ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯

সামরিক কবরস্থানে চিরশায়িত লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইসমাইল

প্রকাশিত: ১৮:০১, ১১ আগস্ট ২০২২; আপডেট: ১৮:১৭, ১১ আগস্ট ২০২২

সামরিক কবরস্থানে চিরশায়িত লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইসমাইল

বনানী সামরিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত র‌্যাবের এয়ার উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন।

রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন র‌্যাবের এয়ার উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) দুপুর ২টা ৫৪ মিনিটে বনানী সামরিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এ সময় র‌্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, নিহত ইসমাইলের পরিবারসহ র‌্যাব ও সামরিক বাহিনীর ঊধ্র্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেনের দাফন কাজ শেষ হওয়ার পর তার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন র‌্যাব মহাপরিচালকসহ ঊধ্র্বতন সামরিক কর্মকর্তারা।


এর আগে দুপুরে বনানী সামরিক কবরস্থানে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেনের মরদেহ নিয়ে আসা হয়। এ সময় সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল তাকে সশস্ত্র সালাম প্রদান করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে র‌্যাব সদরদফতরের শহীদ লেফটেন্যান্ট কর্নেল আজাদ মেমোরিয়াল হলে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেনের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় অংশগ্রহণ করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণায়ের সিনিয়র সচিব মো. আখতার হোসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ, র‌্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, নিহত ইসমাইলের পরিবারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও র‌্যাব সদস্যরা।

জানাজার আগে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেনের মরদেহ র‌্যাব সদস্যদের স্মৃতিতে নির্মিত ‘প্রেরণা ধারা’য় রাখা হয়। সেখানে আইজিপি ও র‌্যাব ডিজিসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এসময় তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার বাদ জোহর ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তার তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে বুধবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে সিঙ্গাপুর থেকে লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইসমাইলের মরদেহবাহী বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। এসময় র‌্যাব প্রধান মরদেহ বুঝে নেন।

একইদিন রাতে রাজধানীর কালশীর বাইতুর রহমান জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেসময় এই শহীদ সেনা কর্মকর্তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় করেন স্বজন ও স্থানীয়রা।