মঙ্গলবার ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৪ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

ঠাকুরগাঁওয়ে ইটভাঁটির আগুনে ধ্বংস হচ্ছে আবাদি জমি

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঠাকুরগাঁও, ৮ ফেব্রুয়ারি ॥ জেলার বিভিন্ন এলাকায় ইটভাঁটির আগুনে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে এলাকার ফসলের ক্ষেত ও পরিবেশ। সেইসঙ্গে ভূমিদস্যু ও দালালদের প্রলোভনে শত শত আবাদি জমি হয়ে যাচ্ছে অনাবাদি।

সদর উপজেলার সালন্দর, ফারাবাড়ি, আকচা, জগন্নাথপুর, নারগুন ইউনিয়ন ও পীরগঞ্জের ভিমটিয়া, গোয়াগাঁও মৌজা ও তার আশপাশ এলাকার আবাদি জমিগুলোর মাটি কেটে ভাঁটিগুলোতে নিয়ে ইট প্রস্তুত করা হচ্ছে। উল্লেখিত এলাকার সহস্রাধিক একর আবাদি জমির মাটি কেটে বড় বড় পরিখা, পুকুর ও খাল করায় ওইসব জমিতে ২০ বছরেও ফসল ফলানো সম্ভব হবে না বলে ভূমি বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন। ভাঁটি মালিকরা তাদের এক শ্রেণীর দালাল চক্রের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক আবাদি জমির মালিকদের মোটা অংকের অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে আকৃষ্ট করে তাদের আবাদি জমিগুলোর ওপর অংশের মাটি খুঁড়ে ইট ভাঁটিগুলোতে সরবরাহ করছে। যেসব জমিতে এ ধরনের ধ্বংসাত্মক তৎপরতা চালাচ্ছেন তার সংলগ্ন জমিগুলোও অনাবাদি হয়ে পড়ছে। কারণ খাল সংলগ্ন জমির উঁচু অংশে আর পানি জমে থাকছে না। ফলে ওইসব জমিগুলোতে এখন বোরো ধান আবাদে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। গম ক্ষেতগুলোতে সেচের পানি জমছে না। সেচের পানি চুইয়ে খাল, গর্ত ও পরিখাগুলোতে চলে যাচ্ছে। ভাঁটি মালিকদের লেলিয়ে দেয়া দালালরা প্রতি বিঘা জমির মাটি কাটার জন্য অভাবী কৃষককে ২৫ হাজার টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিলেও পরিশোধ করা হচ্ছে অর্ধেক টাকা। এমনি করে জমির মালিক হয়ে উঠছে ভূমিহীন আর চিরদিনের জন্য এই জমিগুলো পরিণত হচ্ছে অনাবাদি খালে। ইটভাঁটি মালিক শাহাজাহান আলী (এসবি ভাঁটি) জানান, দালালরা তাদের ইটভাঁটির মাটি সরবরাহ করে থাকে। ভাঁটি মালিকরা কেউ সরাসরি জড়িত নয়। উত্তরাঞ্চলের বগুড়ায় পরিবেশ অধিদফতরের দফতর থাকলেও ঠাকুরগাঁও অঞ্চলে তারা সরেজমিন পরিদর্শন না করায় ইটভাঁটি মালিক ও দালালচক্র ভূমিদস্যুতায় মেতে উঠে। জেলার উল্লেখিত ইউনিয়ন ও মৌজাগুলোতে ধান, গম, সরিষা ফসল উৎপাদনে সেরা রেকর্ড ছিল। কিন্তু ইটভাঁটিগুলোর আগ্রাসী তৎপরতায় এই মৌজা দুটি এখন ফসলহীন মাঠে পরিণত হতে চলেছে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়ালকে জানালে তিনি উপজেলা এ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব ল্যান্ডকে (অ.ঈ.খধহফ) সরেজমিন তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান। এদিকে এই ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হলে তারা মরিয়া হয়ে অবশিষ্ট জমিগুলোকে ধ্বংস করে অনাবাদি ও ফসলহীন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার চক্রান্তে আরও শক্তিশালী হয়ে গরিব ক্ষুদ্র জমির মালিকদের পথে বসাতে বাধ্য করবে বলে এলাকাবাসী আশঙ্কা করছেন।

শীর্ষ সংবাদ:
রিজার্ভ বাড়াতে মরিয়া ॥ নানামুখী কৌশল সরকারের         আঞ্চলিক সঙ্কট মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ প্রস্তাব         শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুই সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের দিন         রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন দুঃস্বপ্ন         দুর্নীতির মামলায় কারাগারে ওসি প্রদীপের স্ত্রী         একগুচ্ছ প্রণোদনায় ঘুরে দাঁড়াল শেয়ারবাজার         প্রভাবশালীদের দখলে উত্তরবঙ্গের অর্ধেক খাস জমি         সিলেটে বন্যাকবলিত এলাকায় খাবার পানির তীব্র সঙ্কট         মাঙ্কিপক্স নিয়ে সব বিমানবন্দরে সতর্ক অবস্থা         গম নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে বোঝাপড়ায় আগ্রহী আমদানিকারকরা         পদ্মা সেতু নিয়ে বড়াই করা উচিত নয় ॥ ফখরুল         শিক্ষক ও বিমানবাহিনীর সদস্যসহ সড়কে প্রাণ গেল ১৫ জনের         প্রমাণ ছাড়া স্বাস্থ্যকর পুষ্টিকর বলে প্রচার করা যাবে না         ফখরুলের বক্তব্য নতুন ষড়যন্ত্রের বহির্প্রকাশ ॥ কাদের         প্রস্তুত স্বপ্নের পদ্মা সেতু         পাম তেল রপ্তানিতে ইন্দোনেশিয়ার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার         বাংলাদেশের কাছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বিক্রি করতে চায় রাশিয়া         রাজধানীতে ট্রাকে পণ্য বিক্রি করবে না টিসিবি         জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ‘জাতীয় সরকার’ প্রস্তাবে বিব্রত বিএনপি         মঙ্গলবার আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইবেন সম্রাট