ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ২৪ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

ইরান-ইসরাইল সংঘাতে জড়াতে পারে গোটা অঞ্চল

যুদ্ধের ঝুঁকিতে মধ্যপ্রাচ্য

জনকণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩:৫০, ১৬ এপ্রিল ২০২৪

যুদ্ধের ঝুঁকিতে মধ্যপ্রাচ্য

ইসরাইলে ইরানের হামলা ঠেকাতে জর্দানের সহায়তার প্রতিবাদে আম্মানে বিক্ষোভ

ইসরাইলে ইরানের নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা নিয়ে মধ্যপ্রাচ্য এখন বিস্ফোরোণ্মুখ। ইরান ও ইসরাইলের পাল্টাপাল্টি হুমকির পর গোটা মধ্যপ্রাচ্য এখন নতুন করে যুদ্ধের ঝুঁকিতে। ইসরাইলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা ইরানি হামলার প্রতিশোধ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পশ্চিমা মিত্রদের সংযম প্রদর্শনের আহ্বানে ইসরাইল এখনই প্রতিশোধ নিচ্ছে না। তবে সুবিধাজনক সময়ে ইসরাইল যে প্রতিশোধ নেবে তা নিশ্চিত। গাজায় ইসরাইল-হামাস যুদ্ধ ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে। এর মধ্যে ইরানের হামলা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক দৃশ্যপটই পাল্টে দিয়েছে। 
অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, ইরান ও ইসরাইল যে কোনো মুহূর্তে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে আরেকটি ধ্বংসাত্মক ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্য। খবর আল জাজিরা/আল আরাবিয়া/বিবিসির।
ইরান ইসরাইলের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, সিরিয়ায় ইরানি কনস্যুলেটে হামলার পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে শনিবার রাতে ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনায় তেলআবিব সামান্যতম প্রতিশোধ নিলে ইহুদিবাদী দেশটিকে মর্মান্তিক পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে।
এদিকে ইসরাইলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা ইরানে প্রতিশোধমূলক হামলার বিষয়ে বলেছে, সঠিক সময়ে এর জবাব দেওয়া হবে। এ অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধের দামামা বাজছে। ছয় মাস ধরে চলা ইসরাইল-গাজা যুদ্ধে ইতোমধ্যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ফিলিস্তিনি ভূখ-। অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি গণহত্যার শিকার হয়েছে ৩৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নারী-পুরুষ-শিশু। 
২৩ লাখ গাজাবাসীর অধিকাংশই এখন অনাহারে ধুঁকছে। ইসরাইলি হামলায় প্রতিদিনই প্রাণ হারাচ্ছে গাজার ফিলিস্তিনিরা।
শনিবার ইসরাইলে ইরানের নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মধ্যপ্রাচ্যের দৃশ্যপটকে পাল্টে দিয়েছে। মুসলিম বিশ্ব ইসরাইলে ইরানের সাহসী অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে উল্লাস করতে শুরু করেছে। জর্দান সরকার ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের পক্ষাবলম্বন করলেও জর্দানি জনগণ ইসরাইলের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলে রাজপথে নেমেছে।
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে ইসরাইলকে সহযোগিতা করার কথা অস্বীকার করেছে সৌদি আরব। একটি ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমে সৌদি সরকারি ওয়েবসাইটের বরাত দিয়ে এই সহযোগিতার কথা জানিয়েছিল। আল আরাবিয়া নিউজ নিজেদের সোর্সের মাধ্যমে এ খবর যাচাই করতে গেলে ঘটনার সত্যতা অস্বীকার করে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
আল আরাবিয়া নিউজ জানায়, সরকারি কোনো ওয়েবসাইটে ইসরাইলে ইরানি হামলা ঠেকাতে সৌদির অংশগ্রহণের বিষয়ে কিছুই ছাপানো হয়নি।
ইরানি স্বার্থের বিরুদ্ধে যে কোনো পদক্ষেপের কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিশোধ নিতে ইসরাইলের হুমকির একদিন পর মঙ্গলবার তিনি এ কথা বলেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানায়।
কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করছি, এমনকি ক্ষুদ্র ইরানি স্বার্থের বিরুদ্ধে যে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর, বিস্তৃত ও বেদনাদায়ক জবাব দেওয়া হবে। সোমবার ইসরাইলি সেনাপ্রধান হারজি হালেভি বলেছিলেন, ইরানের হামলার পাল্টা পদক্ষেপ নিশ্চিতভাবে নেওয়া হবে।
১ এপ্রিল সিরিয়ায় ইরানি কনস্যুলেটে ইসরাইলের সন্দেহভাজন হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান শনিবার রাতে ইসরাইলকে লক্ষ্য করে কয়েকশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।
সোমবার রাতে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলি বাঘেরি কানি বলেছিলেন, ইসরাইলি পাল্টা হামলার জবাব তাৎক্ষণিকভাবে দেবে তেহরান। প্রতিক্রিয়া দেখাতে আরও ১২ দিন অপেক্ষা করবে না।
চলমান উত্তেজনার মধ্যে মঙ্গলবার ইরানের রাজনীতিবিষয়ক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলি বাঘেরি কানি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইসরাইল পাল্টা হামলা চালালে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে জবাব দেবে তেহরান। 
এদিকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়ে ইসরাইলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাটজ বেশকিছু দেশকে চিঠি দিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যম এক্সের এক পোস্টে কাটজ বলেন, মঙ্গলবার সকালে ৩২টি দেশকে চিঠি পাঠিয়েছি এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবিতে বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেছি। ইসরাইলের সেনাবাহিনীর প্রধান বলেছেন, তার দেশ সপ্তাহান্তে চালানো ইরানের হামলার জবাব দেবে।

অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ও উত্তেজনার আরও বৃদ্ধি এড়াতে ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বেশ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ। এছাড়া ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সোমবার ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো তার যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছেন। মঙ্গলবার পৃথক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও আল-জাজিরা।
অবশ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক থেকে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না সে বিষয়ে ইসরাইলের সরকারের দিক থেকে কিছু জানানো হয়নি। তবে ইরান ইতোমধ্যেই বলেছে, তাদের হামলার জবাবে ইসরাইল যদি আবারও হামলা চালায় তাহলে এর চেয়ে বেশি কঠিন জবাব দেওয়া হবে। ইরানের রাজনীতিবিষয়ক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলি বাঘেরি কানি বলেন, ইসরাইল যদি পাল্টা হামলা চালায়, ইরান কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে জবাব দেবে।

গত ১ এপ্রিল সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ইরানের কনস্যুলেটে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরাইল। এই হামলায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর বিদেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী কুদস ফোর্সের জ্যেষ্ঠ কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রেজা জাহেদিসহ কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন। বদলা হিসেবে ইরান গত শনিবার রাতভর ইসরাইলে শত শত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।  
ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ইরানের চালানো এই হামলার পর ইসরাইলও প্রতিশোধ নেওয়ার উপায় খুঁজছে। এই অবস্থায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা করতে পারে ইসরাইল, এমন আশঙ্কার কথাই জানিয়েছেন জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ প্রধান। এছাড়া হামলার শঙ্কার কারণে উদ্বেগও প্র্রকাশ করেছেন তিনি।  মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ প্রধান বলেছেন, ইসরাইল সম্ভবত ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করতে পারে এবং এই বিষয়ে তিনি উদ্বিগ্ন।

যদিও আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ইরানের স্থাপনাগুলোতে পরিদর্শনের কাজ মঙ্গলবার আবারও শুরু হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আব্দুল্লাহিয়ান বলেছেন, ইসরাইলের পাল্টা যে কোনো আক্রমণকে শক্তিশালী এবং বিস্তৃত জবাব দিয়ে মোকাবিলা করা হবে। 
এমন অবস্থায় আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি বলেছেন, ইরান নিরাপত্তা বিবেচনায় তার পারমাণবিক স্থাপনাগুলো বন্ধ করে দিয়েছে এবং সেগুলো আবার চালু হলেও যতক্ষণ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ শান্ত না হচ্ছে, ততক্ষণ তিনি আইএইএ পরিদর্শকদের সেখান থেকে দূরে রেখেছেন। গ্রোসি নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আবারও এটি শুরু করতে যাচ্ছি। এটি আমাদের পরিদর্শন কার্যকলাপের ওপর প্রভাব ফেলেনি।

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ইসরাইলের হামলার সম্ভাবনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে গ্রোসি বলেন, আমরা সবসময় এই হামলার আশঙ্কা নিয়ে উদ্বিগ্ন। এই পরিস্থিতিতে তিনি সর্বোচ্চ সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, আইএইএ নিয়মিত ইরানের প্রধান পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শন করে থাকে। ইরান বলছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, কিন্তু পশ্চিমা শক্তিগুলো তেহরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক বোমা তৈরির চেষ্টার অভিযোগ এনেছে।
ইরান বলছে, সিরিয়ার দামেস্কে ইরানের কনস্যুলেটে ইসরাইলি হামলায় রেভ্যুলশনারি গার্ডের একজন সিনিয়র কমান্ডারসহ সাতজন নিহত হওয়ার পাল্টা জবাব দেওয়া হয়েছে ইসরাইলের ভেতরে ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালানোর মাধ্যমে। ইরান মনে করছে, শনিবার মধ্যরাতের সেই হামলার মাধ্যমে বিষয়টির অবসান হয়েছে এবং তারা আর হামলা করতে চায় না। কিন্তু ইসরাইল সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ হারজি হালেভি বলেছেন, ইরানের হামলার জবাব দেওয়া হবে।

তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইরানের প্রতি পাল্টা জবাব দেওয়ার জন্য ইসরাইলের হাতে বেশকিছু বিকল্প ব্যবস্থা আছে। তবে নেতানিয়াহু সরকার কোনো ধরনের বিকল্প ব্যবহার করবেন কিনা সেটি বোঝা মুশকিল।
ইসরাইলকে সহযোগিতার কথা অস্বীকার করল সৌদি আরব ॥ এদিকে ইরানি মিসাইল হামলা ঠেকাতে ইসরাইলকে সহযোগিতা করার কথা অস্বীকার করেছে সৌদি আরব।

একটি ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম সৌদি সরকারি ওয়েবসাইটের বরাত দিয়ে এই সহযোগিতার কথা জানিয়েছিল। আল আরাবিয়া নিউজ নিজেদের সোর্সের মাধ্যমে এ খবর যাচাই করতে গেলে ঘটনার সত্যতা অস্বীকার করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। আল-আরাবিয়া নিউজ জানিয়েছে, সরকারের কোনো অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ইসরাইলে ইরানি হামলা ঠেকাতে সৌদি আরবের অংশগ্রহণের বিষয়ে কিছুই ছাপানো হয়নি। 
গত ১ এপ্রিল সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ইরানের কনস্যুলেট ইসরাইল হামলা চালায়। এতে একাধিক ইরানি সামরিক কমান্ডার নিহত হন। জবাবে শনিবার ইসরাইলের ভূখ-ে তিন শতাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় ইরান। যদিও ইরানি মিসাইল এবং ড্রোনের ৯৯ শতাংশই আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করেছে ইসরাইল এবং তার মিত্ররা।  
ইসরাইলকে ‘সহায়তা’ দেওয়ায় বিক্ষোভে উত্তাল জর্দান ॥ ইরান থেকে ইসরাইলে তিন শতাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয় গত শনিবার। এসব ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র যেন ইসরাইল পর্যন্ত না পৌঁছে, সেই চেষ্টা করে জর্দান। দেশটির নাগরিকরা তাদের সরকারের এমন কর্মকা-ের প্রতিবাদ করেছেন বলে জানিয়েছে ডয়েচে ভেলে।
ইরানের সঙ্গে সংঘাত নয়Ñ যুক্তরাষ্ট্র ॥  মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে সোমবার ফোনালাপ করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন। এ সময় ইসরাইলে ইরানের হামলার প্রেক্ষাপটে তেলআবিবের প্রতি তার দেশের সমর্থন ব্যক্ত করেন তিনি। তবে ওই সংঘাত ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর তিনি জোর দেন।
মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। লয়েড অস্টিনের এ ফোনালাপের আগে গত শনিবার ইসরাইলে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী হামলা চালায় ইরান। সম্প্রতি সিরিয়ায় ইরানি কনস্যুলেটে ইসরাইলের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ওই দিন ইসরাইলকে লক্ষ্য করে কয়েক শ’ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে তেহরান। তবে অধিকাংশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের ভূখ-ে আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করা হয়।
পেন্টাগন বলেছে, ইসরাইলে ওই হামলা চালানোর আগে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরান কিছু জানায়নি এবং ওয়াশিংটন তেহরানের সঙ্গে সংঘাত চায় না। ইরানের হামলার পর এর জবাব কেমন হবে, সে বিষয় বিবেচনা করছে ইসরাইল। এ অবস্থায় সংযম দেখাতে ও আঞ্চলিক সংঘাত বেড়ে যাওয়া এড়াতে ইসরাইলের ওপর মিত্রদের চাপ বাড়ছে। তবে ইসরাইলি সেনাপ্রধান বলেছেন, তার দেশ ইরানি হামলার জবাব দেবে।

×