ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ২০ আগস্ট ২০২২, ৫ ভাদ্র ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

যুব সম্প্রদায়ের ক্ষুদ্র একটি অংশ বিপথগামী

জঙ্গীবাদের মূল টার্গেট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকার

প্রকাশিত: ০৫:৫৫, ১৪ জুলাই ২০১৬

জঙ্গীবাদের মূল টার্গেট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকার

মোয়াজ্জেমুল হক/হাসান নাসির ॥ দেশে আইএস জঙ্গী নেই। আইএসের প্রত্যক্ষ ও সক্রিয় কোন তৎপরতাও নেই। এ দাবি সরকারের। খোদ প্রধানমন্ত্রীর। সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্য শতভাগ সত্য বলেই প্রতীয়মান। এর মূল কারণ, বাংলাদেশে আইএস তৎপর হওয়ার কোন অবকাশ থাকতে পারে না। কারণ এ সংগঠনটি মূলত ইরাক ও সিরিয়াভিত্তিক। উদ্দেশ্য ওই অঞ্চলে একটি খেলাফত রাষ্ট্র। তাদের প্রধান শত্রু যুক্তরাষ্ট্র ও এর একান্ত সহযোগী দেশগুলো। আর বাংলাদেশে ধর্মান্ধ উগ্রবাদী, জঙ্গীবাদী গোষ্ঠীগুলোর টার্গেট মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বর্তমান সরকারকে হটানো। বাংলাদেশে মুসলিম যুব সম্প্রদায়কে আইএসে যোগ দিতে উদ্বুদ্ধকরণ তৎপরতা চলছে অতি গোপনে। এদের মদদ দিচ্ছে দেশীয় মৌলবাদে বিশ্বাসী রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনগুলো। ইতোমধ্যে গোমর ফাঁস হয়েছে আইএসের সঙ্গে বাংলাদেশী কিছু যুবকের যোগাযোগ ও তাদের সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে সংশ্লিষ্টতা। ঢাকার গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তরাঁয় জঙ্গী হামলার পর বেরিয়ে এসেছে বাংলাদেশ থেকে বহু উগ্রবাদী যুবক আইএসের পক্ষে যুদ্ধ করার জন্য সিরিয়া পর্যন্ত চলে গেছে। অনেকে যাওয়ার পথে ধরা পড়েছে। এটা এক ধরনের উন্মাদনা, হিরোইজম। যা মগজধোলাই ও অতিমাত্রার মাদকাসক্তির ট্যাবলেট ‘ক্যাপ্টাগন’ সেবন করানোর জের হিসেবেই মনে করা হচ্ছে, যাতে ইসলামিজম বলতে কিছুই নেই। এখন প্রশ্ন উঠেছে, বাংলাদেশে আইএস তৎপর নয়। তাহলে আইএসের নামে জঙ্গী হামলা ও জঙ্গী তৎপরতা দাবি আসছে কেন? এর উত্তর একটাই- ভীতিকর পরিস্থিতি সঞ্চার। তবে আইএসের নীতি আদর্শে বুঁদ হয়ে যুব সম্প্রদায়ের একেবারে ক্ষুদ্র একটি অংশ বিপথগামী যে হয়েছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। পুলিশ, গোয়েন্দাসহ সংশ্লিষ্ট একাধিক বিশেষজ্ঞ সূত্র বলছে, দেশীয় জঙ্গীবাদে উদ্বুদ্ধরা বিভিন্ন ইসলামী নামের সংগঠনের ব্যানারে যে হিংস্র কর্মকা- শুরু করেছে এর নেপথ্যে মূল টার্গেটে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার। শেখ হাসিনা সরকারের অগ্রযাত্রা রুখে দেয়ার অপচেষ্টার নীলনক্সার অংশ হিসেবে মৌলবাদী ধর্মান্ধগোষ্ঠী ছক কষে জঙ্গীপনার নামে সন্ত্রাসী কর্মকা- চালাচ্ছে। সূত্রসমূহ বলছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ধর্মান্ধ মৌলবাদীদের রীতিমতো টুঁটি চেপে ধরেছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করে তা একে একে কার্যকর করে চলেছে। এক্ষেত্রে বিশ্বের প্রভাবশালী বহু দেশের আবেদন নিবেদন নাকচ হয়েছে, যা রীতিমতো বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শনের সমতুল্য হয়েছে। শেখ হাসিনার সরকার ধর্মান্ধ, উগ্রবাদ, মৌলবাদ ও জঙ্গীবাদের মূলোৎপাটনে কঠোর মনোভাব নিয়ে যেভাবে এগিয়ে চলেছে তাতে ওইসব অপশক্তি রীতিমতো দিশেহারা। