মঙ্গলবার ২০ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৪ আগস্ট ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

সঙ্কট মোকাবেলায় সোয়া তিন লাখমেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানী করা হয়েছে ॥ বাণিজ্যমন্ত্রী

সঙ্কট মোকাবেলায় সোয়া তিন লাখমেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানী করা হয়েছে ॥ বাণিজ্যমন্ত্রী

সংসদ রিপোর্টার ॥ সঙ্কট মোকাবেলায় চলতি অর্থবছরে (৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত) বিদেশ হতে সোয়া তিন লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানী করা হয়েছে। বর্তমানে আমদানিকৃত পেঁয়াজ ও ক্ষেত্রের নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করায় পেঁয়াজের মূল্য কমতে শুরু করেছে।

স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে দুটি পৃথক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এ তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে পেঁয়াজ একটি নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য। বাংলাদেশে বর্তমানে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টন। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছর পেঁয়াজের উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ২৩ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন। তবে এর মধ্যে শতকরা ৩৩ ভাগ সংগ্রহকালীন এবং সংরক্ষণকালীন ক্ষতি বাদ দিলে এর পরিমণ দাঁড়ায় ১৬ দশমিক ৩১ লাখ মেট্রিক টন।

তিনি জানান, উৎপাদিত পেঁয়াজ স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পক্ষে যথেষ্ট না হওয়ায় বিদেশ থেকে বিশেষ করে পাশ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে প্রতিবছর নির্দিষ্ট পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করতে হচ্ছে। কিন্তু সম্প্রতি ভারতের মহারাষ্ট্রে বন্যা এবং অতিবৃষ্টি হওয়ার প্রেক্ষিতে পেঁয়াজের ফলন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে ভারত সরকার গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ পেঁয়াজের টন প্রতি ৮৫০ ডলার নির্ধারণ করে দেয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ভারতের স্থানীয় বাজারে অস্বাভাবিক হারে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দেশটির সরকার পেঁয়াজের রফতানি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশের পেঁয়াজের বাজারে ক্রম উর্ধ্বগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। উৎপাদিত পেঁয়াজ স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পক্ষে যথেষ্ট না হওয়ায় বিদেশ হতে বিশেষ করে ভারত, মিয়ানমার, পাকিস্তান, মিশর, তুরস্ক, চীন, ইউক্রেন এবং নেদারল্যান্ডস থেকে পেঁয়াজ আমদানী করে দেশীয় চাহিদা মেটানো হয়ে থাকে।

তিনি জানান, দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে ভবিষ্যতে পেঁয়াজের আমদানি ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সম্প্রতি পেঁয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধি, এর গুদামজাতকরণ এবং উৎপাদিত পেঁয়াজের বাজার মূল্য স্থিতিশীল করার জন্য কৃষিমন্ত্রীকে বাণিজ্যমন্ত্রী একটি আধা সরকারি পত্র দিয়েছেন।

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের লিখিত জবাবে বানিজ্যমন্ত্রী জানান, ১৯৮৬-৮৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের রফতানি ছিল মাত্র ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সামান্য উপরে। বিগত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশে রফতানি আয় হয়েছে ৪৬ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি জানান, পণ্যভিত্তিক রফতানি আয় বিবেচনায় যদিও ৮৪ ভাগ তৈরি পোশাক হতে অর্জিত হয়েছে, তবুও রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণের ফলে গত অর্থবছরে বিশ্বের ২০২টি দেশে ৭৪৪ পণ্য রফতানি হয়েছে।

শীর্ষ সংবাদ:
নেত্রকোনার ডিসি প্রত্যাহার         এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজ নিজস্ব জমিতে স্থানান্তরের নির্দেশ         ৯ আগস্ট থেকে একাদশ শ্রেণির ভর্তির অনলাইন কার্যক্রম শুরু         পুলিশের গুলিতে নিহত সাবেক মেজর সিনহার মাকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন         করোনা চিকিৎসায় সহজ কোনো সমাধান নেই : ডব্লিউএইচও         পাপিয়ার বিরুদ্ধে সোয়া ৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মামলা         বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ অনেক আগেই উন্নত দেশে পরিণত হতো : প্রযুক্তিমন্ত্রী         দুই সহকর্মীকে গুলি করে হত্যা করলেন বিএসএফ কনস্টেবল         চট্টগ্রাম সিটির প্রশাসক হলেন আ.লীগ নেতা সুজন         করোনা ভাইরাসে আরও ৫০ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৯১৮         বিটিসিএলের টেলিফোন নম্বর পর্যায়ক্রমে ১১ ডিজিটে পরিবর্তন         ‘চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়াল নিয়ে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত’         প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষকরা পদোন্নতি পেয়ে হবেন প্রধান শিক্ষক         জাতীয় পার্টি হচ্ছে গণমানুষের আস্থা ও ভালোবাসার রাজনৈতিক শক্তি : জি এম কাদের         কৃষকের ক্ষয়ক্ষতি পোষাতে বন্যাপ্লাবিত এলাকা পর্যবেক্ষণের নির্দেশ কৃষিমন্ত্রীর         সুন্দরবনে ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগ সভাপতিসহ আটক ৪৩         শুক্রবার থেকে ঢাকায় ফ্লাইট পরিচালনা করবে এয়ার অ্যারাবিয়া         শায়েস্তাগঞ্জে বাস চাপায় নিহত ২,আহত ২০         করোনা ভাইরাসের জাদুকরী সমাধান আশা করা বৃথা ॥ ডব্লিউএইচও         করোনা ভাইরাসে প্রাণ গেল আরও এক চিকিৎসকের        
//--BID Records