মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৫ আশ্বিন ১৪২৪, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

পশ্চিম তীরে ১৭ হাজার বাড়ি ভাঙবে ইসরাইল

প্রকাশিত : ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • অধিকাংশই ফিলিস্তিনী মালিকানাধীন

ইসরাইল প্রায় ১৭ হাজার কাঠামো ভেঙে ফেলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যেগুলোর অধিকাংশ পূর্ণ ইসরাইলী সামরিক ও বেসামরিক শাসনাধীন বেআইনীভাবে অধিকৃত পশ্চিম তীরের ব্যক্তি মালিকানাধীন ফিলিস্তিনী জমিতে অবস্থিত। জাতিসংঘের এক রিপোর্টে একথা বলা হয়। ১৯৮৮ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে পশ্চিম তীরের শাসন পরিচালন সংস্থা ইসরাইলের বেসামরিক প্রশাসন ১৪ হাজার কাঠামো ভেঙে ফেলার আদেশ জারি করে। এর মধ্যে ১১ সহস্রাধিক কাঠামো এখনও ভাঙার বাকি আছে এবং এরিয়া সিতে ফিলিস্তিনীদের মালিকানাধীন প্রায় ১৭ হাজার কাঠামো ভাঙা হতে পারে, যার মধ্যে ঘরবাড়ি, চালাঘর এবং পশু আশ্রয়কেন্দ্রও আছে। মানবিক বিষয়াদি সমন্বয় সংক্রান্ত জাতিসংঘ দফতর (ওসিএইচএ) এর রিপোর্টে একথা বলা হয়। খবর গার্ডিয়ানের।

ইসরাইলী মানবাধিকার গোষ্ঠী ব’সেলেম অনুযায়ী অঞ্চল সিতে ইসরাইল নিরাপত্তা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে এবং ‘অঞ্চলটিকে নিজস্ব প্রয়োজন পূরণের কাজে ব্যবহারযোগ্য’ বলে বিবেচনা করে থাকে। প্রায় সাড়ে ৪ হাজার ভেঙ্গে ফেলার আদেশ ফিলিস্তিনী বেদুইনদের ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো মনে করে পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি সম্প্রসারণের সুযোগ করে দিতে তারা তাদের ভূমি থেকে উচ্ছেদের ইসরাইলী পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইনে যা অবৈধ। ইসরাইলী কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর রিপোর্ট থেকে এই পরিসংখ্যান নেয়া হয়েছে এবং এতে দেখা যায় যে, ফিলিস্তিনীদের বিরুদ্ধে ভেঙ্গে ফেলার আদেশের বিপরীতে মাত্র ৬ হাজার ৯৫০টি ভেঙ্গে ফেলার আদেশ ইহুদি বসতি এলাকার ভেতরের অবৈধ কাঠামোর বিরুদ্ধে জারি করা হয়েছে।

ইসরাইলী বেসামরিক প্রশাসনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ফিলিস্তিনীরা ২০১০ থেকে ২০১৪‘র মধ্যে এরিয়া সিতে নির্মাণ পারমিটের জন্য ২০২০টি আবেদন দাখিল করে। এর মধ্যে মাত্র ৩৩টি অর্থাৎ মাত্র ১.৫ শতাংশ অনুমোদন করা হয়। রিপোর্টে দেখা যায়, ইসরাইলী কর্তৃপক্ষ যে পরিকল্পনা ও অঞ্চলভিত্তিক পদ্ধতি প্রয়োগ করে এবং যে উপায়ে জমি বরাদ্দ করা হয় তাতে ‘এরিয়া সি’র বেশিরভাগ জমিতে ফিলিস্তিনীদের পক্ষে ‘পারমিট পাওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে।’

প্রকাশিত : ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫

০৮/০৯/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: