ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ৯ আশ্বিন ১৪২৯

অবৈধ সম্পর্কের জের

পার্লার ব্যবসায়ীকে স্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ 

সংবাদদাতা, মঠবাড়িয়া, পিরোজপুর

প্রকাশিত: ১৭:৪৭, ৯ আগস্ট ২০২২

পার্লার ব্যবসায়ীকে স্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ 

গ্রেফতারকৃত আসামী

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় স্বামীর সাথে ভাইয়ের স্ত্রীর (ভাবি) সাথে পরকিয়ার অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় স্বামী ও তার প্রেমিকা  (ভাবি) মিলে শাম্মী আক্তার (৪০) নামে এক বিউটিপার্লার ব্যবসায়ীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স থেকে শাম্মি আক্তারের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ । 
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সাইম আলম (১৭) বাদী হয়ে আজ মঙ্গলবার সকালে মঠবাড়িয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে মায়ের দ্বিতীয় স্বামী শেখ সিরাজুস সালেকীন (৩৩) ও আপন মামী শিক্ষিকা আয়শা খানম (৫০)কে পুলিশ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। 

গ্রেফতারকৃত স্বামী শেখ সিরাজুস সালেকীন লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার দরবেশপুর গ্রামের শেখ মোহম্মদ আলীর ছেলে এবং আয়শা খানম শহরের কে.এম লতীফ ইনস্টিটিউশনের সিনিয়র শিক্ষিকা ও পার্শবর্তী শরণখোলা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের এমাদুল হকের স্ত্রী।

মামলা সূত্রে যানাগেছে, গতকাল ছিল পার্লার ব্যবসায়ী শাম্মি ও সালেকিনের বিবাহ বার্ষিকী। এ উপলক্ষে স্বামী সালেকিন একদিন আগে ঢাকা থেকে মঠবাড়িয়া আসেন এবং বিবাহ বার্ষিকী অনুষ্ঠানের জন্য রবিবার (৭ আগস্ট) রাতে স্বামী সালেকিন ও ভাবি আয়শা খানম তাদের থানাপড়ার ভাড়াটিয়া বাসায় অবস্থান করছিলেন। রাতের খাবার শেষে শাম্মী স্বামিকে নিয়ে নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। 

পাশের আলাদা রুমে ভাবি আয়শা খানম ঘুমান। রাত তিনটের দিকে শাম্মী ঘুম থেকে জেগে স্বামিকে বিছানায় দেখতে না পেয়ে রুম থেকে বের হয়ে ভাবির রুমে ঢুকে দুজনকে অনৈতিক অবস্থায় দেখতে পায়। এনিয়ে গালাগাল করলে স্বামি ও ভাবি দুজনে মিয়ে শাম্মির মুখ চেপে ধরে।  একপর্যায় দুজনে মিলে শাম্মিকে বালিশ দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুহা. নূরুল ইসলাম বাদল জানান, ঘটনার পরপরই সিরাজুস সালেকীন ও আয়শা খানমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আনা হয়। পরে হত্যা মামলা দায়েরের পর তাদের দুজনকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়।  

 
 

এমএস