ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২০ মাঘ ১৪২৯

monarchmart
monarchmart

মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিন-চতুর্থাংশ কাজ সম্পন্ন

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার

প্রকাশিত: ২৩:৫২, ৩ ডিসেম্বর ২০২২

মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিন-চতুর্থাংশ কাজ সম্পন্ন

মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের তিন-চতুর্থাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে

মহেশখালী দ্বীপ থেকেই প্রতিদিন ১২শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সংযুক্ত হবে মূল গ্রিডে। মাতারবাড়িতে উৎপাদিত এই বিদ্যুৎ দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখবে। ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ প্রকল্পের তিন-চতুর্থাংশ কাজ সম্পন্ন হয়ে গেছে।
সূত্রে জানা গেছে, মাতারবাড়ি ও ধলঘাটা ইউনিয়নের প্রায় এক হাজার ৪১৪ একর জমিতে এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির এই কেন্দ্রে কম পরিমাণ কয়লার প্রয়োজন হবে এবং কম কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গত হবে। ফলে বায়ু দূষণসহ পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব একেবারেই কম পড়বে। এ ছাড়া নাইট্রাস অক্সাইডের পরিমাণ রোধ করার জন্য লোরেট বার্নার স্থাপন করা হবে। যেখানে সাব-বিটুমিনাস কয়লা ব্যবহার করা হবে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশিদ বলেন, এই প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে পরিচয় করিয়ে দেবে এই প্রকল্প। আমরা প্রত্যাশা করছি, সময়মতো কাজটি শেষ হবে। ২০১৭ সালের আগস্টে মূল প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। কয়লাবিদ্যুৎ ও গভীর সমুদ্র বন্দরের মোট আয়তন এক দশমিক ৬৮ একর। মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫১ হাজার ৮শ’ ৫৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। শুরুতে মূল প্রকল্পের ব্যয় ছিল ৩৫ হাজার ৯৮৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। পরে প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে প্রায়  ৫১,৮৫৪.৮৮ কোটি টাকা হয়েছে।
জানা যায়, মাতারবাড়ি ৬০০ মেগাওয়াট আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড পাওয়ার প্রজেক্ট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণকাজ প্রায় শেষপর্যায়ে। বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে মহেশখালীর মাতারবাড়িতে নির্মাণাধীন প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার ৫শ’ জন এই বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সার্বিক অবকাঠামো নির্মাণের কাজে যুক্ত রয়েছেন। পরিবেশগতভাবে কোনো প্রকার ক্ষতির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিদ্যুৎ বিভাগের উদ্যোগে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। এর নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিবিএল)। সিপিজিসিবিএলের দায়িত্বরতরা বলছেন, মূলত এটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। আগামী ২০২৪ সালের জানুয়ারি ও জুলাই মাসে কেন্দ্রের আলাদা দুটি ইউনিট বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাবে।

monarchmart
monarchmart