শনিবার ১১ আশ্বিন ১৪২৭, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

সাত দশকে সর্বনিম্ন, শিশু জন্মহার নিয়ে উদ্বেগ চীনে

সাত দশকে সর্বনিম্ন, শিশু জন্মহার নিয়ে উদ্বেগ চীনে

অনলাইন ডেস্ক ॥ সাত দশকের মধ্যে ২০১৯ সালে চীনে শিশু জন্মহার সর্বনিম্ন ছিল বলে দেশটির সরকারি হিসাবে দেখা গেছে।

পাঁচ বছর আগে ‘এক সন্তান নীতি’ থেকে সরে আসার পরও পরিবারগুলোর সন্তান জন্মদানে অনাগ্রহ কমিউনিস্ট এ রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদেরও ভাবিয়ে তুলছে, জানিয়েছে বিবিসি।

চীনের পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য মতে, ২০১৯ সালে দেশটিতে শিশু জন্মহার ছিল প্রতি হাজারে ১০ দশমিক ৪৮, যা ১৯৪৯ সালের পর থেকে সবচেয়ে কম।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে চীনে গেল বছর নতুন শিশু জন্ম নিয়েছে এক কোটি ৪৬ লাখ ৫০ হাজার; আগের বছর এর চেয়েও ৫ লাখ ৮০ হাজার বেশি শিশু জন্ম নিয়েছিল।

জন্মহারের এ ক্রমাবনতি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের ভবিষ্যতের জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে, বলছেন পর্যবেক্ষকরা।

অবশ্য জন্মহারের এ দুর্দশার পরও চীনের মোট জনসংখ্যা আগের বছরের ১৩৯ কোটি পেরিয়ে ১৪০ কোটির ঘর ছুঁয়েছে বলে পরিসংখ্যান ব্যুরো নিশ্চিত করেছে; মৃত্যুহার জন্মহারের চেয়ে কয়েকগুণ কম হওয়ায় এমনটা হয়েছে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।

জন্মহার কমতে থাকায় ভবিষ্যতে চীনে কর্মক্ষম মানুষের তুলনায় বয়স্ক লোকের সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে, যা তাদের অর্থনীতিকেও সমস্যায় ফেলবে বলে শঙ্কা বিশ্লেষকদের।

চীনের জন্মহার যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে খানিকটা কম হলেও জাপানের চেয়ে বেশি। ২০১৭ সালেও যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি হাজারে ১২ শিশু জন্ম নিত। গত বছর ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের জন্মহার ছিল প্রতি হাজারে ১১ দশমিক ৬; স্কটল্যান্ডে ৯।

বৃহৎ অর্থনীতির দেশগুলোতে জন্মহার ১০-১২ এর মধ্যে ঘোরাঘুরি করলেও ২০১৭ সালে বৈশ্বিক জন্মহার প্রতি হাজারে ১৮ দশমিক ৬৫ ছিল বলে জানিয়েছে বিশ্ব ব্যাংক।

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে চীন ১৯৭৯ সালে ‘এক সন্তান’ নীতি নিয়েছিল। যেসব পরিবার এ নীতি লংঘন করতো তাদেরকে জরিমানার মুখে পড়তে হতো, কাউকে কাউকে হতে হতো চাকরিহারা।

‘এক সন্তান’ নীতির কঠোর প্রয়োগের কারণে দেশটিতে প্রায়ই জোর করে গর্ভপাত করানোর ঘটনাও ঘটেছে বলে বিবিসি জানিয়েছে।

এমন পদক্ষেপের ফলে চীনে নারী-পুরুষের অনুপাতে বড় ধরনের পার্থক্য রয়ে গেছে বলেও অনেকে মনে করেন। ২০১৯ সালের হিসাব অনুযায়ী দেশটিতে পুরুষের সংখ্যা নারীদের চেয়ে তিন কোটিরও বেশি।

পাঁচ বছর আগে, ২০১৫ সালে চীনের সরকার ‘এক সন্তান’ নীতি শিথিল করে পরিবারগুলোকে দুটি সন্তান নেয়ার অনুমতি দেয়। এরপর দুই বছর জন্মহার খানিকটা বাড়লেও পরের বছরগুলোতে ফের তা নামতে থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনের বেশিরভাগ পরিবারগুলোর একটির বেশি সন্তান নেওয়ার সামর্থ্য নেই।

জন্মহার বাড়াতে ‘এক সন্তান’ নীতি শিথিলের পাশাপাশি শিশুর যত্নে আর্থিক সহায়তা, পিতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ বাড়ানোসহ বেশকিছু পদক্ষেপ নিতেও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

শীর্ষ সংবাদ:
কালো সোনার হাতছানি ॥ অমিত সম্ভাবনার ব্লু ইকোনমি         দীর্ঘদিন ক্ষমতায় আছি বলেই সুফল পাচ্ছে জনগণ         উত্তরাঞ্চলে অকালবন্যা, পানিবন্দী কয়েক লাখ মানুষ         ক্ষমতায় আসার জন্য বিএনপি ষড়যন্ত্রের অলিগলি খুঁজছে         বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ২০ হাজার কোটি টাকার বাজেট সহায়তা দিচ্ছে         চাঞ্চল্যকর নিলা হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার         এবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ভাতিজির প্রতারণার মামলা         সঙ্কট মেটাতে ১১ দেশ থেকে দ্রুত পেঁয়াজ আসছে         মালেকের উত্থানের নেপথ্যে         করোনা টেস্টের রিপোর্ট নিয়ে দুশ্চিন্তায় প্রবাসীরা         জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণের ৪৬ বছর পূর্তিতে স্মারক ডাকটিকেট         বর্তমান বিশ্বে কূটনৈতিক মিশনের দায়িত্বে পরিবর্তন এসেছে ॥ প্রধানমন্ত্রী         অবৈধপথে ক্ষমতা দখলে ষড়যন্ত্রের গলি খুঁজছে বিএনপি ॥ কাদের         ইয়েমেনে পরাজিত সৌদি রাজা সালমান প্রলাপ বকছেন: ইরান         মার্কিন বিমানবাহী রণতরী পর্যবেক্ষণের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করল আইআরজিসি         একসঙ্গে দুটি বিরল রোগে আক্রান্ত নবজাতক         করোনায় আরও ২১ জনের মৃত্য ॥ নতুন আক্রান্ত ১৩৮৩         জলবায়ু পরিবর্তন ॥ পৃথিবী রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব         সার্কভুক্ত দেশগুলোকে নিবিড় সহযোগিতার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর         লন্ডনে থানার ভেতর পুলিশ কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা