ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১৯ আশ্বিন ১৪২৯

গৃহিনীর রোজার ব্যস্ততা সাবাহ্ শবনম

প্রকাশিত: ০৬:২৬, ৩০ মে ২০১৬

গৃহিনীর রোজার ব্যস্ততা সাবাহ্ শবনম

রোজায় গৃহিণীদের একটু বেশি ব্যস্ত থাকতে হয় রান্নাঘর নিয়ে। ইফতার ও সেহরির জন্য আমাদের প্রয়োজন একটু বাড়তি খাবারের। পরিবারের ছোট বড় সবাই যখন রোজা রাখে তখন সবার কথা মাথায় রেখে নানা ধরনের খাবার তৈরি করে থাকেন গৃহিণীরা। তাই খাবার বানাতে চাইলে কিছু সুযোগ-সুবিধা হাতের কাছে থাকা প্রয়োজন। যেমন রোজা শুরু হবার আগেই রোজার কেনাকাটা শেষ করে ফেলুন। ইফতারের জন্য ছোলা-মটর-কাবুলীচানা, খাবার সোডা, তেল, চিনি, নুন, গুঁড়া মশলা ও গরম মশলা, ভাজা ধনে জিরার গুঁড়া, শুকনো মরিচ টেলে গুঁড়া, বীট নুন, সয়াসস, ফিশ সস, সিরকা, আটা, ময়দা, ডাল, বেসন, মুড়ি, চিড়া প্রভৃতি যার যা দরকার। পেঁয়াজ, রসুন, আদা সপ্তাহ একদিন বেশ খানিকটা বেটে বা পেস্ট বানিয়ে প্লাস্টিক কন্টেনারে করে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। যাদের ডিপ ফ্রিজে রাখার ব্যবস্থা নেই তারা বাটা মশলা সামান্য তেল ও নুন দিয়ে ভেজে রাখুন। মশলা ৪/৫ দিন পর্যন্ত ভাল থাকবে। ডাল-ছোলা বা মটর রাতে ঘুমাতে যাবার আগেই ভিজিয়ে দিন। মটর বা কাবুলী ছোলা হলে পানিতে সামান্য খাবার সোডা মিশিয়ে দিন। এতে ছোলা বা মটর তাড়াতাড়ি নরম হবে। রান্নাঘরের তাক শেলফ বা কিচেন ঢাবিনেট পরিষ্কার করে ব্রাউন কোপার বা প্লাস্টিক শীট বিছিয়ে নিন। পিঁপড়া ও পোকামাকড় যেন না আসতে পারে তাই নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন। চাপাতা-চিনি-কফি-গুঁড়া মশলা প্রভৃতি নানা ধরনের কোটার গায়ে লেবেল এঁটে রাখুন। কালোজিরা-মেথি-মৌরি-শাহীজিরা, জয়ফল প্রভৃতি মশলা ছোট ছোট কোটায় রেখে গায়ে লিখে রাখুন। সময়মতো হাতের কাছে পেয়ে যাবেন। আটা ময়দা সুজির পাত্র মাঝে মাঝে ধুয়ে শুকিয়ে নিন। এতে খাবারের জিনিসগুলো ভাল থাকবে। চাল বেছে রাখুন। মুড়ি, চিড়া, খই প্রভৃতি খোলা অবস্থায় না রেখে যার যার পাত্রে রেখে মুখ বন্ধ করে রাখুন। ইফতারের জন্য আমরা প্রতিদিন কিছু খবার তেলে ভেজে থাকি। এই ভাজা বা পোড়া তেল প্রতিদিন তেলে ভাজার জন্য ব্যবহার না করে পর পর ২ দিন ভাজার পর এই তেল রান্নার কাজে ব্যবহার করুন। বাজারের কেনা ইফতারি যতদূর সম্ভব বর্জন করুন। পরিবারের সবার চাহিদা অনুযায়ী যতটুকু সম্ভব ঘরেই খাবার তৈরি করুন। এতে সবাই তৃপ্তিসহকারে ইফতার করতে পারবেন।