৬ এপ্রিল ২০২০, ২৩ চৈত্র ১৪২৬, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 

আর ৩১ দিন

প্রকাশিত : ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মদিনের জন্য বাকি আর ৩১ দিন। এরই মাঝে আগামী ১৭ মার্চ থেকে পরের বছরের ১৭ মার্চ পর্যন্ত সময়কে মুজিববর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার।

তারও অনেক আগে থেকে শুরু হয়ে গেছে মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানমালা। এবারের অমর একুশে গ্রন্থমেলার দ্বিতীয় দিন থেকে প্রতিদিনই চলছে বঙ্গবন্ধুর ওপর লেখা বইয়ের আলোচনা। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে হয় সুব্রত বড়ুয়া রচিত ‘বঙ্গবন্ধুর জীবনকথা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুজন বড়ুয়া। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন লুৎফর রহমান রিটন ও মনি হায়দার। লেখকের বক্তব্য প্রদান করেন সুব্রত বড়ুয়া। প্রাবন্ধিক বলেন, আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বঙ্গবন্ধুর নীতি আদর্শ দর্শন জানা এবং চর্চা করা। নতুন প্রজন্মের নবীন-তরুণদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে যত আগ্রহ সৃষ্টি করা যাবে, তারা ততই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সোনার বাংলা গড়ার পক্ষে এটা হতে পারে অত্যন্ত জরুরউ উদ্যোগ। সুব্রত বড়ুয়া রচিত ‘বঙ্গবন্ধুর জীবনকথা’ গ্রন্থখানি কিছুটা হলেও আমাদের এগিয়ে দেবে সেই লক্ষ্যে। উক্তি-ভাষ্যে, আলোচনায় বঙ্গবন্ধুকে এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে বিশ্বনেতার মানদ-ে।

অন্য আলোচকরা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক বিশাল সমুদ্রের মতো যিনি তাঁর চেতনায় ধারণ করেছেন বাংলা, বাঙালী ও বাংলাদেশ। ‘বঙ্গবন্ধুর জীবনকথা’ গ্রন্থের সংক্ষিপ্ত পরিসরে লেখক সুব্রত বড়ুয়া বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য ও সংগ্রামী জীবনকে ইতিহাস ও তথ্যের ভিত্তিতে তুলে আনার প্রয়াস পেয়েছেন। এক কথায় বলা যায় সাবলীল ভাষায় লেখা বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম বিষয়ক এটি এক অনন্য গ্রন্থ।

গ্রন্থের লেখক বলেন, গ্রন্থটি লেখার পেছনে যে দুটি বিষয় আমার প্রেরণা হয়ে কাজ করেছে তা হলো বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। এ গ্রন্থে আমি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী বঙ্গবন্ধুর জীবনকে ইতিহাস, সংগ্রাম ও কর্মের প্রেক্ষাপটে তুলে আনার চেষ্টা করেছি।

সভাপতির বক্তব্যে ড. মোঃ আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, সুব্রত বড়ুয়ার লিখিত এ গ্রন্থ অত্যন্ত তথ্যনিষ্ঠ এবং বিশ্লেষণ-ঋদ্ধ। আমাদের এবং নতুন প্রজন্মের জন্য প্রয়োজনীয় একটি গ্রন্থ। বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু একই সূত্রে গাঁথা। অতীতে বহুবার বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে তাঁর নাম মুছে দেয়ার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে কিন্তু তা সফল হয়নি। কারণ, বাংলার প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে বঙ্গবন্ধুর চিরকালের জন্য স্থান করে নিয়েছেন।

প্রকাশিত : ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০

১৪/০২/২০২০ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



শীর্ষ সংবাদ: