মঙ্গলবার ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৭ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা

নিত্যপণ্যের বাজারে বেড়েছে আলুর সরবরাহ

নিত্যপণ্যের বাজারে বেড়েছে আলুর সরবরাহ
  • দাম কমছে ধীরে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ নিত্যপণ্যের বাজারে বেড়েছে আলুর সরবরাহ। তবে দাম কমছে ধীরে ধীরে। শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে প্রতিকেজি আলু বিক্রি হয়েছে ৪৫ টাকায়। তবে ঢাকায় ৫ টাকা কমলেও দেশের বিভিন্ন স্থানে খুচরা বাজারে ১০ টাকা পর্যন্ত কমে ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি আলু। এছাড়া সরকারী বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা টিসিবি ট্রাকসেলে প্রতিকেজি আলু ২৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। কম দামের এই আলু পেতে ভোক্তাদের দীর্ঘলাইন ছিল চোখে পড়ার মতো।

এদিকে, আগামী দু’একদিনের মধ্যে আলুর দাম আরও কমবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। খিলগাঁও গোরান বাজারের আলু বিক্রেতা মোর্শেদ মিয়া জনকণ্ঠকে বলেন, পাইকারি বাজারে আলু ছাড়া শুরু হয়েছে। কাওরান বাজার, শ্যাম বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট এবং যাত্রাবাড়ী আড়তে কোল্ডস্টোরেজের আলু আসা শুরু হয়েছে। পুরোদমে বেচাবিক্রি শুরু হলে খুচরা বাজারে কমে আসবে আলুর দাম। তিনি বলেন, কোল্ডস্টোরেজ থেকে আলু আসলে তবেই দাম কমবে।

আলুর সরবরাহ আরও বাড়াতে কোল্ডস্টোরেজগুলোর দিকে বেশি নজর রাখার তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া আড়তদার ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা যাতে সিন্ডিকেট করতে না পারে সেজন্য নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা উচিত মনে করা হচ্ছে। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি সম্প্রতি জানিয়েছেন, সরকার নির্ধারিত দাম ৩৫ টাকায় প্রতিকেজি আলু বিক্রি করতে হবে। দেশে বিপুল পরিমাণ আলু মজুদ রয়েছে, কোন ঘাটতি নেই। এছাড়া বাণিজ্যমন্ত্রণালয় ও কৃষি বিপণন অধিদফতরের পৃথক বৈঠক আলুর হিমাগার মালিক, আড়তদার ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা পুনঃনির্ধারিত দামে আলু বিক্রির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার পালা।

জানা গেছে আগামী তিনমাস চলার মতো আলুর মজুদ রয়েছে দেশের হিমাগারগুলোতে। অথচ নতুন আলু আসবে আগামী দু’মাসের মধ্যে। এ কারণে এখন আলু বিক্রি করলে কৃষকসহ সবাই ভাল মুনাফা পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যথায় আলুতে লোকসান গুনতে হবে। প্রতিবছর আলু উঠার সময় কৃষক পর্যায়ে মাত্র ৫-১০ টাকায় বিক্রি হয় আলু। এসব দিক বিবেচনায় নিয়ে সরকার আলু রফতানির অনুমতিও দিয়েছিল। কিন্তু করোনার কারণে এখন আর আলু রফতানি হয় না।

শীর্ষ সংবাদ: