ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ১৯ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

নোবলেরে দশে থকেে

চেন্নাইয়ের অভিজ্ঞতা

দলেওয়ার হোসনে

প্রকাশিত: ২২:০৯, ২৩ মার্চ ২০২৩

চেন্নাইয়ের অভিজ্ঞতা

দলেওয়ার হোসনে

আমার সমস্যার শুরু ৬-৭ বছর আগে। মাথার মধ্যে ছাদ পেটার মতো শব্দ শুনি বিরামহীন। এই যন্ত্রণায় ঘুমাতেও পারি না। সুইডেনে যথারীতি চেকআপ এবং ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়েছি। অত্যধিক মানসিক চাপ, টেনশন ও স্ট্রেস, বয়সের জটিলতা ইত্যাদি এর কারণ। ফলে হতাশায় দিনাতিপাত। হঠাৎ একজনের কাছ থেকে টিপস পেলাম। এ রোগের চিকিৎসা আছে ফ্রান্স এবং জার্মানিতে। কিন্তু বেশ ব্যয়বহুল এবং তা সুইডেনের ইন্স্যুরেন্স কভার করে না। আরেকটি টিপস পেলাম ভুক্তভোগী একজনের স্বজনের কাছ থেকে।

তিনি জানালেন, এই রোগের সফল চিকিৎসা আছে ভারতে ভেলোরের ক্রিশ্চিয়ান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সিএমসিতে। খরচ সামান্য। সিদ্ধান্ত নিলাম, গিয়ে দেখি ফল পাই কি না। জানলাম, চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারতে যেতে হলে মেডিক্যাল ভিসার আবেদন করতে হয়। বলা আছে, ট্যুরিস্ট ভিসায় গিয়ে চিকিৎসা সেবা নেওয়া যাবে না। সঙ্গে কেউ গেলে তারও এটেনডেন্ট ভিসা লাগবে। স্থল কিংবা বিমান যে রুটে এবং যে বিমানবন্দর কিংবা সীমান্তবন্দর দিয়ে যাওয়া-আসা করবে, তার উল্লেখ করতে হবে এবং তা নিজের সুবিধা অনুযায়ী পরিবর্তন করা যাবে না। এই মেডিক্যাল ভিসা পেতে হাসপাতাল বা চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র বা ইনভাইটেশন লেটারও প্রয়োজন।
ইন্টারনেট থেকে সিএমসি হাসপাতালের নিউরোলজির এক ডাক্তারের ই-মেইলে যোগাযোগ করে আমন্ত্রণপত্র চাইলাম। তিনি পাঠিয়ে দিলেন। ভিসা পাওয়ার পর অ্যাপয়েনমেন্ট চাইলে হাসপাতালে যোগাযোগ করতে বললেন। কিন্তু টেলিফোনে যোগাযোগ করে হলাম গলদ ঘর্ম। পরে ঢাকায় গিয়ে এক আত্মীয়ের কাছ থেকে আরেকটি টিপস পেলাম।

চেন্নাই শহরের উপকণ্ঠ পেরুমবাক্কাম এলাকায় অল্প কিছুদিন আগে গড়ে ওঠা গ্লেনিগেলস গ্লোবাল হেলথ সিটির (Gleneagles Global Health City, Perumbakkam, Sholinganallur) খবর। স্থির করলাম, সেখানেই যাব। ঢাকা থেকে টেলিফোনে  হাসপাতালে যোগাযোগ করলাম। পেয়ে গেলাম এক বাঙালি কর্মচারী। দারুণ বিনয়ী আচরণ। বললেন। কোনো চিন্তা করবেন না স্যার, এয়ারপোর্ট থেকে আমরা আপনাকে পিক করব গাড়িতে। আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করব আপনাকে।

আপনার কোনো অসুবিধা হবে না। তার কথা শুনে একটু সন্দিহান হলাম। দালাল নাকি! সংশয় নিয়ে জিজ্ঞেস করলাম। আপনাকে কত দিতে হবে? শুনেই সে বলল- না স্যার, আপনাকে কিছুই দিতে হবে না। হাসপাতালের তরফ থেকেই আপনার সব ব্যবস্থা করা হবে। আরও অবাক হলাম। এমন সার্ভিসও আছে নাকি কোথাও? তারপরও সংশয় কাটেনি। আত্মীয়কে জানানোর পর বললেন, সবই ঠিক আছে। তিনি সেখানে কর্মরত মার্কেটিংয়ের দায়িত্বে থাকা এমবিএসহ কয়েকটি ডিগ্রিধারী, কলকাতার উচ্চশিক্ষিত ও পূর্ব পরিচিত, সদালাপী বাঙালি মহিলা পিংকী ম্যাডামের সঙ্গে আগেই কথা বলেছিলেন। তিনি জানিয়াছেনÑ কোনো সমস্যা নেই, চলে আসুন।
প্রস্তুতি নিলাম ভারতে যাওয়ার। স্টকহোমের ভারতীয় দূতাবাস থেকে ৮০ মার্কিন ডলার খরচে অনলাইনে ইলেকট্রনিক ভিসা নিলাম। ২০২২ সালের ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঢাকা থেকে চেন্নাইয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম ভারতীয় ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের বিমানে। টিকেটের দাম পড়ল ১৬ হাজার টাকা। ফেরার পথে ২৪ হাজার টাকা। আন্তর্জাতিক রুটের এই বিমানে যাত্রীদের জন্য পানিও সার্ভ করার কোনো ব্যবস্থা নেই।  চড়া মূল্যে খাবার কিনে খেতে হবে। এমনই গরিবি হাল এর।

অথচ দেশে সাড়ে তিন হাজার টাকার টিকিটে ঢাকা থেকে সৈয়দপুর অভ্যন্তরীণ রুটে ৪৫ মিনিটের ভ্রমণে বিমানে ফ্রেশ নাস্তা ও একটি পানির বোতল সার্ভ করা হয়। কি চমৎকার হার্দিক ও মোলায়েম মানবিক আতিথেয়তা। চেন্নাই এয়ারপোর্টে নেমে সিকিউরিটির এক কর্মচারীর কাছে জানতে চাইলাম- ব্যাগেজ ডেলিভারি কোন্দিকে? ইংরেজি-হিন্দি ভালো বোঝে না সে। সোজা উত্তর না দিয়ে  ভাঙ্গাচোরা দুই ভাষায় তার নানা অকারণ প্রশ্ন।

কোথা থেকে এসেছ, কোথায় যাবে, কেন এসেছ, কোথায় থাকবে, কিসের চিকিৎসা করাবে ইত্যাদি। বিরক্ত হয়ে বললাম, তোমার এত প্রশ্নের দরকার কী? সে ক্ষুব্ধ হয়ে একটা বাজে গালি দিয়ে প্রতিশোধ নিল। তার উদ্দেশ্য ছিল, দালালী সেবা দিয়ে কিছু কামিয়ে নেওয়া। এরকম দালালের অভাব নেই এখানে।
ইমিগ্রেশন পার হওয়ার সময় ঢাকা থেকে আগেই বুক করা হোটেলের নাম-ঠিকানা দিতে হলো। অবস্থানের নাম-ঠিকানা উল্লেখ না করলে ছাড়বে না। বহু বাংলাদেশী যাত্রীকে দেখলাম, অবস্থানের নাম, ঠিকানা না জানার কারণে বিপাকে পড়েছে। কয়েকজনের অসহায় অবস্থা দেখে তাদেরকে আমার হোটেলের নাম-ঠিকানা দিয়ে উদ্ধার করলাম। এয়ারপোর্ট থেকে বেরুনো মাত্রই পেয়ে গেলাম হাসপাতালের লোক। গাড়ি নিয়ে অপেক্ষা করছে। এয়ারপোর্ট থেকে ঘণ্টা খানিকের মধ্যে পৌঁছে গেলাম হোটেল রুমে। সুন্দর, ছিমছাম, পরিচ্ছন্ন অভিজাত হোটেল। প্রতিদিনের রুম ভাড়া সাড়ে তিন হাজার ভারতীয় রুপি।

সেখানে লাগেজ রেখে ছুটলাম হাসপাতালে একই গাড়িতে। চল্লিশ মিনিটে পৌঁছে গেলাম হাসপাতালে। রাস্তায় ঢাকা শহরের মতোই প্রচ- যানজট, অব্যবস্থাপনা। গাড়িঘোড়ার অসহনীয় ভিড় আর লোকে লোকারণ্য ঘিঞ্জি শহর। পথে-ঘাটে পূজনীয় গো-মাতার স্বাধীন বেপরোয়া বিচরণ। মানুষ কিংবা যন্ত্রদানবকে তাদের থোরাই কেয়ার। রুষ্ট হলে ওরা নাকি হিংস্র হয়ে আক্রমণ করে বসে। শহরের মানুষগুলোর গায়ের রং কুচকুচে কালো। পরনে গ্রামের চাষাভুষা মানুষের মতো দৃষ্টিকটু পোশাক-পরিচ্ছদ। লুঙ্গি পুরুষ ও শাড়ি মহিলাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক। মার্কেটে গিয়ে দেখলাম চার-পাঁচ হাজার রুপি দামের লুঙ্গি।

তাদের জাতীয় পোশাক বা অভিজাত ফ্যাশনের লুঙ্গি বেশি দাম দিয়ে কিনতেও কার্পণ্য নেই। তবে পুরুষদের লুঙ্গি পরার স্টাইল দেখলে অদ্ভুত মনে হয়। অর্ধেকেরও বেশি  লুঙ্গির ঝুল হাঁটুর ওপর তুলে ভাঁজ করে গিঁট দিয়ে বেঁধে ফুলিয়ে হেঁটে চলেছে অফিস-আদালত-হাসপাতাল ও জনপদের সবখানে। আমাদের কাছে যা দৃষ্টিকটু, অশালীন, তাদের কাছে তা ঐতিহ্যের এক শালীন স্টাইল।
এসে পৌঁছলাম বিশাল এলাকাজুড়ে দৃষ্টিনন্দন গ্লেনিগেলস হাসপাতালে। মূল শহর থেকে বেশ দূরে- বিস্তৃত বিশাল জলাভূমির এলাকা নিয়ে গড়ে উঠছে এ উপশহর। এখনো শুরু হয়নি জনপদের বসতি ও স্থাপনা। সবখানে খুঁটি গেড়ে লাগানো হয়েছে জমি বিক্রির বিজ্ঞাপন। চলছে নির্মাণাধীন ভবন-স্থাপনার কাজ। ভরাট করা জলাভূমির ওপর অসংখ্য বকের সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিচরণ বা অভয়ারণ্য দেখে মনটা আনন্দে নেচে ওঠে। মনে হয়, এক নৈসর্গিক লীলাভূমিতে পড়ে আছি।

এই অপরূপ দৃশ্য থেকে দৃষ্টি ফেরানো দায়। এই হাসপাতালে আসার জন্য মূল সড়ক থেকে সকাল-রাত পর্যন্ত রোগী বা সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য শাটল বাস সার্ভিস আছে সর্বক্ষণিক। হাসপাতালে দেখা হলো, তরুণ বয়সী পিংকী ম্যাডামের সঙ্গে। তিনি ডিউটি শেষ করে অপেক্ষা করছিলেন আমাদের জন্য। তার মতো এমন নানাভাষী, উচ্চ শিক্ষিত অনেকেই কাজ করছেন হাসপাতালের মার্কেটিং বিভাগে বাইরে থেকে আসা রোগীদের সর্বক্ষণিক সেবা দেওয়ার জন্য। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন সেবার ব্যবস্থা ও মান দেখে যেমন মুগ্ধ তেমনই অভিভূত হলাম। এককথায় ইউনিক! এখান থেকে শেখার আছে অনেক কিছু বাংলাদেশের চিকিৎসা সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের।
আমাকে নিয়ে শুরু হলো পিংকী ম্যাডামের দৌড়ঝাঁপ। ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, ভিজিট, ডায়াগনোসিস এবং যা যা করার। সবই হলো খুব দ্রুত সময়ে। দিনের পর দিন অপেক্ষার কোনো বালাই নেই। কোথাও কোনো দীর্ঘসূত্রতা ও বিড়ম্বনা নেই। চমৎকার ইন্টার‌্যাকশন নেটওয়ার্ক সিস্টেমে চলছে সবকিছু। রিপোর্ট চলে যাচ্ছে সরাসরি সংশ্লিষ্ট ডাক্তারের কাছে। রোগীকে নিয়ে বসছেন তিন-চারজন ডাক্তার বিশেষজ্ঞ। যেমন- নিউরোলজির ডাক্তারের সঙ্গে রয়েছেন নাক, কান, গলার ডাক্তারও। প্রয়োজন হলে তাৎক্ষণিক ডায়াগনোসিসের ব্যবস্থা। রোগীর সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং রোগীকে তার রোগ, রোগের কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে সহজভাবে ব্যাখ্যা দিয়ে নির্ভয় ও দুশ্চিন্তামুক্ত থাকার বন্ধুসুলভ পরামর্শ ব্যাপক আশাবাদী করে তোলে রোগীকে।
চেন্নাই যাওয়ার আগে একজনের পরামর্শে ঢাকায় একজন খ্যাতিমান বিশেষজ্ঞ নিউরোলজিস্টের কাছে যাই। সরকারি হাসপাতালের অবসরপ্রাপ্ত এবং বর্তমানে নামকরা একটি প্রাইভেট হাসপাতালে কর্মরত এই ডাক্তারের ফী ১৫০০ টাকা। বিস্মিত হলাম গরিব দেশের একটি ডাক্তারের এই অবস্থা দেখে। হাসপাতালের লাখ টাকার চাকরি, সকাল-বিকেল যন্ত্রের মতো অসংখ্য রোগীর প্রাইভেট চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত তিনি আমার খুব বেশি কথা শুনলেন না। নাক, কান, গলা ও মাথা দেখে কিছু ওষুধ লিখে দিয়ে ১০ মিনিটের মধ্যে বিদায় দিয়ে ১৫ দিন পর দেখা করতে বললেন। চেন্নাইয়ের ডাক্তারের কাছে আসার পর এই দুই দেশের ডাক্তারের ক্ষেত্রে চিকিৎসা বিজ্ঞানী এবং গ্রামের আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকের মধ্যে ফারাকটা কি, তা আমার উপলব্ধিতে এলো।
হাসপাতাল চত্বরের মধ্যে স্বাচ্ছন্দ্যময় সার্বিক ব্যবস্থাপনা। আন্তর্জাতিক সিমকার্ড, হোটেলে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা থেকে ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে রোগীর কোনো দুশ্চিন্তা নেই। পিংকী ম্যাডাম সাড়ে তিন হাজার টাকায় হোটেল ভাড়ার কথা শুনে হাসপাতাল চত্বরে থাকা কম ভাড়ার হোটেলে সিট খালি থাকার ব্যাপারে খবর নিয়ে জানলেন। সিট খালি নেই। এবার তিনি হাসপাতালের কাছেই পাঁচ মিনিট হাঁটার দূরত্বে থাকা একটি ছোট্ট পরিচ্ছন্ন, ছিমছাম  হোটেলে নিয়ে গেলেন। চেন্নাইয়ের কোনো এক অজগ্রাম থেকে আসা অশিক্ষিত এক লোক এই ব্যবসা শুরু করেছেন কিছুদিন আগে। কৃপণ প্রকৃতির মানুষ। টয়লেট পেপার চাইলে অর্ধেক ব্যবহার হওয়া প্রায় খালি একটি চিকন রোল অন্য টয়লেট থেকে এনে লাগিয়ে দেন। আস্ত একটি নতুন রোল দেবেন না।

বাংলাদেশের বোর্ডারসহ এখানেও পেয়ে গেলাম অসম থেকে আসা দুই-তিনজন অহমিয়া ভাষী কর্মচারীকে। বাংলা বলতে পারেন। এখানে একটি সিঙ্গেল রুমের ভাড়া প্রতিদিন ১৫০০ রুপি। দুই-তিন জন আরামে থাকা যাবে রুমের ডবল বেডে। যারা নিজেরা রান্না করে খেতে চান- কিচেনসহ তেমন রুমও আছে। প্রতিদিনের ভাড়া ১৭০০ রুপি। এখানেও ছোট্ট দুই রুমের বেডে ৪-৫ জন বা বাচ্চাসহ কোনো ফ্যামিলি অনায়াসে থাকতে পারে। হোটেলে রেস্টুরেন্ট নেই। তবে কেউ খেতে চাইলে কর্মরত বাঙালি কর্মচারীকে অর্ডার দিয়ে রান্না করা খাবার খেতে পারেন। ডালভাত ও ডিম ভাজা ৩০ রুপি। সকালের নাস্তাÑ রুটি, পরোটা, ডিম ভাজা বা অন্য কোনো খাবারের অর্ডারও করা যেতে পারে। তবে বাইরে রেস্টুরেন্টের খাবারের মান মোটেও ভালো নয়। অরুচিকর। বাংলাদেশে ব্যবহার করা মসলাপাতি ও রান্নার স্বাদ একেবারেই আলাদা।
এভাবে এই হোটেলে সাতদিন কাটল। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পিংকী ম্যাডামের সর্বক্ষণিক সহযোগিতা ছিল বেশ স্বস্তিদায়ক। তবে চিকিৎসা ও ডায়াগনোসিস খরচ ব্যয়বহুল। এম আর আই পরীক্ষা ১৬ হাজার, সিটি স্ক্যান ২৪ হাজার রুপি। ক্ষেত্রে ফলাফল দাঁড়াল কোনো জটিলতা নেই আমার। নিয়ম করে ঘুমাতে হবে। ঘুমের ট্যাবলেটসহ ডাক্তার লিখে দিলেন কিছু ওষুধ তিন মাসের জন্য। সেই সঙ্গে দিলেন ২৪ হাজার রুপি মূল্যের কানে ব্যবহারের জন্য একটি ডিভাইস, যা মাথার শব্দটিকে নিয়ন্ত্রণ করবে। ডিভাইসটি সুইডেনের ডাক্তারও আমাকে দিয়েছিল। ব্যবহার করিনি অস্বস্তির কারণে। এখন ভাবছি, ডিভাইসটি ব্যবহার করব।

লেখক : সুইডেন প্রবাসী সাংবাদিক 
স্টকহোম, ২২ মার্চ, ২০২৩

[email protected]

×