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারবিরোধী বিএনপি এখন মাজাভাঙ্গা একটি দলে পরিণত হয়েছে। প্রধান বিরোধী দলের পদটিও হারিয়েছে দলটি। জামায়াত রয়েছে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে। কখন নিষিদ্ধ ঘোষিত হয় এ ভয় তাদের আপদমস্তকজুড়ে চেপে ধরেছে। পাশাপাশি তাদের সহযোগী আধুলি, সিকি ও তার চেয়ে ক্ষুদ্র মার্কার ডানঘেঁষা দলগুলো এখন বানভাসা আবর্জনার মতো ভাসছে। অর্থাৎ এরা এখন কূলহারা। তীরে ভেড়ার পথ খুঁজে পাচ্ছে না। এ অবস্থায় দেশে আকস্মিকভাবে জঙ্গীপনার নামে হিংস্র ছোবল হানার যে চিত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে তার নেপথ্যে শেখ হাসিনা সরকারবিরোধী এসব গোষ্ঠীর অপতৎপরতারই বহিঃপ্রকাশ ঘটছে এবং তা নিয়ত জোরালো করার চেষ্টা হচ্ছে। আর এ কারণে জঙ্গীপনার ব্যানারে তারা বুদ্ধিজীবী, ব্লগার, মন্দির পুরোহিত, সেবায়েত, বিদেশী নাগরিক, এনজিও কর্মী হত্যা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংসের পথ বেছে নিয়েছে। ইতোমধ্যে এ ধরনের কয়েকটি মিশন তারা সফলও করেছে। এ ঘটনা শুধু দেশে নয়, বিশ্ব মিডিয়ায়ও গুরুত্বসহকারে প্রচারিত হয়েছে। পৃথিবীজুড়ে মানুষ জেনেছে বাংলাদেশে কথিত জঙ্গীপনার অপতৎপরতার খবর। দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, গুলশান ও শোলাকিয়া ট্র্যাজেডির পর অজানা বহু তথ্য সরকার যেমন জেনেছে তেমনি অবগত হয়েছে এদেশের সাধারণ ও সচেতন মানুষ। ধর্মীয় উন্মাদনার আফিম খাইয়ে যাদের বুঁদ করা হয়েছে তারাই ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে এবং আগামীতে হামলার নীলনক্সা অনুযায়ী তৎপর রয়েছে। তবে গুলশান ট্র্যাজেডির পর তাদের এ অপকর্মে এক ধরনের বজ্রাঘাত হয়েছে। সরকার পূর্বেকার তুলনায় বহুগুণে তৎপর হয়েছে। সাধারণ ও সচেতন মহলে সচেতনতা বেড়েছে। ইসলাম সন্ত্রাসী কর্মকা- সমর্থন করে না অথচ এসব ধর্মান্ধগোষ্ঠী যা করছে তা সন্ত্রাসী কর্মকা-কেও হার মানাচ্ছে। আর এতে গোপনে এর শেকড় যেভাবে গভীরে প্রোথিত হচ্ছিল তাতে এ মুহূর্তে কিছুটা হলেও ধাক্কা লেগেছে। দেশে সংঘটিত টার্গেট কিলিংগুলো যে বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয় তা এর মধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে। সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও আর সেভাবে বলছেন না। বিশেষ করে সর্বশেষ রাজধানীর গুলশান হত্যাকা-ের পর এ ধরনের ঘটনাগুলোকে আর হাল্কাভাবে দেখার সুযোগ নেই। আইএস থাক বা না থাক, দেশে জঙ্গী যে আছে তা আর লুকোছাপার বিষয় নয়। কিন্তু যে প্রশ্নটি ঘুরপাক খাচ্ছে তা হলোÑ এটা কি আদৌ ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলন? কিছু বিদেশী নাগরিক আর নিরীহ মানুষ হত্যা করে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে এমনটি মনে করছেন না কেউ। তবে ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্ন না হলেও হত্যাকারীরা যে জনবিচ্ছিন্ন তা এর মধ্যেই প্রমাণ হয়ে গেছে। গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে পরিচালিত যৌথবাহিনীর কমান্ডো অভিযানে নিহত জঙ্গীদের লাশ গ্রহণ করতে আসেনি তাদের পরিবারের সদস্যরা। তাদের জানাজা পড়তে দাঁড়ায়নি সাধারণ মানুষ। শুধু তাই নয়, সমাজ আর রাষ্ট্রের কাছে বিব্রত হয়েছে বিপথগামী সন্তানের অভিভাবকরা। তাদের কেউ কেউ জাতির কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন ব্যর্থ পিতামাতা হিসেবে। নিজের আদরের সন্তানের প্রতি বাবা-মায়ের এমন নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ পেতে পারে তা কল্পনাতীত। বাস্তবে তা-ই হয়েছে। এরপরও হঠাৎ করে কেনই বা এহেন জঙ্গী তৎপরতা তা নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন, নানা বিশ্লেষণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষণ মহল মনে করছেন, জঙ্গীদের তৎপরতা মোটেও ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য নয় বরং এরা ইসলামের সাংঘাতিক ধরনের ক্ষতিই করে চলেছে। ইসলামকে তারা একটি সন্ত্রাসী ধর্ম হিসেবেই অন্য ধর্মাবলম্বীদের কাছে পরিচিত করাচ্ছে। ধর্মের নামে হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে এ গোষ্ঠীটি ধর্মকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে। শতকরা নব্বই ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশে নিরীহ মুসলিম নাগরিকদেরই হত্যা করে ইসলাম কায়েম কোনভাবেই সম্ভব হতে পারে না। ঈদ জামাতে হামলা ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকারীদের টার্গেট হতে পারে না বরং তাদের উদ্দেশ্য দেশকে অস্থিতিশীল করা ও সরকারকে বেকায়দায় ফেলা। তারা যা করছে, যে কায়দায় করছে তা কোন বিপ্লবের মধ্যেই পড়ে না। নিরীহ-নিরস্ত্র মানুষ হত্যা করে ক্ষমতা দেখানোর মধ্যে কোন বীরত্ব নেই, এটা কোন বিপ্লবই নয়। গুলশানে কিছু বিদেশীকে হত্যা করলে দেশে ইসলামিক শাসন কায়েম হয়ে যাবে এমন বিশ্বাস করার কোন যৌক্তিক কারণ নেই। মূল উদ্দেশ্য ছিল বিদেশী হত্যা করে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় বড় ধরনের কাভারেজ পাওয়া, যা তারা পেয়েছে। হত্যাকা-ের পর যথারীতি দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গী সংগঠন ইসলামিক এস্টেট অব ইরাক এ্যান্ড সিরিয়া (আইসিস)। ইরাক ও সিরিয়ার এ সংগঠনের অস্তিত্ব বাংলাদেশে নেই বলে এখনও জোরালোভাবে বলছে সরকার। যেহেতু সংগঠনটি ওই অঞ্চলের সেহেতু বাংলাদেশে এর শাখা থাকার কথাও নয়। তবে তাদের সঙ্গে দেশীয় জঙ্গীগোষ্ঠীর যোগাযোগ যে রয়েছে তা এখন অনেকটাই স্পষ্ট। বিদেশীরাও তা-ই বলছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ সফরে আসা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়াল আন্তর্জাতিক যোগাযোগ থাকার বিষয়ে মত প্রকাশ করে জঙ্গী দমনে বাংলাদেশ সরকারকে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন। বাংলাদেশে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের পূর্বে বিএনপি-জামায়াত ও জাতীয় পার্টি তথা