বৃহস্পতিবার ২৫ আষাঢ় ১৪২৭, ০৯ জুলাই ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

কপ-২৫ সম্মেলন ও বাংলাদেশ

  • এম নজরুল ইসলাম

জাতিসংঘের ‘ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (ইউএনএফসিসি)’ কনফারেন্স অব পার্টিসের (কপ) ২৫তম বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দিতে রবিবার স্পেনের মাদ্রিদে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি এই সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। প্যারিস জলবায়ু চুক্তির লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে বিশ্বনেতাদের একত্রিত করে সুনির্দিষ্ট, কার্যকরী ও অভিন্ন কর্মপন্থা প্রণয়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা অর্জন করাই কপ-২৫ সম্মেলনের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সারা বিশ্বের প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর মারাত্মক বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে। এই পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আবহাওয়ার মৌসুমি ধারাবাহিকতা বিঘিœত হচ্ছে। এ কারণে বিশ্বের যেসব দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান, আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতাই এর মূল কারণ। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের সব খাত বিশেষ করে অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, কৃষি উৎপাদন, প্রাকৃতিক পরিবেশসহ জনকল্যাণমূলক সব সেবা খাত এবং খাদ্য নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এরই মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে কৃষি ক্ষেত্রে। কৃষিনির্ভর অর্থনীতির দেশগুলোতে পড়ছে বিরূপ প্রভাব। একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদন বলছে, গত শতাব্দীতে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেড়েছে ২৩%, নাইট্রাস অক্সাইডের পরিমাণ বেড়েছে ১৯% এবং মিথেনের পরিমাণ বেড়েছে ১০০%। বেঁচে থাকার জন্য মানুষকে নানা রকম প্রতিকূলতার সঙ্গে সংগ্রাম করতে হয়। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় প্রতিকূলতা বা হুমকি হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন। এই পরিবর্তনে জনসংখ্যার যে অংশটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন, তারা হচ্ছে দরিদ্র জনগোষ্ঠী। সমুদ্র তীরবর্তী ভৌগোলিক অবস্থান, মাত্রাতিরিক্ত জনসংখ্যা, অপ্রতুল প্রাকৃতিক সম্পদ এবং এর ওপর অধিক নির্ভরশীলতার কারণে বাংলাদেশের অবস্থা খুবই বিপন্ন ও ভয়াবহ। জলবায়ু পরিবর্তনের সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে বাংলাদেশকে রক্ষার জন্য সর্বস্তরের জনগোষ্ঠীকে সচেতন করা একান্ত প্রয়োজন।

