ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণ নিয়ে যত কুসংস্কার, নেই বৈজ্ঞানিক ভিত্তি

প্রকাশিত: ১৮:০০, ৮ এপ্রিল ২০২৪

সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণ নিয়ে যত কুসংস্কার, নেই বৈজ্ঞানিক ভিত্তি

সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণ

সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণের ক্ষেত্রে গর্ভবতীদের নিয়ে সমাজে কিছু কুসংস্কার ও অমূলক ধারণা প্রচলিত রয়েছে। কিছু মানুষের ধারণা, সূর্য বা চন্দ্রগ্রহণের সময় গর্ভবতী নারীরা কিছু খেতে পারবে না; এসময় খেলে নাকি গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতি হবে। তেমনি কেউ কেউ এমনও ধারণা করে থাকে যে, এসময় গর্ভবতী নারী তরিতরকারি বা কোনো কিছু কাটতে পারবে না; তাতে নাকি গর্ভস্থ সন্তান বিকলাঙ্গ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এরূপ উভয় ধারণাই অমূলক।
 
সূর্যগ্রহণ কিংবা চন্দ্রগ্রহণ ঘিরে পৃথিবীর অনেক দেশেই নানারকম ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভুল ধারণা কিংবা কুসংস্কারের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। সূর্যগ্রহণ সম্পর্কে এমন কিছু কুসংস্কার যা অনেক দেশেই বেশ গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়। সূর্যগ্রহণ সম্পর্কে সবচেয়ে বড়ো কুসংস্কার খাওয়া-দাওয়াকে ঘিরে। এই যেমন সূর্যগ্রহণ কিংবা চন্দ্রগ্রহণের সময় খাবার রান্না করা বা খাবার খাওয়া উচিত নয়।
 
সূর্যগ্রহণের সময় কোনো ধরনের খাবার বা পানীয় গ্রহণ করলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মনে করা হয় অনেক জায়গায়। সেসব জায়গার মানুষের মধ্যে ধারণা রয়েছে যে, সূর্যগ্রহণের সময় খাবার খাওয়া তো অমঙ্গলজনক বটে; রান্না করাও অমঙ্গলজনক। কিন্তু এরকম ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বিজ্ঞানীরা কখনোই পাননি।

সূর্যগ্রহণ সম্পর্কে আরেকটি ভুল ধারণা হলো, সূর্যগ্রহণের সময় ভ্রমণ করলে তা অমঙ্গলজনক। এই ধারণা প্রচলিত রয়েছে ভারত, বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে। তাদের মতে, সূর্যগ্রহণের সময় ভ্রমণ করলে গ্রহণের সময় সূর্য থেকে নিঃসৃত ক্ষতিকর রশ্মি গায়ে লেগে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক নওরীন আহসান বলেন, গ্রহণের সময় সূর্য থেকে আলাদা কোনো ক্ষতিকর রশ্মি নিঃসরণ হয় না, কাজেই আলাদাভাবে কোনো ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। 

 

এস

×