বৃহস্পতিবার ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৯ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

ক্যাম্পাসে একদিন

  • জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়

মানুষের কর্মব্যস্ত জীবনের অন্যতম অনুসঙ্গ আড্ডা। কর্মক্ষেত্র আর পরিবেশ অনুযায়ী এককজনের আড্ডা একেক জায়গায় হয়ে থাকে। কেউ বা অফিস পাড়ায়, কেউ বা চায়ের দোকানে, কেউ বা কলেজ বিশ্বদ্যিালয়ের ক্যাম্পাসে। কমবেশি সব বাঙালীই আড্ডা ভালবাসেন। ছাত্রজীবনে আড্ডাটা একটু বেশি আনন্দের। আর সেই আড্ডা যদি হয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তা হলে তো কোন কথাই নেই। রাজনীতি, সাহিত্য, সংস্কৃতি, খেলাধুলা, সামাজিক কর্মকা-, প্রেম-ভালবাসাসহ প্রায় সব কিছুরই চর্চা হয় এখানে।

আড্ডা-বন্ধুত্ব-গান-পড়াশোনা এই নিয়ে মেতে আছে বিদ্রোহের তূর্যবাদক জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নামে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ক্যাম্পাসটি যেন বন্ধুত্ব, আড্ডা, শিল্প, সাহিত্য ও ভালবাসার ছোঁয়ায় ঘেরা। কখনও গানে গানে ছড়িয়ে পড়ে তারুণ্যের উন্মাদনা, কখনও ছোটখাটো খেলায় মেতে ওঠে তারুণ্য ভরা সবুজ প্রাণ।

ক্লাসসহ নানা ব্যস্ত সময় গড়িয়ে পড়ন্ত বিকেলে কিংবা ক্লাসের ফাঁকে ক্যাম্পাসে ফুটে উঠে এক দারুণ প্রতিচ্ছবি। শিক্ষার্থীদের আড্ডা পরিণত হয় তারুণ্যের এক উচ্ছ্বাসী মিলনমেলায়। ক্যাম্পাসে নবনির্মিত জয়বাংলা ভাস্কর্য চত্বর, বটতলা, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি, চুরুলিয়া মঞ্চ, শব্দ মঙ্গল, গাহি সাম্যের গান মুক্ত মঞ্চ, পূবের হাট, ক্যাফে চক্রবাক, শেওরাতলা, চারু দ্বীপ, শহীদ মিনার চত্বর, আবেগের মোড়, জ্ঞানের গলি, আর নতুন রাস্তায় পাশে সবুজ ঘাসে বিকেল হলেই দেখা যা প্রেমিক-প্রেমিকার জুটি। গল্প, গান, বই, ল্যাপটপ, এ্যাসাইনমেন্ট আর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশ পথে ‘খোরাকি’ রোস্তরাঁর কফির কাপ হাতে আড্ডা, হাতে হাত রেখে বন্ধুত্বের পরম উষ্ণতায় মুগ্ধতার আবেশ ছড়িয়ে পড়ে চাঁদের হাটে।

বিশ্ববিদ্যালয় কেবল বড় বড় ডিগ্রী অর্জন আর ক্লাস, এ্যাসাইনমেন্ট, মিড, থিসিস আর পরীক্ষায় সীমাবদ্ধ থাকবে, এই ধারণা মানতে নারাজ তারুণ্যের মিছিল করা এই ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে আড্ডা, গান, বিতর্ক, নাচ, খেলা, সমসাময়িক বিষয়ের আলাপ-আলোচনা, মত ও যুক্তির মাতামাতি। বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে থাকবে সাংস্কৃতিক বলয়। এর সবই আছে এই ক্যাম্পাসে। আর এসবের জন্যই দিনকে দিন সবার নজর কাড়ছে কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে, খেলার মাঠে চলছে উন্নয়ন কর্মকান্ড। তবু থেমে নেই খেলা প্রেমিদের ছোটাছুটি। সেখানেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃবিভাগীয় খেলাসহ অন্যান্য খেলা।

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে থেকে তিন কিলোমিটার ভেতরে নজরুলের স্মৃতি বিজড়িত নামাপাড়ার বটতলায় ৪২ একর জমিতে ২০০৬ সালের ৯ মে ৪টি বিভাগ নিয়ে যাত্রা শুরু করে এ বিশ্ববিদ্যালয়।

হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী রিকো আজাদ, ইবনুল হায়দার রাকিব, তানিম, রাইসা বলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুদের আড্ডার মাধ্যমে আমরা নিজেদের জ্ঞান ভান্ডারকে সৃষ্টিশীল, সৃজনশীল ও তথ্যসমৃদ্ধশালী হিসেবে তৈরি করতে পারি। পড়াশোনার পাশাপাশি মনের বিস্তর পরিধিকে আরও বড় পরিসরে বিস্তৃত করতে আড্ডার মাধ্যমে পড়াশোনা, সাংস্কৃতিক চর্চা, আলোচনা, যুক্তি ও বিতর্কের গুরুত্ব অপরিহার্য।

মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম

শীর্ষ সংবাদ:
কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে ছয় মেয়রসহ ১৫৪ প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা         বিএনপি থেকে সাক্কুর পদত্যাগ         সহসাই গ্যাস পাচ্ছেন না কামরাঙ্গীরচরের বাসিন্দারা         করোনা : ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৩৫         আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই ॥ মির্জা ফখরুল         দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা মোকাবেলায় বিশেষ বৈঠকের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর         জুনের শেষ সপ্তাহে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন : মন্ত্রিপরিষদ সচিব         হিডেন স্পাই ওয়্যারলেস কিট দিয়ে নিয়োগের প্রশ্নপত্র সমাধান, চুক্তি ১৫ লাখে         খোলাবাজারে কমেছে ডলারের দাম         ডিকভেলা আর চান্দিমালের দৃঢ়তায় নায়ক হয়ে উঠতে পারেননি তাইজুল         রন্দ্রে রন্দ্রে অনিয়ম : ভোক্তার ডিজি         অসুস্থ বন্ধুর জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন জবি শিক্ষার্থীদের         শুক্রবার ভোটার তালিকা হালনাগাদ উদ্বোধন         সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে বজ্রপাতে নিহত ৩, আহত ১৫         সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত         আবদুল গাফফার চৌধুরীর বর্ণাঢ্য জীবন