ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১

সুলভ মূল্যে পণ্য পেয়ে খুশি সাধারণ মানুষ

প্রকাশিত: ১২:১৮, ২৭ মার্চ ২০২৩; আপডেট: ১২:২০, ২৭ মার্চ ২০২৩

সুলভ মূল্যে পণ্য পেয়ে খুশি সাধারণ মানুষ

পণ্য কিনছেন ক্রেতারা 

বেশকিছু দিন ধরে সব ধরণের পণ্যের দাম হাতের নাগালের বাইরে চলে যায় সাধারণ মানুষের। সংসার চালাতে হিমশিম খাওয়া এই সাধারণ মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘবের চেষ্টায় ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্র চালু করেছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম এবং গরু ও মুরগির মাংস কিনতে পেরে খুশি সাধারণ মানুষ।

সোমবার (২৭ মার্চ) সকালে রাজধানীর খামারবাড়ির মোড় ও সচিবালয়ের পাশের আবদুল গনি রোডে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্র এসব পণ্য বিক্রি করতে দেখা যায়। 

ভ্রাম্যমাণ এই বিক্রয়কেন্দ্রের বেশিরভাগ ক্রেতারাই হলেন মধ্যবিত্ত। আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সংগতি না থাকায় ক্রয়ক্ষমতা কমেছে মধ্যবিত্তদের বড় একটি অংশের। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে বিপদে পড়েছেন তারা।

ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ২০টি ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের। এলাকাগুলো হলো- সচিবালয়ের পাশে, মিরপুর ৬০ ফিট রোড, আজিমপুর মাতৃসদনের সামনে, পুরান ঢাকার নয়াবাজার, গাবতলী, হাজারীবাগ, মতিঝিল, আরামবাগ, মোহাম্মদপুর জাপান গার্ডেন সিটি, মিরপুর কালশী, যাত্রাবাড়ী, বাড্ডা নতুন বাজার, বনানী কড়াইল বস্তি ও কামরাঙ্গীরচর।

প্রতিদিন একেকটি ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্র মাংস ১০০ কেজি, খাসি ৪০-৫০ কেজি, মুরগি ৫০ কেজি, ১২০০ পিস ডিম ও দেড়শো লিটার দুধ নিয়ে আসে। এই বিক্রয়কেন্দ্রগুলোতে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৬৪০ টাকা, খাসির মাংস ৯৪০ টাকা, ড্রেজস ব্রয়লার মুরগি ৩৪০ টাকা, দুধ এক লিটার ৮০ টাকা ও ডিম এক ডজন ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. মো. শাহিনুর আলম বলেন, ‘সাড়া ভালোই পাচ্ছি, চাহিদা প্রতিদিনই বাড়ছে। পণ্য দুপুরেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। তবে শতভাগ চাহিদা পূরণ করা কঠিন। বিক্রয়কেন্দ্রগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত। স্বল্প আয়ের মানুষের কথা ভেবে আমরা প্যাকেট করেছি। অনেকে বেশি নিতে চাইছে, কিন্তু আমরা দিচ্ছি না।’

এমএইচ

×