণা ভারতের

ব্রহ্মপুত্রে বাঁধ ॥ চীনের ঘোষণার দু’ দিনের মাথায় পাল্টা ঘোষণা ভারতের

অনলাইন ডেস্ক ॥ সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই এবার নদীর ওপর বাঁধ নির্মাণ নিয়ে বিবাদে জড়াচ্ছে ভারত ও চীন। দু’দিন আগে চীন ঘোষণা দিয়েছে, তিব্বতে ইয়ারলাং জ্যাংবো নদীর ওপর বিশাল বাঁধ তৈরির পরিকল্পনা করেছে দেশটি। বড় এ পরিকল্পনার কথা রবিবার চীন সরকার নিয়ন্ত্রণাধীন সংবাদমাধ্যম জানায়।

এই ইয়ারলাং জ্যাংবো নদীই ভারতের আসাম হয়ে বাংলাদেশে ব্রহ্মপুত্র নামে প্রবেশে করেছে। এদিকে, চীনের এই ঘোষণার পর দুদিন গড়াতেই ভারত বলছে, তারাও এ নদে জলাধারের পরিকল্পনা করছে। খবরটি প্রকাশ করেছে আনন্দবাজার পত্রিকা।

চীনের ঘোষণার পরই ভারতের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, এ প্রকল্পের ফলে সে দেশের একটা অংশে বন্যার সমস্যা দেখা দিতে পারে। এরপর মঙ্গলবার ভারতের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়, অরুণাচল প্রদেশে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর ১০ গিগাওয়াটের জলবিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরির কথা ভাবছে তারা।

ভারতের কেন্দ্রীয় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে টিএস মেহরা জানিয়েছেন, চীনের জলাধার নির্মাণের ফলে যে প্রভাব পড়বে তার সঙ্গে লড়াই করার জন্যই অরুণাচল প্রদেশে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর জলাধার বানানো প্রয়োজন। কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপর্যায়ে এই নিয়ে এখন আলোচনা চলছে।

চীনের স্বশাসিত তিব্বত অঞ্চলের উৎসস্থল থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে ইয়ারলাং জ্যাংবো নদী, অরুণাচলে পৌঁছে যার নাম হয়েছে সিয়াং। আসামে প্রবেশ করার পর এই সিয়াংই পরিচিত হয় ব্রহ্মপুত্র নামে এবং যা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

চীনা সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, অরুণাচল সীমান্তের কাছাকাছি তিব্বতের মেডগ কাউন্টিতে ব্রহ্মপুত্রের ওপরে এই বাঁধ প্রকল্প তৈরির পরিকল্পনা করেছে সরকার।

এর আগেও ব্রহ্মপুত্রের ওপরে একাধিক ছোট বাঁধ নির্মাণ করেছে বেইজিং। নতুন প্রকল্পে উৎপাদিত জলবিদ্যুতের পরিমাণ বিশ্বের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রকল্প, মধ্য চিনের থ্রি গর্জেস ড্যামের চেয়ে প্রায় তিন গুণ হতে পারে।

জানা গেছে, নতুন এই বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে চীনের জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই। গত সপ্তাহে এক সম্মেলনে দেশটির পাওয়ার কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের চেয়ারম্যান ইয়্যান ঝিয়ং বলেন, “ইতিহাসে এমন প্রকল্পের উল্লেখ নেই। চিনের জলবিদ্যুৎ শিল্পে এ এক ঐতিহাসিক সুযোগ।”

আরও জানান, মূল উদ্দেশ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন হলেও পরিবেশ সংরক্ষণ, জাতীয় নিরাপত্তা, জীবন যাপনের মানোন্নয়ন, শক্তি উৎপাদন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার লক্ষ্যেই এই প্রকল্প গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ইয়ারলাং জ্যাংবো নদীর ওপরে প্রস্তাবিত বাঁধ প্রকল্প বছরে ৬০০ কোটি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম হবে, যা বছরে ৩০০ কোটি কিলোওয়াট কার্বনমুক্ত ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।

শীর্ষ সংবাদ:
ভ্যাকসিন এসে গেছে ॥ ভারতের উপহার ২০ লাখ ডোজ         ট্রাম্পের নীতি বদলাতে প্রথমদিনই কাজ শুরু বাইডেনের         উচ্ছেদ অভিযান, সংঘর্ষে মিরপুর রণক্ষেত্র         করোনা টিকার জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘সুরক্ষা’ প্রস্তুত         আরও এক দফা শৈত্যপ্রবাহ আজ থেকেই         সবার আগে ভ্যাকসিন নিতে চান অর্থমন্ত্রী         আজ জিতলেই সিরিজ বাংলাদেশের         সাম্প্রদায়িকতা ছড়িয়ে মানুষকে আর বোকা বানানো যাবে না         বিএনপি মানেই হচ্ছে উন্নয়নে জিরো, দুর্নীতিতে হিরো         ধন নয়, মান নয় একটুকু বাসা...         চসিক নির্বাচন ॥ প্রচারের শেষ সময়ে উত্তাপ         প্লাস্টিক শিল্পের দক্ষ জনবল গড়ে তুলবে বিপেট         শব্দদূষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার এখনই সময়         করোনায় আক্রান্ত ও শনাক্তের হার কমেছে         ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু ৫         ভারত থেকে তিন কোটি ডোজ টিকা কেনার অনুমোদন         অবিলম্বে হাইড্রোলিক হর্ণ বন্ধের নির্দেশ         বন্দিদের চেয়ে পুলিশের সদস্য সংখ্যা যথেষ্ট নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী         পদ্মা সেতু পরিদর্শনে চালু হলো ভ্রমণতরী         করোনা : এক দিনে শনাক্ত ৫৮৪ , মৃত্যু ১৬