রবিবার ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৯ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা

চট্টগ্রামের লোকোশেডে নিম্নমানের মাস্ক সরবরাহ

মাকসুদ আহমদ, চট্টগ্রাম অফিস ॥ করোনা আতঙ্কের মধ্যেও চট্টগ্রাম থেকে রেলপথে পণ্য পৌঁছাতে লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) সচল রাখছে পূর্বাঞ্চলীয় লোকোশেড। কিন্তু নিম্নমানের মাস্ক ব্যবহার করে আতঙ্কে রয়েছে লোকোশেডের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিক। চাহিদার তুলনায় নামমাত্র হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে আতঙ্কগ্রস্ত সময় পার করছে এই শেডে প্রায় আড়াই শ’ কর্মরত কর্মচারী। এদিকে, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের শিফট ইনচার্জ আতঙ্কগ্রস্ত পরিস্থিতিতে অনেকটা দায়সারা গোছের দায়িত্ব পালন করছেন। কর্মরতদের পরিচর্যা ও সুরক্ষার জন্য দায়িত্ব থাকলেও এ কর্মকর্তা নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কর্মস্থল ত্যাগ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি এ কর্মকর্তার বিষয়ে কর্মরতরা কোন কিছু বলতে নারাজ।

জানা গেছে, পাহাড়তলীর লোকোশেডে প্রতিনিয়ত লোকোমোটিভের ট্রিপ ইন্সপেকশনসহ হালকা মেরামতের ব্যবস্থা রয়েছে। দুটি বিভাগে ইঞ্জিনের চলাচল ও মেরামত এবং রক্ষণাবেক্ষণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এরমধ্যে একটি বিভাগে শুধুমাত্র ইঞ্জিন পরিচালনা করা হয়। আরেকটি বিভাগে সাধারণ শাখা ও মেরামতের কার্যক্রম চলে। করোনাভাইরাসের কারণে শ্রমিকদের মধ্যে কাজের আগ্রহ হ্রাস পেয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রত্যেক শ্রমিক-কর্মচারীকে একটি করে সাবান ও মাস্ক, যৌথভাবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেয়া হয়েছে সুরক্ষার জন্য। কিন্তু হ্যান্ড স্যানিটাইজারের স্বল্পতার কারণে শ্রমিক কর্মচারীরা আতঙ্কগ্রস্ত। কারণ গত ২৪ মার্চ মাত্র কয়েক লিটার স্যানিটাইজার দেয়া হয়েছে তিনটি বিভাগে কর্মরত প্রায় আড়াই শ’ শ্রমিক-কর্মচারীর জন্য। রবিবারের মধ্যেই এসব স্যানিটাইজার শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কর্মরতরা। এছাড়াও মাস্ক দেয়া হয়েছে খুবই নিম্নমানের। যা তৈরি করা হয়েছে গার্মেন্টসের উচ্ছ্বিষ্ট কাপড়ে। যা মোটেও হাইজেনিক নয়। আর পিপিই দেয়াই হয়নি। হ্যান্ড গ্লাভস বেশিরভাগ শ্রমিক নিজেরাই জোগাড় করেছে বলে অভিযোগ আছে।

এ ব্যাপারে লোকোমোটিভ রানিং বিভাগে সিনিয়র সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (এসএসএই) রায়হান মোস্তফা জনকণ্ঠকে বলেন, গত ২৫ মার্চ থেকে তিনি লোকোমোটিভ মাস্টার (ইঞ্জিন চালক) ও এসিস্ট্যান্ট লোকোমোটিভ মাস্টারদের মাঝে করোনার আতঙ্ক থেকে রক্ষা পেতে বিবিধ উপকরণ বিতরণ করেছেন। তিনটি শিফটে কর্মরত এলএম ও এএলএমদের মাঝে এসব বিতরণ করা হয়। অপরদিকে, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ বিভাগের এসএসএই মোঃ নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, তার দুটি বিভাগে প্রতিদিন ১১০ জন কাজ করছেন। এরমধ্যে জেনারেল শাখায় ৫০ জন। তবে খালাসির সংখ্যা জানেন না তিনি।

শীর্ষ সংবাদ: