ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে যে, তাদের ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এ সফলভাবে আঘাত হেনেছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই হামলার পর রণতরীটি অকার্যকর হয়ে পড়েছে এবং উপসাগরীয় এলাকা ছেড়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। তবে ওয়াশিংটন তাৎক্ষণিকভাবে এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, রণতরীটি এখনো তার নির্ধারিত ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ মিশন চালিয়ে যাচ্ছে।
আইআরজিসি-র পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উপসাগরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন নৌবাহিনীর এই সর্ববৃহৎ বিমানবাহী রণতরীকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন দাবি করেছে, হামলার পরপরই মার্কিন রণতরী ও এর সঙ্গে থাকা স্ট্রাইক গ্রুপকে দ্রুতগতিতে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে দেখা গেছে। তবে আইআরজিসি বা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন—কোনো পক্ষই এই হামলায় হতাহতের সংখ্যা বা রণতরীর ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট কোনো বিবরণ প্রদান করেনি।
পেন্টাগন ইরানের এই দাবিকে নাকচ করে দিলেও মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘সিবিএস নিউজ’ একটি ভিন্ন ঘটনার কথা জানিয়েছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি ইরানি জাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের অত্যন্ত কাছাকাছি চলে এলে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজ সতর্কতামূলক গুলি চালায়। তবে ওই ইরানি জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না কিংবা এর ক্রুদের পরিণতি কী হয়েছে, সে সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য যে, এর আগেও আইআরজিসি এই একই রণতরীতে হামলার দাবি তুলেছিল। সে সময় পেন্টাগন স্পষ্ট জানিয়েছিল যে, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো রণতরীর ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেনি। বর্তমান সংঘাতের আবহে দুই দেশের পক্ষ থেকে পরস্পরবিরোধী এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
এফএ








