ঢাকা, বাংলাদেশ   সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২, ১৮ আশ্বিন ১৪২৯

জাতীয় ক্রিকেট লীগে শুভাশীষের ৫ উইকেট

ব্যাটের পর বল হাতেও উজ্জ্বল সৌম্য

প্রকাশিত: ০৬:৪৫, ২৪ অক্টোবর ২০১৮

ব্যাটের পর বল হাতেও উজ্জ্বল সৌম্য

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ দারুণ ফর্মে আছেন সৌম্য সরকার। এশিয়া কাপ শেষে ওয়ানডে দল থেকে ছিটকে পড়ার পর থেকেই জ্বলে উঠেছেন তিনি। শুধু ব্যাট হাতে নয়, উজ্জ্বলতা ছড়িয়ে যাচ্ছেন বল হাতেও। ২০তম ওয়ালটন জাতীয় ক্রিকেট লীগের (এনসিএল) চতুর্থ রাউন্ডের প্রথমদিনে টানা তৃতীয় অর্ধশতক হাঁকান সৌম্য। আর মঙ্গলবার দ্বিতীয়দিনে বল হাতেও নিয়েছেন ২ উইকেট। দিনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা জাতীয় দল থেকে দীর্ঘদিন বাইরে থাকা পেসার শুভাশীষ রায়ের ৫ উইকেট শিকার। ফিফটি পেয়েছেন শামসুর রহমান, মার্শাল আইয়ুব, ফরহাদ হোসেন ও ইয়াসির আলী। তবে আবারও ব্যাট হাতে ব্যর্থ মোহাম্মদ আশরাফুল সাজঘরে ফিরেছেন ১৪ রান করে। প্রথম স্তর ॥ খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে আগের দিনের ৭ উইকেটে ২৮১ রান নিয়ে খেলতে নেমে খুলনা বিভাগের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে যায় ৩০৯ রানে। জিয়াউর রহমান ৪৩ রানেই সাজঘরে ফেরেন। রাজশাহী বিভাগের পক্ষে ৩টি করে উইকেট নেন শফিউল ইসলাম, ফরহাদ রেজা ও সানজামুল ইসলাম। জবাবে দিনশেষে ৫ উইকেটে ২০২ রান তুলে রাজশাহী এখনও পিছিয়ে ১০৭ রানে। এবার এনসিএলে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে ওপেনার মাইশুকুর রহমান ১৪ রানেই সাজঘরে ফেরেন। তবে মিজানুর রহমান ৪৩, জুনায়েদ সিদ্দিকী ৪৭ ও ফরহাদ হোসেন ৫৬ রান করলে ভাল একটি অবস্থান তৈরি হয় তাদের। সেখানে বিপত্তি ঘটান মিডিয়াম পেসার সৌম্য। আগের ম্যাচের দুই ইনিংসে অর্ধশতক হাঁকানো এ টপঅর্ডার এবার প্রথম ইনিংসে ৬৬ রান করেন। এছাড়া মাঝে জিম্বাবুইয়ের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবি একাদশের হয়ে অপরাজিত ১০২ রান করেন সৌম্য। বল হাতেও গত ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন, এবার ২ উইকেট তুলে নেন তিনি। অপরদিকে রংপুর গার্ডেনে বোলারদের দাপটে ব্যাটসম্যানরা বিপাকে আছেন। আগেরদিন রংপুর ১৪৭ রানে প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে যাওয়ার পর বরিশাল বিভাগের প্রথম ইনিংসও ১৪৭ রানে থমকে গেছে। পেসার শুভাশীষের দাপটেই তারা বেশিদূর যেতে পারেনি। রাফসান আল মাহমুদ সর্বোচ্চ ৪০ ও কামরুল ইসলাম রাব্বি ২৭ রান করেন। ৪৯ রানে ৫ উইকেট নেন শুভাশীষ। তানবীর হায়দার ও রবিউল হক দুটি করে উইকেট পেয়েছেন। দ্বিতীয়দিন শেষে রংপুর দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ৭৭ রান তুলেছে। রাকিন আহমেদ ৩০ রানে ফিরে গেছেন, মাহমুদুল হাসান ক্রিজে আছেন ২৭ রান নিয়ে। উইকেট তিনটিই নিয়েছেন মনির হোসেন। দ্বিতীয় স্তর ॥ রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে সিলেট বিভাগের প্রথম ইনিংস ৩১২ রানে শেষ হয়েছে। আগেরদিন ৯ উইকেটে ২৯২ রান নিয়ে শেষ করেছিল তারা। শাহানুর রহমান ৫৪ রান করেন। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন কাজী অনিক, আসিফ হোসেন, আরাফাত সানি ও মোহাম্মদ আশরাফুল ২টি করে উইকেট নেন। দিনশেষে ঢাকা মেট্রোপলিশ ৮ উইকেটে ২৬৭ রান করেছে। শামসুর ১২০ বলে ৭ চারে ৬৩, মার্শাল ১৪৭ বলে ১১ চারে ৭৪ রান করেন। জাবিদ হোসেন ৩৯ রান নিয়ে ব্যাট করছেন। পেসার খালেদ আহমেদ ৬৯ রানে ৪টি ও শাহানুর রহমান ২টি উইকেট নিয়েছেন। কক্সবাজারে প্রথমদিন ঢাকা বিভাগ ২৮৮ রানে গুটিয়ে গেলেও দ্বিতীয়দিন বোলাররা তাদের ভাল অবস্থানে রেখেছে। চট্টগ্রাম দিনশেষে প্রথম ইনিংসে করেছে ৮ উইকেটে ২২৩ রান। ইয়াসির আলী ১১০ বলে ৬ চার, ১ ছক্কায় ৬০ রান করলেও দলীয় ১২৪ রানেই ৫ উইকেট হারিয়েছিল চট্টগ্রাম। পরে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৪০ ও ইফতেখার সাজ্জাদ ৪৬ রান করেন। ২ উইকেট নিয়েছেন মোশাররফ হোসেন। ৬৫ রানে এগিয়ে এখনও ঢাকা।