বুধবার ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৩ জুন ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

কাপ্তাই জলবিদ্যুত কেন্দ্রে পানি সঙ্কট

  • বিদ্যুত উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে

নিজস্ব সংবাদদাতা, রাঙ্গামাটি, ১৮ মে ॥ কাপ্তাই জলবিদ্যুত কেন্দ্রে ভায়াবহ পানি সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে। আর মাত্র ২ ফুট পানির স্তর নেমে গেলে কাপ্তাই জলবিদ্যুত কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাবে। কাপ্তাই বেসিং এলাকায় সহসা বৃষ্টিপাত না হলে পানির অভাবে বিদ্যুত উৎপাদন স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। দীর্ঘ খরার কারণে এ সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে। ষাটের দশকে কাপ্তাই জলবিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপনের পর ৮০ দশকে বিদ্যুত কেন্দ্র একবার এরূপ পানি সঙ্কটে পড়েছিল। অনাবৃষ্টির কারণে এবারও অনুরূপ পানি সঙ্কটে পড়েছে।

কাপ্তাই জলবিদ্যুত কেন্দ্রে বিদ্যুত উৎপাদনের ৫টি ইউনিটে প্রতি সেকেন্ডে বর্ষার সময় ২৪২ মেগাওয়াট করে বিদ্যুত উৎপাদন হয়। শুষ্ক মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদ এলাকায় পানি কমে গেলে ধীরে ধীরে বিদ্যুত উৎপাদন কমে যায়। কাপ্তাই বাঁধে পানির উচ্চতা রয়েছে সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ১০৯ এমএসএল। পানির এই স্তর ৬৬ এমএসএলে নেমে এলে কাপ্তাই জলবিদ্যুত কেন্দের ৫টি ইউনিটের মধ্যে কোনটি আর সচল থাকে না, ফলে আর বিদ্যুত উৎপাদন হয় না।

এ বিষয়ে কাপ্তাই জলবিদ্যুত কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মোঃ আবদুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে বিদ্যুত উৎপাদনের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আর মাত্র ২ ফুট পানির স্তর কমে গেলে কাপ্তাই জলবিদ্যুত কেন্দ্রের বিদ্যুত উৎপাদন স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। বর্তমানে এই কেন্দ্রে মাত্র ৭৯ মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন হচ্ছে। এ সময়ে কাপ্তাই বাঁধে পানির স্তর থাকার কথা ৭৯ এমএসএল কিন্তু বর্তমানে (মঙ্গলবার সকাল) পর্যন্ত বাঁধে পানির স্তর রয়েছে মাত্র ৭০.৫৫ এমএসএল, যা ৬৮ এমএসএলে নেমে এলে বিদ্যুত ইউনিটগুলো আর সচল রাখা যাবে না বলে জানান। চলতি বছর বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টির কারণে কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি স্পিলওয়ে দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ১ লাখ ৬৮ হাজার কিউসেক পানি ছেড়ে দিতে হয়েছে। বর্তমানে আবার খরার কারণে হ্রদ শুকিয়ে খা খা করছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে কাপ্তাই হ্রদের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে বলে পরিবেশবিদদের ধারণা। কাপ্তাই হ্রদকে ভয়াবহ বিপর্যয় থেকে বাঁচানোর জন্য হ্রদে ড্রেজিং করা একান্ত প্রয়োজন বলে পরিবেশবিদরা মনে করেন।

খুলনা মেডিক্যালকে বিশ্ববিদ্যালয় দাবিতে মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা অফিস ॥ খুলনা মেডিক্যাল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণা, মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালকে এক হাজার বেডে উন্নীতকরণসহ প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ এবং খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম দ্রুত চালুর দাবিতে বুধবার সকালে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি এ কর্মসূচীর আয়োজন করে। বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামানের সভাপতিত্বে মহাসচিব শেখ মোশাররফ হোসেনের পরিচালনায় মানববন্ধনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বহু মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় বক্তব্য রাখেনÑ বিএমএ খুলনার সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ, খুলনা মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার অধ্যাপক আলমগীর হোসেন, উন্নয়ন কমিটির শাহীন জামাল পন, শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, সিপিবি নেতা মিজানুর রহমান বাবু প্রমুখ।

শীর্ষ সংবাদ:
অতি ঝুঁকিপূর্ণ ৩৬ জেলা ॥ করোনায় ১৩ জেলা ঝুঁকিপূর্ণ, কম ১৫ জেলা         এ দিন থাকবে না সুদিন আসবে         করোনায় মৃত্যু সাত শ’ ও আক্রান্ত ৫২ হাজার ছাড়িয়েছে         প্রত্যন্ত কোন এলাকা দখলে নিয়ে ‘মুসলিম ভিলেজ’ গড়তে চায় আনসার         যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ দমনে সেনা মোতায়েনের হুমকি ট্রাম্পের         টেস্টের সীমাবদ্ধতা- করোনা নিয়ন্ত্রণে বড় চ্যালেঞ্জ         ৪৭০ জনের মানব পাচার সিন্ডিকেট         বিশ্বব্যাপী বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, কমছে মৃত্যু         করোনার প্রথম ওষুধ প্রস্তুত দাবি রাশিয়ার         দেশের ৪ কোটি তামাক ব্যবহারকারী ভয়াবহ করোনা ঝুঁকিতে         আবাদি জমি পতিত রাখা যাবে না, উদ্যোগ নিচ্ছে মন্ত্রণালয়         বাসের ভাড়ায় ঢাকা চট্টগ্রামে যাত্রী টানছে ইউএস বাংলা         কারাগারের কর্মকর্তা কর্মচারীরা আতঙ্কে         নৌ ও সড়কপথের স্বাস্থ্যবিধি নামকাওয়াস্তে         করোনা উপসর্গ নিয়ে প্রকৌশলী ও ইমামসহ মৃত্যু ১৮         আগামী শিক্ষাবর্ষে নতুন কারিকুলামে পাঠদান শুরু হচ্ছে না         ১২৫৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ         সব জেলা হাসপাতালে আইসিইউ স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর         দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৯১১         প্রথমবারের মত ভার্চুয়াল একনেকে ১৬২৭৬ কোটি খরচে ১০ প্রকল্প অনুমোদন        
//--BID Records