রবিবার ২৭ আষাঢ় ১৪২৭, ১২ জুলাই ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক কার রেসিংয়ে বাংলাদেশের প্রথম ঐতিহাসিক সাফল্য অভিকের

  আন্তর্জাতিক কার রেসিংয়ে বাংলাদেশের প্রথম ঐতিহাসিক সাফল্য অভিকের

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ অভিক আনোয়ার বাংলাদেশের জন্য বয়ে এনেছেন প্রথম ও ঐতিহাসিক এক সাফল্য। ভারতে অনুষ্ঠিত ‘ইন্ডিয়ান টুরিং কার ন্যাশনাল চ্যম্পিয়নশিপ’-এ সবাইকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান অধিকার করেন (লাভ করেন উইনিং ট্রফি ও ৫০ হাজার ভারতীয় রুপি)। এটাই তার প্রথম আন্তর্জাতিক সাফল্য। সেই সঙ্গে বাংলাদেশেরও।

এই প্রতিভাবান রেসার বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত একমাত্র মোটর স্পোর্টস প্রতিযোগিতা ‘র্যালি ক্রস’-এ ২০১৪, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে হ্যাটট্রিক বিজয় অর্জন করেন। ২০১৭ সাল থেকেই তিনি ভারতে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে জেতার চেষ্টা করে আসছিলেন। দুবারই বিফল হন। এবার তার সেই চেষ্টা সফল হয়েছে। করেছেন বাজিমাত। একেই হয়তো বলে ‘দান দান, তিন দান!’

মুন্সীগঞ্জের বিক্রমপুরের ছেলে, বর্তমানে ঢাকার বনানী নিবাসী ও গাড়ি ব্যবসায়ী অভিক কানাডার টরন্টো ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতিতে সম্মানসহ মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন। জনকণ্ঠের সঙ্গে একান্ত আলাপনে তিনি জানান, ‘তৃতীয় বারের চেষ্টায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে ভীষণ ভাল লাগছে। এতে করে আগামীতে আরও সাফল্য পাবার জন্য আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে গেল। সবচেয়ে বড় ব্যাপার- বাংলাদেশের জন্য সুনাম বয়ে আনতে পেরেছি। আশা করি আমাকে দেখে এদেশের নতুন প্রজন্মের কার রেসাররাও অনুপ্রাণিত হবে এবং আমার মতো আরও আন্তর্জাতিক সাফল্য বয়ে আনবে।’

শিরোপা জেতার পরদিনই দেশে ফেরেন ৩২ বছর বয়সী অভিক। জানান, ‘নিজ পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী সবাই আমার সাফল্যে দারুণ রোমাঞ্চিত ও গর্বিত। আমার সাফল্যে আমার বন্ধু ক্রিকেটার তামিম ইকবাল নিজের ফেসবুকে আমাকে নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছে।

অভিকের পুরো পরিবারই হচ্ছে ক্রীড়া এবং সংস্কৃতি অঙ্গনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। বড় ভাই তৌফিক আনোয়ার-ও কার রেসার। ঘরোয়া কার রেসিংয়ে দু’বারের রানারআপ। নৃত্যশিল্পী ছোট বোন তাহমিনা আনোয়ার আনিকা নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতায় ৩ বার ও জাতীয় প্রতিযোগিতায় ৭ বারের চ্যাম্পিয়ন। অভিনেত্রী জয়া আহসান অভিকের স্ত্রী রিমিতা ফরিদের কাজিন। রিমিতা একটি জাতীয় সরকারী হাসপাতালের চিকিৎসক, যাকে এ বছরই বিয়ে করেন অভিক।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে কার রেসিংয়ে বাংলাদেশের প্রথম পতাকা ওড়ান ওই বছরের ১৯ জুলাই ভারতের মাটিতে, মাহফুজুর রহমান তুষার। তিনি সেবার অংশ নেন ‘জিকে টায়ার কার রেসিং কম্পিটিশন ফর্মুলা এলজিবি ফোর রাউন্ড ওয়ান এ্যান্ড টু’ প্রতিযোগিতায়। ২২ প্রতিযোগীর মধ্যে তিনি হন ১১তম। তুষারের দেখানো পথ ধরে এবার অভিক অংশ নিয়ে মুখ উজ্জ্বল করলেন বাংলাদেশের। এনে দিলেন গর্ব করার মতো চোখ ধাঁধানো সাফল্য। অবশ্য তুষারের ইভেন্ট ছিল ভিন্ন। তিনি খেলেন ফর্মুলা কার নিয়ে। আর অভিক খেলেন র্যালি কার নিয়ে। জনকন্ঠকে তুষার বলেন, ‘প্রথম বাংলাদেশী কার রেসার হিসেবে আমি বিদেশের মাটিতে প্রথম অংশ নিয়েছিলাম। আমাকে দেখে পরবর্তীতে আরও তিনজন কার রেসিংয়ে আসতে উৎসাহী হন। তাদেরই একজন অভিক প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে বিদেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাংলাদেশেকে সাফল্য এনে দিয়েছেন। এজন্য তাকে উষ্ণ অভিনন্দন। আশা করি আগামীতেও তিনি এভাবে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করবেন।’

করোনাভাইরাস আপডেট
বিশ্বব্যাপী
বাংলাদেশ
আক্রান্ত
১২৬৪২৬৮৬
আক্রান্ত
১৮১১২৯
সুস্থ
৭৩৭৯৪১১
সুস্থ
৮৮০৩৪
শীর্ষ সংবাদ:
আসছে ভয়াবহ বন্যা         বনানীতে মায়ের কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত সাহারা খাতুন         টেন্ডারবাজিতে ৫০ কোটি টাকা হাতিয়েছেন সাহেদ         ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৩০ জনের মৃত্যু শনাক্ত ২৬৮৬         বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের গতি নিম্নমুখী         করোনায় অনলাইনে জমজমাট কোরবানির পশুর হাট         বাংলাদেশ থেকে ফ্লাইট ও যাত্রী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেনি ইতালি         স্কুল ফিডিংয়ের খাবার করোনাকালে যাবে শিক্ষার্থীদের বাড়ি         ইতিহাসের বৃহত্তম ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন শেখ হাসিনা ॥ তথ্যমন্ত্রী         টেন্ডার জটিলতায় থমকে গেছে ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্যক্রম         মানব ও অর্থ পাচারের অভিযোগে পাপুলের কুয়েতে শাস্তি নিশ্চিত         উগ্র-ধর্মান্ধদের এখনই প্রতিরোধ করা না হলে মহাসঙ্কটে পড়তে হবে         মাদকের সঙ্গে জড়িত পুলিশের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা         আখাউড়া-সিলেট রুটে ডুয়েলগেজ লাইন স্থাপন অনিশ্চিত         বিএসএমএমইউয়ে ‘নেগেটিভ প্রেশার আইসোলেশন ক্যানোপি’ উদ্ভাবন         বাংলাদেশ থেকে আসা ৭০ শতাংশ যাত্রীর করোনা পজিটিভ : ইতালির প্রধানমন্ত্রী         কমিটির সুপারিশ উপেক্ষা করে ডিএনসিসিতে পশুর তিন হাট         করোনায়ও স্বাস্থ্যখাতের সকল সেবা অব্যাহত রাখতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী         ৮৬টি প্রতিষ্ঠানকে ৩ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা        
//--BID Records