ডানপন্থী ভাবধারার দলগুলো ক্ষমতায় ছিল। তখন যে ইসলামিক শাসন কায়েম ছিল তা নয় বরং পর্যায়ক্রমে দেশে ও সমাজে ইসলামী অনুশাসন বেড়েছে। উগ্রবাদীরা আগে নিশ্চুপ থাকলেও হঠাৎ করে কেনই বা হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠল তা অনেক প্রশ্নের উদ্রেক করে। হতে পারে আন্তর্জাতিক বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের প্রেক্ষাপট এখন ভিন্ন। কিন্তু তারপরও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটকে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মেলাতে একমত নন বোদ্ধা মহল। তারা মনে করছেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের পদক্ষেপই উগ্রবাদীদের ক্ষেপিয়ে তুলেছে। তাছাড়া দেশে একযোগে যত উন্নয়ন প্রকল্প এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তার সব বাস্তবায়িত হলে আগামীতে এ সরকারের জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে যেতে পারে। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখে বিরোধীরা যেনতেনভাবে বর্তমান সরকারকে হটাতে চায়। নাশকতার বর্তমান তৎপরতাকে সরকারবিরোধিতা থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেখার যুক্তি নেই বলে মনে করেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকগণ। এর শুরুটা হয়েছিল গণজাগরণ মঞ্চের বিরুদ্ধে উগ্র ধার্মিকদের উত্থানের মধ্য দিয়ে। যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় না হওয়ায় তরুণ প্রজন্মের আহ্বানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাড়া দেয় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সাধারণ মানুষ। সৃষ্টি হয় গণজাগরণ মঞ্চ, যার ঢেউ আছড়ে পড়ে সারাদেশে। শাহবাগে জড়ো হয়ে একটানা অবস্থান করেছিল লাখো জনতা। তাদের শুধু একটাই দাবি ছিল, যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ সাজা প্রদান করতে হবে। আর তখনই পাল্টা হিসেবে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে কওমী মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এ সংগঠনটি আগেও ছিল। কিন্তু যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবিতে আন্দোলনকারীদের রুখতেই তেলে বেগুনে জ্বলে উঠল হেফাজত। আসল উদ্দেশ্য তাদের আচমকা উত্থানেই পরিষ্কার হয়ে যায়। বিএনপি-জামায়াত তখন তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল। বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া তার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নির্দেশ দিয়েছিলেন হেফাজতের কর্মসূচীতে সহযোগিতা দিতে। এতেই পরিষ্কার যে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ঠেকানো এবং সরকারকে উৎখাত এ দুটি ইস্যু তখন এক হয়ে গিয়েছিল। এখনও বিএনপি মুখে উগ্রবাদী তা-বের বিরুদ্ধে কথা বললেও স্বাধীনতাবিরোধী ও মৌলবাদীদের ত্যাগ করেনি। গুলশান ও শোলাকিয়ায় এমন পৈশাচিক ঘটনার পরও নিন্দা জ্ঞাপন করে কোন বিবৃতি দেয়নি জামায়াতে ইসলামী ও সরকারবিরোধী মৌলবাদী দলগুলো। ফলে এ ধরনের হত্যাযজ্ঞে তারা অসন্তুষ্ট নয় বলেই ধারণা করা হচ্ছে।