নিয়মিত প্রাকৃতিক ঘটনা জলবায়ু পরিবর্তন মানুষের কর্মকা- দ্বারাও ব্যাপকভাবে প্রভাবিত। মানুষের বিভিন্ন কর্মকান্ড জলবায়ু পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করেছে। বিশ্ব উষ্ণায়িত হচ্ছে এবং বিশ্ব উষ্ণায়ন পাল্টে দিচ্ছে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর আবহাওয়ার ধরন এবং ঋতু বৈচিত্র্য। বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বড় হুমকি জলবায়ু পরিবর্তন এবং এর বিরূপ প্রভাব। এর প্রভাবে ভূম-লের জলবায়ুর ব্যাপক পরিবর্তন এবং এর গতি-প্রকৃতিতে ভারসাম্যহীনতা দেখা দিয়েছে, আবহাওয়ার ধরন এবং ঋতুবৈচিত্র্য পাল্টে যাচ্ছে। বায়ুম-ল এবং সমুদ্রের উষ্ণায়ন, বিশ্ব পানিচক্র, তুষারপাত, বরফগলা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ুজনিত দুর্যোগগুলোকে মানবসৃষ্ট প্রভাব হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আইপিসিসি বা ইন্টার গবার্মেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জের তথ্যানুযায়ী জলবায়ুর পরিবর্তনে ভূপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা দুই-ই বাড়বে এবং অসম বৃষ্টিপাত হবে। আইপিসিসির ৫ম সমীক্ষা অনুযায়ী, বিশ্ব গড় তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রী সেলসিয়াস বৃদ্ধির ফলে ফসল উৎপাদন, পানির প্রাপ্যতা, জীববৈচিত্র্য, তাপপ্রবাহ, অতিবৃষ্টি, উপকূলীয় জলোচ্ছ্বাস, বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ইত্যাদি প্রভাব পড়বে। বিশ্ব গড় তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস বৃদ্ধির ফলে বিভিন্ন প্রজাতির বিলুপ্তিতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক খাদ্য নিরাপত্তা বিঘিœত হবে। ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা একবিংশ শতাব্দীর শেষে ১.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস অতিক্রম করবে এবং বিশ্ব পানিচক্রে অসমতা পরিলক্ষিত হবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকির বাইরে নেই বাংলাদেশও। সরকারী সংস্থার প্রতিবেদনেই বলা হয়েছে, এই দেশটির উত্তরে হিমালয় ও দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর থাকার কারণে ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ সবসময়ই বিপদাপন্ন। বাংলাদেশের কৃষি মূলত আবহাওয়া ও জলবায়ুর ওপর নির্ভরশীল। প্রকৃতিনির্ভর হওয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকির মাত্রাও কৃষি খাতে সবচেয়ে বেশি। ইউএনডিপি বাংলাদেশকে বিশ্বের এক নম্বর গ্রীষ্মম-লীয় সাইক্লোনপ্রবণ এবং ষষ্ঠতম বন্যাপ্রবণ দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। বাংলাদেশের জলবায়ুর পরিবর্তন এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অসম বৃষ্টিপাত, বন্যা, ভূমিক্ষয়, জলাবদ্ধতা, শুষ্ক মৌসুমে অনাবৃষ্টি, খরা, টর্নেডো, সাইক্লোন, জলোচ্ছ্বাসের প্রাদুর্ভাব ও মাত্রা বৃদ্ধি, উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা বৃদ্ধি, শীত মৌসুমে হঠাৎ শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশা, আকস্মিক বন্যা ইত্যাদি দেশের কৃষি ব্যবস্থাকে ক্রমাগত বিপর্যস্ত করে তুলছে। যা মানবকল্যাণ ও জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবনযাত্রা এবং খাদ্য নিরাপত্তা ও স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২০০০ সালে প্রকাশিত এক গবেষণা রিপোর্টে বলা হয়েছে, কক্সবাজার উপকূলে বছরে ৭.৮ মি.মি. হারে সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। গত চার দশকে ভোলা দ্বীপের প্রায় তিন হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। জলাবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কিত বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ২১০০ সাল নাগাদ সাগরপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের মোট আয়তনের ১৮.৩ অংশ নিমজ্জিত হতে পারে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের সূত্র মতে, রাজশাহীর উচ্চ বরেন্দ্র এলাকায় ১৯৯১ সালে পানির স্তর ছিল ৪৮ ফুট, ২০০০ সালে তা নেমে ৬২ ফুট এবং ২০০৭ সালে তা নেমে যায় ৯৩.৩৪ ফুটে। স্বাভাবিক বন্যায় দেশের মোট আয়তনের প্রায় ২০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়। বর্তমানে বন্যার সংখ্যা ও তীব্রতা দুটোই বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৭ সালের ১৫ নবেম্বর প্রলয়ঙ্করী সাইক্লোন সিডর আক্রমণ করার মাত্র দুই বছরের মধ্যে শক্তিশালী সাইক্লোন নার্গিস ও আইলা এবং মহাসেন আঘাত হানে। বিপর্যস্ত হয় কৃষি।

আরও একটি প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রায় ৪ হাজার বর্গকিলোমিটার ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ১ হাজার ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা আকস্মিক বন্যার শিকার। মৌসুমি বন্যা উপকূলীয় এলাকায় সমস্যার সৃষ্টি না করলেও বন্যাপ্রবণ এলাকায় এর প্রভাব খুব বেশি। ফসল ছাড়াও জানমালের ব্যাপক ক্ষতি করে। জোয়ারজনিত বন্যা উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি করে। জমিতে লবণাক্ত পানি জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করে, যা ফসল চাষের জন্য অনুপযোগী। লোনা পানির অনুপ্রবেশ বাংলাদেশের একটি মারাত্মক সমস্যা। ১৯৭৩ সালে ১৫ লাখ হেক্টর জমি মৃদু লবণাক্ততায় আক্রান্ত হয়, যা ১৯৯৭ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫ লাখ হেক্টরে। বর্তমানে এর পরিমাণ প্রায় ৩০ লাখ হেক্টর। উজান থেকে পানিপ্রবাহে বাধা ও কম বৃষ্টিপাতের কারণে উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ত জমির পরিমাণ বাড়ছে, যা ভবিষ্যতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং পরিমিত বৃষ্টিপাতের অভাবে আরও বেশি সমস্যার সৃষ্টি করবে। বাংলাদেশের মোট উপকূলীয় এলাকা প্রায় ২৫ লাখ হেক্টর, যার মধ্যে বর্তমানে প্রায় ১০.৫০ লাখ হেক্টর জমি বিভিন্ন মাত্রার লবণাক্ততায় আক্রান্ত।

বিগত ২৫ বছরের আবহাওয়ার তথ্য-উপাত্ত থেকে দেখা যায়, বাংলাদেশের গড় উষ্ণতা তেমন বাড়েনি। তবে আশঙ্কা করা হয় যে, ২০৩০ সাল নাগাদ গড় তাপমাত্রা ১.০ ডিগ্রী, ২০৫০ সালে ১.৪ ডিগ্রী এবং ২১০০ সালে ২.৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস বেড়ে যেতে পারে। সাম্প্রতিককালে তাপমাত্রা না বাড়লেও উষ্ণতা বৃদ্ধি ও শৈত্যপ্রবাহের মাত্রা কমেছে। বাংলাদেশে ক্রমান্বয়ে শীতকালের ব্যাপ্তি ও শীতের তীব্রতা দুইই কমে আসছে।

জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারসহ উন্নয়নের বর্তমান পরিবেশবৈরী ধারা ও প্রবণতা বজায় থাকলে ভয়ঙ্কর জলবায়ু-ঝুঁকিতে পড়বে বাংলাদেশ। ম্যানিলাভিত্তিক উন্নয়নসহযোগী প্রতিষ্ঠান এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এবং জার্মান সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত পটসড্যাম ইনস্টিটিউট ফর ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট রিসার্চ-এর যৌথভাবে করা এক গবেষণা প্রতিবেদনে বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের ‘সর্বনাশা’ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এডিবির নিজস্ব গবেষণা, ইন্টারগবর্মেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ-আইপিসিসির বিভিন্ন প্রতিবেদন, পরিসংখ্যান অধিদফতরসহ বাংলাদেশের সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখনি ব্যবস্থা না নিলে জনবহুল বাংলাদেশে ভৌগোলিক কারণে পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবের শিকার হবে বিপুল সংখ্যক নিম্ন-আয়ের মানুষ। ভয়ঙ্করভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এই অঞ্চলের কৃষি। আর বিপুলসংখ্যক মানুষ রূপান্তরিত হবে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে।

এবারের সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও বিশ্বের করণীয় সম্পর্কে নিশ্চিতভাবেই তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী। একজন ভিশনারি নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানেন, বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর এই পরিস্থিতিতে কী ব্যবস্থা নেয়া দরকার। বাংলাদেশ তাঁর নেতৃত্বেই জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বৈশ্বিক আলোচনা ও দেন-দরবারে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে। আমরা জানি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় জাতীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর ধারণাগুলো বিশ্ব সম্প্রদায় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে থাকে।

কপ-২৫ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ইউরোপ প্রবাসী বাঙালীদের পক্ষ থেকে স্বাগত।

লেখক : সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং

অস্ট্রিয়া প্রবাসী লেখক, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী

[email protected]

শীর্ষ সংবাদ:
সিরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা শক্তিশালী করবে ইরান         জেনারেল সোলাইমানি হত্যা ॥ বোল্টনের দাম্ভিক উক্তির জবাব দিল রাশিয়া         করোনায় হলেও দম্ভ যায়নি ব্রাজিলিয়ান প্রেসিডেন্টের!         বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত ১ কোটি ২০ লাখ         কাতারে আক্রান্ত লাখ ছাড়ালেও সুস্থই ৯৬ হাজারের বেশি         করোনা ॥ বাংলাদেশে আরও উদ্বেগজনক পরিস্থিতির আশঙ্কা         মার্কিন মাদক পাচারকারী বিমান ধ্বংস করল ভেনিজুয়েলার বিমানবাহিনী         বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি ॥ ময়ূর-২ এর মালিক মোসাদ্দেক গ্রেফতার         উখিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩ রোহিঙ্গা নিহত, ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার         শক্তিশালী পাসপোর্ট র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষে জাপান         বিদেশি শিক্ষার্থী ফেরত পাঠানোর বিরুদ্ধে মার্কিন আদালতে মামলা         সিরিয়ায় ত্রাণ সহায়তার অজুহাতে পাশ্চাত্যের ষড়যন্ত্রমূলক পরিকল্পনা ব্যর্থ         ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের আহ্বান পম্পেওর         জম্মু-কাশ্মীরে বাবা-ভাইসহ বিজেপি নেতাকে গুলি করে হত্যা         মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর যে বক্তব্যে দুঃখ প্রকাশ করলেন সের্গেই ল্যাভরভ         জোড়া লাল কার্ডের ম্যাচে বার্সার জয়         হংকংয়ের শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ         ভারতীয় সেনাদের ফেসবুকসহ ৮৯টি অ্যাপ ব্যবহার নিষিদ্ধ         রিজেন্টের অনিয়ম খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নিয়েছি         চিকিৎসা প্রতারক সাহেদের উত্থান বিস্ময়কর        
//--BID Records