ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

এবার সোনা বয়কটের ডাক!

প্রকাশিত: ১৯:৪৪, ২১ এপ্রিল ২০২৪; আপডেট: ২০:০৭, ২১ এপ্রিল ২০২৪

এবার সোনা বয়কটের ডাক!

লাগাম ছাড়া বাড়ছে সোনার দাম। 

দেশের বাজারে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে সোনার দাম। আন্তর্জাতিক বাজারের কথা বলে প্রায় দুদিন পর পরই বাড়ানো হচ্ছে সোনার দাম। গত দুদিন আগেও দুই দফায় দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ায় বাজুস। তার একদিন পরই গতকাল শনিবার কিঞ্চিৎ দাম কমায় বাজুস। আর এরপরই আজ রবিবার (২১ এপ্রিল) আবারো বাড়ানো সোনার দাম।

এদিকে, এ ভাবে সোনার মূল্য বাড়ায় রীতিমতো এই মূল্যবান ধাতুটি কেনা সীমিত করে ফেলছেন। তড়িৎ গতিতে সোনার অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বিয়ের অনুষ্ঠানেও কমে গেছে সোনার ব্যবহার। 

দাম বাড়ানো কমানোর হিসাব পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সোনার দাম যে হারে বাড়ানো হয়, কমানোর সময় সে পরিমাণে হ্রাস পায় না সোনার মূল্য। 

অস্বাভাবিকভাবে সোনার দাম অব্যাহত বাড়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ধাতুটি অনেকেই বয়কটের ডাক দিয়েছেন। এরকমই একজন হলেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশি স্বাধীন খসরু। ফেসবুকে সোনার একটি ছবি শেয়ার করে পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ভাল্লাগছে, বয়কট সোনা।’

সোনা ‘বয়কট’ এর পোস্টে সবাই স্বাধীন খসরুর সঙ্গে একাত্বতা জানিয়েছেন। পারভেজ আহমেদ লেখেন, ‘কিনলাম না।’; আফরিন তামান্না চৌধুরী লেখেন,‘বিয়ে প্লাস বিয়ের পরে কখনো সোনার গহনা না কিনা আমি। আর কিনার ইচ্ছাও নাই। টাকা হলে দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়াবো।’ হাজী টুটুল লেখেন, ‘বয়কট করাই উচিত।’ ট্রুথফুল লেখেন, ‘কমতে না কমতেই আবার বেড়ে গেল।
হাস্যকর হাস্যকর হাস্যকর।’ আমির হোসাইন রানা লেখেন, ‘এবারো আর বিয়ে করা হবে না।’

এদিকে, সোনা বয়কটের বিষয়টি ধনী শ্রেণির লোকজন কিভাবে নিবে সে বিষয়ে ফাহিম মুসাদ্দিক তার মন্তব্যে লেখেন, বয়কটের ডাকে এলিট শ্রেণি কখনওই মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের পাশে এসে দাঁড়ায়নি। সোনা বিত্তশালীদের পন্য, এরা বয়কট করলে খুবই অবাক হবো। কারণ, দেশের বড়লোকদের কাছে এখন টাকার অভাব নাই।’

২০২০ সালে বাংলাদেশের সোনার ভরি ছিলো ৭০ হাজার টাকার সামান্য কম। আর এখন প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৪২৮ টাকা। সে হিসাবে ৪ বছরে দেশের সোনার দাম বেড়েছে ৫০ হাজার টাকা। 

প্রতিবেশি দেশ ভারতের সাথে তুলনা করলে বাংলাদেশের সোনার দাম অনেকটা লাগামছাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে। গত চার বছরে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম বেড়েছে প্রায় ৪৬ শতাংশ। অন্যদিকে ভারতে দাম বেড়েছে প্রায় ১৭ শতাংশ।

 

এম হাসান

×