সোমবার ১১ কার্তিক ১৪২৭, ২৬ অক্টোবর ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

গাইবান্ধার টেলিগ্রাম অফিস এখন জরাজীর্ণ

গাইবান্ধার টেলিগ্রাম অফিস এখন জরাজীর্ণ

আবু জাফর সাবু, গাইবান্ধা ॥ গাইবান্ধার টেলিগ্রাম ও পিসিও অফিস ভবনটি এখন জরাজীর্ণ। অথচ এক সময় সরকারী টেলিফোন ও টেলিগ্রাম বিভাগের আওতাধীন পিকে বিশ্বাস রোডে গাইবান্ধা প্রধান ডাকঘর সংলগ্ন এই অফিসটি ছিল দ্রুত যোগাযোগ মাধ্যমের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ অফিস। গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্যস্ততম সড়কের পাশে টেলিগ্রাম ও পিসিও অফিসটি অযত্ন অবহেলায় এখন গণশৌচাগার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। গোটা ভবনটি আগাছায় পরিপূর্ণ হয়ে পরিত্যক্ত ভবনের রূপ ধারণ করেছে। এমনকি অফিসের দরজা-জানালাসহ আসবাবপত্র খোয়া যাচ্ছে। মূল্যবান অফিস ভবনটিতে শ্যাওলা জন্মে এখন তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সেদিকে কোন নজর নেই। মোবাইল টেলিফোন এবং ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হওয়ার আগে একসময় মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম ছিল ডাকযোগে প্রেরিত চিঠি এবং দ্রুত খবরা-খবর আদান-প্রদানের জন্য টরে টক্কা মোস কোডে পাঠানো টেলিগ্রাম। সে সময় শুধু জেলা ও মহকুমা পর্যায়েই এই টেলিগ্রাম অফিস ছিল। ওই অফিসে টেলিগ্রামের নির্দিষ্ট ফরমে ইংরেজীতে বার্তাটি লিখে দিয়ে বার্তার সংখ্যা অনুযায়ী ফি জমা দিতে হতো। ওই বার্তাটি টরে টক্কা মোস কোডে প্রাপকের মহকুমা টেলিগ্রাম অফিসে প্রেরণ করা হতো। মহকুমা অফিস থেকে শুধু শহর এলাকায় তাদের নিজস্ব পিয়ন দিয়ে কাগজে ছাপানো ওই বার্তাটি বিলি করা হতো। আর মহকুমার বাইরে ডাকযোগে প্রাপকের ঠিকানায় প্রেরণ করা হতো।

পরবর্তীতে টিএ্যান্ডটির আওতায় টেলিফোন সার্ভিস চালু হওয়ার পর টেলিগ্রামের পাশাপাশি সরকারী পিসিও (পাবলিক কল অফিস) হিসেবেও ব্যবহৃত হতে থাকে। তখন ওখান থেকে এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে টেলিফোনে কথা বলার সময় অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি জমা দিয়ে বাইরে এন্ডডাব্লিউডি কল এবং স্থানীয় পর্যায়ে লোকাল কল করা যেত। ফলে যোগাযোগ মাধ্যমের একমাত্র অফিস হিসেবে এই টেলিগ্রাম ও পিসিও অফিসটি মানুষের কাছে ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ঘরে ঘরে সরকারী টেলিফোন সার্ভিস চালু হওয়ার পর থেকেই এই অফিসটির গুরুত্ব কমতে থাকে। পরবর্তী পর্যায়ে মোবাইল ও টেলিফোন চালু হলে এই টরে টক্কা টেলিগ্রাম সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি সরকারী টেলিফোন সার্ভিসও মানুষের কাছে এখন অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে। তদুপরি ডাকযোগে চিঠিপত্র লেখা তো বন্ধ হয়েই গেছে।

সেই থেকে এই টেলিগ্রাম ও পিসি অফিসটি বন্ধ এবং পরিত্যক্ত হয়ে যায়। কিন্তু সরকারী স্থাপনা হিসেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এটি সংরক্ষণ করা অপরিহার্য হলেও সেক্ষেত্রে কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ফলে চরম অযত্ন অবহেলায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ভবনটি এবং সংশ্লিষ্ট সম্পদ। এর পাশাপাশি এই টেলিগ্রাম অফিস সংলগ্ন জায়গাও বেদখল হয়ে গেছে।

শীর্ষ সংবাদ:
৪৩ পণ্যকে মান সনদের আওতাভুক্ত করলো বিএসটিআই         এমপি হাজী সেলিমের ছেলেকে এক বছরের কারাদণ্ড         ইন্টারনেটের গতি কম থাকতে পারে ৫ দিন         ৩৩ হাজারের বেশি সরকারি ওয়েবসাইট হালনাগাদ রাখার নির্দেশ         সুখ সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ মর্ত্যভূমির প্রত্যাশায় শেষ হলো শারদোৎসব         ‘বিএনপির হাঁকডাক ফেসবুকে-গণমাধ্যমে যত গর্জে, রাজপথে ততটা বর্ষে না’         করোনা ভাইরাসে আরও ১৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৪ লাখ ছাড়াল         হাজী সেলিমের গাড়িচালক মিজানুর একদিনের রিমান্ডে         হাজী সেলিমের ছেলে এরফান গ্রেফতার         অপরাধী যেই হোক আইনের আওতায় আনা হবে ॥ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী         জাপার এমপি মাসুদ সস্ত্রীক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত         বগুড়ায় মন্দিরে যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা         ম্যাকরনের ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্যের জবাব দিল ইরান         ঘরের মাঠেও জয় পেল না জুভেন্টাস         টিকার জাতীয়করণের বিরুদ্ধে ডব্লিউএইচও প্রধানের সতর্কতা         করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোনালদিনহো         ফ্রান্সের জার্সিতে আর খেলবেন না পগবা!         করোনা ভাইরাস ॥ স্পেনে জরুরি অবস্থা জারি, কারফিউ         চিলির ভোটে নতুন সংবিধান তৈরির পক্ষে গণরায়         বিশ্বে করোনায় মৃত্যু সাড়ে ১১ লাখ ছাড়াল