সোমবার ১৯ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৩ আগস্ট ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

গ্রামীণ ব্যাংক সংস্কার করা যাচ্ছে না ড. ইউনূসের কারণে

  • অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ড. ইউনূসের কারণে গ্রামীণ ব্যাংক সংস্কার করা যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। দেশের স্বার্থে এই ব্যাংকটির উন্নয়ন প্রয়োজন কিন্তু তার জন্য করা যাচ্ছে না। পুঁজিবাজার প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, গত ২০১০ সালে শেয়ার বাজারে বড় ধরনের ভূমিকম্পের পর পাঁচ বছর ধরে সংস্কার করা হয়েছে। ফাটকাবাজার থেকে শেয়ারবাজার মানুষ হয়েছে। এখন পুঁজিবাজার বিনিয়োগ মার্কেটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের বীমা খাতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এটি সংস্কারে বীমা উন্নয়ন কর্র্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) গঠন করেছে সরকার। মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এজন্য নতুন নতুন কৌশল গ্রহণ করা হচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন কৌশল ও পদক্ষেপের ফলে সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধ হবে।

সোমবার সচিবালয়ে ব্যাংক, বীমা, শেয়ারবাজার ও মানিলন্ডারিং সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে ২০১৫-১৭ সালের জন্য প্রণীত জাতীয় কৌশলপত্র সংক্রান্ত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র ঋণের বিষয়টি বহু পুরনো। বঙ্গবন্ধু দেশে প্রথম ক্ষুদ্র ঋণের সম্প্রসারণ চেয়েছিলেন। এছাড়া এটি নিয়ে কথা বলতে গেলে চলে আসে কুমিল্লার আকতার হামিদ খানের নাম। এছাড়া এম এন খান, আজিজ ও রিজভী সাহেবের নামের সঙ্গেও ক্ষুদ্র ঋণের বিষয়টি জড়িত। তবে এটাও সত্য ক্ষুদ্র ঋণের সঙ্গে ড. ইউনূস সাহেবের নামটিও চলে আসে। যদিও সরকারের সহযোগিতায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো একটা সময় তিনি নিজেই ইনস্টিটিউট বনে যান। এটি নিয়েই তাদের সঙ্গে আমাদের বিরোধ। গ্রামীণ ব্যাংকের উন্নয়ন করা প্রয়োজন। কিন্তু তা সম্ভব হচ্ছে না। ড. ইউনূসের সমর্থকরা বিভিন্ন সময় মামলা করে এ উন্নয়ন ঝুলিয়ে রেখেছেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আর্থিক খাত সুশৃঙ্খল এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ব্যাংক, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা (এসইসি) আইআরডিএ এবং মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি একটি চমৎকার টিম। এসইসি’র বিভিন্ন সংস্কারমূলক কার্যক্রম গ্রহণের ফলে শেয়ার বাজার এখন মানুষ হয়েছে। আগে এখানে ফাটকাবাজি চলতো। এটি একটি ফটকাকারবারি ছিল। কিন্তু এখন পুঁজিবাজার সেই অবস্থায় নেই। এখন এটি একটি বিনিয়োগ মার্কেট হয়েছে। তিনি বলেন, ব্যবসায় লাভ-লোকসান থাকবেই। শেয়ারের দাম পড়লে হৈচৈ পড়ে যায়। দাম বাড়লে ভাল। এটি কেন হয়?

মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে তিনি বলেন, মানিলন্ডারিং আইন আগের সরকারের মেয়াদে হয়েছে। ইতোমধ্যে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এ সংক্রান্ত প্রতিরোধ বিষয়ক আন্তর্জাতিক মানদ- নির্ধারণকারী সংস্থা ফাইন্যান্সিয়াল এ্যাকশন টাস্কফোর্স এফএটিএফ বাংলাদেশকে সতর্ক বার্তা দেয়। তারপর থেকেই এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, গত কয়েক বছরে আমরা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে যেসব বিধি-বিধান তৈরি করেছি, সেই প্রেক্ষিতেই এফএটিএফের সভায় বাংলাদেশের ব্যাপারে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এদিকে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে জানানো হয়, অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা এবং নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গঠিত জাতীয় সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গবর্নর বিএফআইইউ’র প্রধানের নেতৃত্বে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিনিধিরা রয়েছেন।

শীর্ষ সংবাদ:
৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুরু হচ্ছে মিড-ডে মিল কার্যক্রম         স্বাস্থ্যবিধি মেনে জীবন-জীবিকাকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী         বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু         মুজিববর্ষে সারাদেশে শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা হবে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী         রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধের নির্দেশ         জামালপুরে নৌকাডুবিতে দুই শিশুসহ তিন জনের মৃত্যু         গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় ৩০ জনের মৃত্যু         চলাচল নিয়ন্ত্রণ থাকবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত         ১৫ আগস্টের ষড়যন্ত্রকারীদের অপচেষ্টা আজও চলমান ॥ কাদের         বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ হাজার মানুষকে সহায়তা দেবে ইইউ         সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ         বাস-পিকআপ সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৩ জনের        
//--BID Records