মঙ্গলবার ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৭ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

উৎসে আঘাত জরুরী

  • সাহিদা সাম্য লীনা

মাদকের ডাক কিশোর বয়সকেও এখন ঢেকে ফেলেছে। দেশ জাতির জন্য এক অন্ধকার, করুণ বিপদ সংকেত! স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি কোন জায়গায়ই বাকি নেই এই মরণ নেশা হতে। স্কুলের সহপাঠী অনেকের খারাপ সংস্পর্শে ভাল কিশোর আকর্ষণ বোধ করে জড়িয়ে যায় নেশার ছোবলে। কোচিং করতে গিয়ে, রাস্তাঘাটে আড্ডারত ছেলেদের ডাকে, খেলতে গিয়ে মাদকে জড়িয়ে যাচ্ছে স্কুল কলেজের ছেলেরা। কিছু মেয়েও সম্প্রতি মাদকে আচ্ছন্ন ঠিক একই প্রক্রিয়ায়।

হাতে হাতে মোবাইল, ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা, ফেসবুক আইডি অপ্রাপ্ত বয়সের ছেলেমেয়ে ব্যবহারের ফলেও মাদক সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান নিয়ে ফেলে। আগে যেখানে কিশোরদের সামনে বড়দের বিষয়ে বলা হতো না সে বিষয়গুলো তাদের সামনে অকপটে আসছে। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসনেরও আমার দেখা মতে দেখা গেছে, স্কুল কলেজের ছেলে নিয়ে মাদক বিষয়ে আলোচনা করা, তাদের দিয়ে মাদক স্পট চিহ্নিত করা হয়। এটা কী এমন জিনিস স্বাভাবিকভাবে অল্পবয়সীদের মন জিজ্ঞাসু হয়ে উঠে, ওতে দেখতে হবে কী আছে! বাচ্চা ছেলেমেয়েদের নিষিদ্ধ কথায় বেশি আকর্ষণ। এভাবে মাদক ব্যবসায়ীর খোঁজ দিতে দিতে তারাই এই মরণ নেশায় জড়িয়ে গেছে। এছাড়া রাজনীতির এক খেলাও আছে দেশ জুড়ে। অনেক রাজনীতিবিদ মাদকের আসল গডফাদার। কাড়ি কাড়ি টাকা কামানো, ক্ষমতায় থেকে একটা বদ উদ্দেশ্য; তাদের ছত্রছায়ায় গড়ে উঠে বিশাল গ্যাং-এর রাজত্ব। অর্থের লোভ, দলীয় পদের লোভ তাদের বিনিদ্র রজনী কেড়ে নেয়। একশ্রেণীর অসাধু মুনাফালোভীর পাল্লায় চলে যায় কিশোর, যুবকরা। মা বাবার সোনার টুকরো সন্তানের সর্বনাশ যখন শেষ পর্যায়ে, মাদক কিনতে বিপুল টাকা যোগাতে গিয়ে ধার করা, চুরি ইত্যাদি কাজে নিয়োজিত হয়ে পড়ে।

পুলিশের সোর্স উচ্ছৃঙ্খল ও নেতাদের গুন্ডা পান্ডাদের মারফত এলাকায় মারামারি সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয়। আগেই তার পকেটে সামান্য একটা ট্যাবলেট ঢুকিয়ে দেয় ঝগড়ার সময় একজন। থানা থেকে বাবামাকে ফোন করে বলে আপনার ছেলে মাদকসহ ধরা পড়েছে। ৫০ /৬০ হাজার আনেন, না হয় কোর্টে চালান করে দিব। অর্থের কারণে একযাত্রায় বেঁচে গেলেও সে কিশোর প্রতিশোধ পরায়ণ হয়, যে তাকে ধরিয়ে দিয়েছে তাকে দেখে নেয়ার পরিকল্পনা আঁটে। কিন্তু ক্ষমতা, সেসব উচ্ছন্নে ছেলের চালাকীর সঙ্গে হেরে গিয়ে অনেক সহজ সরল ছেলে একি ঘটনায় বারবার পুনরাবৃত্তি ঘটে দুর্বিষহ জীবন নেমে আসে তাদের জীবন ও পরিবারে। নীরবে কাঁদে শত শত পরিবার। না পারে লোক লজ্জার ভয়ে প্রতিবাদ করতে। কাজেই গোড়াতে যেতে হবে, নষ্টের মূল আগাছা যাদের ভেতর তাদের শুদ্ধ হতে হবে। নইলে মাদক কখনো যাবে না, বরং ভাল পরিবারের থেকে অর্থ হাতানোর এই পদ্ধতিতে তাদের দল, ক্ষমতা, শক্তি বেড়ে ত্রিগুণ হবে। আর মাদক তার জায়গায়ই থেকে যাবে।

ফেনী হতে

শীর্ষ সংবাদ:
ডলার বাজার অস্থির ॥ আমদানি ব্যয় পরিশোধের চাপ         শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ         পূর্ণিমার জোয়ারে ভেসে গেছে বিকল্প বেড়িবাঁধ         পি কে হালদারকে ফেরাতে কাজ করছে দুদক         শেয়ারবাজারে বড় ধস, ৯ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন সূচক         ঢাকায় বসে কথা না বলে গ্রামে ঘুরে আসুন         টাইগারদের স্বপ্নের দিন সাগরিকায়         অভ্যন্তরীণ তহবিল থেকে অর্থ নিয়েও বিদেশ যাওয়া যাবে না         আইসিসিতে বাংলাদেশী বিচারক         পুলিশ ক্যাডারে পদোন্নতির স্থায়ী নীতিমালা হয়নি ৫১ বছরেও         চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগে হাইব্রিডদের দাপট স্বেচ্ছাচারিতা         উপবৃত্তির ভুয়া এসএমএস, কৌশলে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে অর্থ         বিদেশী সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল নয় দেশ ॥ কৃষিমন্ত্রী         বৈরী আবহাওয়ায় ধান কাটতে এগিয়ে এসেছেন নারী শ্রমিকরা         ‘রাজধানীতে বসে সমালোচনা না করে গ্রামে গিয়ে পরিবর্তনটা দেখুন’         পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের অনেক নিম্নাঞ্চল প্লাবিত         সরকারি-আধা সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ         পিকে হালদার আ.লীগের কেউ নয়         ডলার : কেন্দ্রীয় ব্যাংক বেঁধে দিল সাড়ে ৮৭ টাকা, খোলা বাজারে ৯৭         ৩০০ কোটি ছাড়িয়েছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট থেকে আয় : বিএসসিএল