ছবি: সংগৃহীত
পবিত্র রমজান মাসে ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির পরিবেশের মধ্যেই নতুন করে উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে জেরুজালেমের ঐতিহাসিক আল-আকসা মসজিদ। মুসল্লিদের প্রবেশে বাধা ও মসজিদ প্রাঙ্গণে বিধিনিষেধ আরোপের ঘটনাকে ঘিরে মুসলিম বিশ্বে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা–র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রমজানের মতো পবিত্র সময়ে আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ সীমিত বা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে একাধিক মুসলিম দেশ।
এক যৌথ বিবৃতিতে কাতার, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরাইলের এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানায়।
দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, আন্তর্জাতিক আইন কিংবা মানবিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য নয়। তারা আরও উল্লেখ করেন, জেরুজালেমের পবিত্র এই স্থাপনার ওপর **ইসরাইল–এর কোনো সার্বভৌম অধিকার নেই। বরং ঐতিহাসিক ও আইনগতভাবে আল-আকসা প্রাঙ্গণ পরিচালনার দায়িত্ব রয়েছে জেরুজালেম ওয়াকফ বিভাগ–এর, যা জর্ডানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
মুসল্লিদের প্রবেশে বাধা দেওয়াকে মুসলিম দেশগুলো একটি অবৈধ ও উসকানিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছে।
অন্যদিকে ইসরাইল দাবি করেছে, **ইরান–এর সঙ্গে চলমান সংঘাত ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই ব্যাখ্যা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
তাদের মতে, এটি কেবল নিরাপত্তাজনিত পদক্ষেপ নয়; বরং ফিলিস্তিনিদের ধর্মীয় স্বাধীনতা সীমিত করার একটি বিপজ্জনক নজির।
বর্তমান পরিস্থিতিতে আল-আকসা মসজিদের ফটক দ্রুত খুলে দিতে এবং সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে মুসলিম দেশগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে আল-আকসা ইস্যু নতুন করে আঞ্চলিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
নুসরাত








