ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১

ভূমিহীন মুক্ত জেলা

বাগেরহাটে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেলেন ৮১২ ভূমিহীন পরিবার

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট

প্রকাশিত: ২১:২৫, ১১ জুন ২০২৪

বাগেরহাটে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেলেন ৮১২ ভূমিহীন পরিবার

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর।

মুজিবর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’ প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের অন্যান্য জেলার মত এবার বাগেরহাটে আরও ৮১২ ভূমি ও গৃহহীন পরিবার ২ শতাংশ জমিসহ ঘর হস্থান্তর করা হয়। মঙ্গলবার (১১ জুন) জুম অনলাইনে উদ্বোধনের পর এসব উপকারভোগীর কাছে ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন জেলা প্রশাসক মোহাঃ খালিদ হোসেন। 

৫ম পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে জমি ও ঘর প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে জেলার সংশ্লিষ্ট উপজেলার বর্ণাঢ্য অনুষ্টনের আয়োজন করা হয়। এসময়, জনপ্রতিনিধি, নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, উপকার ভোগী, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক মোহা. খালিদ হোসেন বলেন, দুই রুমের পাকা টিনসেড প্রতিটি ঘর নির্মাণে খরচ হয়েছে ৩ লাখ ৪ হাজার ৫০০ টাকা। এবার ৫ম পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে বাগেরহাটের রামপাল বাদে ৮ টি উপজেলায় ৮১২ পরিবারের মাঝে ঘরের দলিল ও চাবি তুলে দেওয়া হয়। এরমধ্যে বাগেরহাট সদর ১০৭, কচুয়া ১০১, চিতলমারী ৭৯, ফকিরহাট ১০৭, মোল্লাহাট ৮, মোরেলগঞ্জ ৫০, শরনখোলা ১৬০ এবং মোংলা উপজেলায় ২০০ পরিবার রয়েছে। এনিয়ে বাগেরহাট জেলায় মোট ৫ হাজার ২৫ টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে ঘর হস্তান্তর করা হল।

সরকারি সূত্র মতে, এই পর্যায়ে বাগেরহাট-সহ ঢাকা, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, নেত্রকোনা, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর নোয়াখালী, কুমিল্লা, ফেনী, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, নীলফামারী, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, সাতক্ষীরা, যশোর, খুলনা, নড়াইল, , বরগুনা, বরিশাল, হবিগঞ্জও সুনামগঞ্জ-জেলার সব উপজেলাসহ মোট ৭০টি উপজেলা গৃহহীন-ভূমিহীনমুক্ত হয়েছে। আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের অধীনে পঞ্চম পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ভূমিহীন পরিবার এসব ঘর-জমি পেয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এ বি এম সরওয়ার-ই-আলম জানান, এখন পর্যন্ত আশ্রয়ণ প্রকল্প ও অন্যান্য কার্যক্রমে ঘর দেওয়ার মাধ্যমে ৪৩ লাখ ৪০ হাজার ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষ পুনর্বাসিত হয়েছে। এর মধ্যে শুধু আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে পুনর্বাসিত হয়েছে ২৯ লাখ ১০ হাজার ২৬৫ জন। শুধু মুজিব বর্ষের বিশেষ কর্মসূচির দ্বারা পুনর্বাসিত হয়েছে ১৩ লাখ ৩০ হাজার ৬০ জন ছিন্নমূল। তাদের জন্য বানানো হয়েছে ২ লাখ ৬৬ হাজার ১২টি ঘর।

তিনি আরও জানান, ঘর তৈরির জন্য সারা দেশে ৬ হাজার ৯৪৫ একর খাসজমি উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক স্থানীয় বাজারমূল্য ৩ হাজার ৮৮৩ কোটি টাকা।

 

এসআর

×