বুধবার ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, ১২ আগস্ট ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

সঙ্কট মোকাবেলায় সোয়া তিন লাখমেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানী করা হয়েছে ॥ বাণিজ্যমন্ত্রী

সঙ্কট মোকাবেলায় সোয়া তিন লাখমেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানী করা হয়েছে ॥ বাণিজ্যমন্ত্রী

সংসদ রিপোর্টার ॥ সঙ্কট মোকাবেলায় চলতি অর্থবছরে (৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত) বিদেশ হতে সোয়া তিন লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানী করা হয়েছে। বর্তমানে আমদানিকৃত পেঁয়াজ ও ক্ষেত্রের নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করায় পেঁয়াজের মূল্য কমতে শুরু করেছে।

স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে দুটি পৃথক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এ তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে পেঁয়াজ একটি নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য। বাংলাদেশে বর্তমানে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টন। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছর পেঁয়াজের উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ২৩ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন। তবে এর মধ্যে শতকরা ৩৩ ভাগ সংগ্রহকালীন এবং সংরক্ষণকালীন ক্ষতি বাদ দিলে এর পরিমণ দাঁড়ায় ১৬ দশমিক ৩১ লাখ মেট্রিক টন।

তিনি জানান, উৎপাদিত পেঁয়াজ স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পক্ষে যথেষ্ট না হওয়ায় বিদেশ থেকে বিশেষ করে পাশ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে প্রতিবছর নির্দিষ্ট পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করতে হচ্ছে। কিন্তু সম্প্রতি ভারতের মহারাষ্ট্রে বন্যা এবং অতিবৃষ্টি হওয়ার প্রেক্ষিতে পেঁয়াজের ফলন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে ভারত সরকার গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ পেঁয়াজের টন প্রতি ৮৫০ ডলার নির্ধারণ করে দেয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ভারতের স্থানীয় বাজারে অস্বাভাবিক হারে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দেশটির সরকার পেঁয়াজের রফতানি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশের পেঁয়াজের বাজারে ক্রম উর্ধ্বগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। উৎপাদিত পেঁয়াজ স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পক্ষে যথেষ্ট না হওয়ায় বিদেশ হতে বিশেষ করে ভারত, মিয়ানমার, পাকিস্তান, মিশর, তুরস্ক, চীন, ইউক্রেন এবং নেদারল্যান্ডস থেকে পেঁয়াজ আমদানী করে দেশীয় চাহিদা মেটানো হয়ে থাকে।

তিনি জানান, দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে ভবিষ্যতে পেঁয়াজের আমদানি ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সম্প্রতি পেঁয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধি, এর গুদামজাতকরণ এবং উৎপাদিত পেঁয়াজের বাজার মূল্য স্থিতিশীল করার জন্য কৃষিমন্ত্রীকে বাণিজ্যমন্ত্রী একটি আধা সরকারি পত্র দিয়েছেন।

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের লিখিত জবাবে বানিজ্যমন্ত্রী জানান, ১৯৮৬-৮৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের রফতানি ছিল মাত্র ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সামান্য উপরে। বিগত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশে রফতানি আয় হয়েছে ৪৬ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি জানান, পণ্যভিত্তিক রফতানি আয় বিবেচনায় যদিও ৮৪ ভাগ তৈরি পোশাক হতে অর্জিত হয়েছে, তবুও রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণের ফলে গত অর্থবছরে বিশ্বের ২০২টি দেশে ৭৪৪ পণ্য রফতানি হয়েছে।

শীর্ষ সংবাদ:
ওয়েবিনার জুম ॥ করোনাকালের গণমাধ্যম         এলো রুশ ভ্যাকসিন         নামছে বন্যার পানি, বাড়িঘরে ফিরছেন মানুষজন         পুলিশী মামলার তিন সাক্ষী গ্রেফতার ॥ রিমান্ডের আবেদন         ভাড়া ডাকাতির মহোৎসব         করোনায় আরও ৩৩ জনের মৃত্যু         ছোট ঋণ সোনার হরিণ ॥ চার মাসে বিতরণ মাত্র ৫শ’ কোটি টাকা         সাম্প্রদায়িকতা-জঙ্গীবাদ ধর্মের মূল শিক্ষাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে         খালেদার চিকিৎসা দেশে না বিদেশে? দ্বিধাবিভক্ত বিএনপি         পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষা বাতিল হতে পারে         ডিজিএফআই ও সিআইডি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, তিন প্রতারক গ্রেফতার         সাড়ে তিন বছরে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সমৃদ্ধির দিকে এগোতে থাকে         লেবাননে ৪০ হাজার কর্মী বাংলাদেশে ফিরতে সহযোগিতা চান         উত্তরা থেকে তেজগাঁও, দশ ইউটার্ন নির্মাণ ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে         সাগরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত         সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত         বঙ্গবন্ধুর হত্যা ছিল স্বাধীন বাংলাদেশকে হত্যার ষড়যন্ত্র ॥ তথ্যমন্ত্রী         মেজর সিনহা হত্যা ॥ আরও তিনজন গ্রেফতার         চলতি বছরের মধ্যে ইউটার্নগুলোর কাজ শেষ হবে ॥ আতিক         বিশ্বের প্রথম করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রয়োগ হল পুতিনের মেয়ের শরীরে        
//--BID Records