ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ১৯ অগ্রাহায়ণ ১৪২৯

monarchmart
monarchmart

বিশ্ব হার্ট দিবস আজ

দেশে ৯৭ ভাগ মানুষ হৃদরোগের ঝুঁকিতে ২০ শতাংশই তরুণ

স্বপ্না চক্রবর্তী

প্রকাশিত: ২৩:৩৬, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

দেশে ৯৭ ভাগ মানুষ হৃদরোগের ঝুঁকিতে ২০ শতাংশই তরুণ

সঙ্গীত পরিচালক পৃথ্বীরাজ

তরুণ শিল্পী, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক পৃথ্বীরাজ। ২০১১ সালে নিজের হাতে তৈরি করেন স্টুডিও জিলাপি। যখন এই স্টুডিও তৈরি করেন সে সময় তিনি বলেছিলেন, জিলাপি নিয়ে রয়েছে আমার অনেক স্বপ্ন। এখানে ছবি দেখব, গান শুনব। এখান থেকে নতুন নতুন গান তৈরি করব। এটা একান্তই আমার জগৎ। এই ঘরটাতেই কাজ করতে করতে যদি চলে যাই, তা হবে আমার জন্য অনেক শান্তির। তার চাওয়া পূরণ হয়, কিন্তু তা ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। এই জিলাপি স্টুডিওতেই কাজ করতে করতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান পৃথ্বিরাজ।
মৃত্যুর আগের রাত ১০টার দিকে কাজের জন্য জিলাপি স্টুডিওতে যান পৃথ্বীরাজ। এরপর রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার স্ত্রী বারবার ফোন করলেও তিনি কল রিসিভ করছিলেন না। শুরুতে তার স্ত্রী ধারণা করেছিলেন, পৃথ্বীরাজ হয়তো ফোন সাইলেন্ট করে কাজে ব্যস্ত। কিন্তু অনেকক্ষণ ফোনে কোন সাড়া না পেয়ে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এরপর পৃথ্বীরাজের ভাই ঋতুরাজ ও আরেক তরুণ সঙ্গীতশিল্পী সৈয়দ নাফিজকে নিয়ে সেখানে ছুটে যান।

স্টুডিওর দরজা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে দেখা যায় পৃথ্বীরাজ চেয়ারেই নিস্তেজ হয়ে পড়ে আছেন। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জানান, রাতের কোন একসময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গিয়েছেন তিনি। অথচ তার হৃদযন্ত্রে কোন সমস্যা ছিল আগে থেকে জানতেন না তার পরিবারের কেউ।
শুধু বাংলাদেশে নয়। প্রতিবেশী দেশ ভারতের অভিনয়শিল্পী সিদ্ধার্থ শুক্লা, সঙ্গীত শিল্পী কেকে’র হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আকস্মিক মৃত্যু নাড়িয়ে দিয়ে যায় সব বয়সের মানুষকে।
পৃথ্বিরাজ, সিদ্ধার্থ বা কেকের মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও অন্ধকারেই থেকে যায় অনেক তরুণদের হৃদরোগে ভুগে নির্মম পরিণতির কথা। এমনকি শিশুকাল থেকেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কঠিন দিন পার করতে হয় অনেককে।
রাজধানীর ইংরেজী মাধ্যমের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র প্রভাকর রায়। বুকে প্রচ- ব্যথা দেখা দিলে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাকে একটি বেসরকারী ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছিল। অবস্থার অবনতি হওয়ায় ওই ক্লিনিক থেকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেয়া হয়। ১০ দিন এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর ইসিজি ও এনজিওগ্রামসহ কয়েকটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসক জানিয়ে দেন প্রভাকর হৃদরোগে আক্রান্ত।
হৃদযন্ত্রে ছিদ্র থাকায় শিশু কন্যার মৃত্যুর পর দিশেহারা নাসিমুল জানান, আমি সিগারেট খাই না, আমার স্ত্রী পান-সুপারি কিছুই খান না। কিন্তু তারপরও মেয়েটি জন্ম নিল হৃদযন্ত্রে ত্রুটি নিয়ে। সেই ত্রুটির কারণে গত বছর ঢলে পড়ে সে মৃত্যুর কোলে। এ শোক কিভাবে সইবো?
মাত্র ১০ বছর আগেও ৩০ বছরের নিচে কোন হৃদরোগের রোগী পাওয়া যেত না। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে মোট হৃদরোগীর মধ্যে অন্তত: ২০ শতাংশই তরুণ।

চিকিৎসকরা বলছেন, এর সঠিক কোন পরিসংখ্যান না থাকলেও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের দৈনিক রোগীর পরিসংখ্যান পর্যবেক্ষণে এর সত্যতা পাওয়া গেছে। বর্তমানে দেশে মোট মৃত্যুর ৬৭ ভাগই হচ্ছে অসংক্রামক রোগে। এর ৩৬ দশমিক ১ শতাংশ হৃদরোগী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে অংসক্রামক রোগের অন্যতম হৃদরোগ। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেনটিভ এ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিন (নিপসম) পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে ৯৭ ভাগ মানুষ কোন না কোনভাবে হৃদরোগের ঝুঁকিতে। এদের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তরুণ বয়সীরা। হৃদযন্ত্রের নানা ধরনের রোগের পাশাপশি মৃত্যুও হচ্ছে অনেকের।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ তথ্য মতে, বিশ্বে প্রতিবছর হৃদরোগে অন্তত ১ কোটি ৮০ লাখ লোক মারা যায়। এর ৮০ শতাংশই মারা যায় হার্ট এ্যাটাক ও স্ট্রোকে। অন্যদিকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, প্রতিবছর বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগে ১ লাখ ১২ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রায় ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে হৃদরোগে।
এমন অবস্থায় আজ দেশজুড়ে পালিত হতে যাচ্ছে ‘বিশ্ব হার্ট দিবস’। ‘হৃদয় দিয়ে হৃদয়কে ভালবাসুন, প্রকৃতি ও পরিবেশকে রক্ষা করুন’ প্রতিপাদ্যে পালিত হতে যাওয়া দিবসটি উপলক্ষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, হার্ট ফাউন্ডেশন আয়োজন করতে যাচ্ছে নানা আয়োজনের।
সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও চিকিৎসকরা বলছেন, তাদের কাছে আসা হৃদরোগে আক্রান্তদের ২০ শতাংশই তরুণ। এই রোগের চিকিৎসায় গড়ে ওঠা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সেবা নেয়া রোগীর পরিসংখ্যানেও তাদের এ পর্যবেক্ষণের প্রতিফলন মেলে। পরিসংখ্যান বলছে, এই হাসপাতালে ১০ বছর আগে চিকিৎসা নেয়া মোট রোগীর ৫ শতাংশ ছিল তরুণ। এখন সেটি বেড়ে ২০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলছেন চিকিৎসকরা।
দেশে হৃদরোগী বাড়ার কারণ হিসেবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জনকণ্ঠকে বলেন, আমাদের দেশে সংক্রামক ব্যাধি অনেক বেশি ছিল। স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের কারণে বর্তমানে সংক্রামক ব্যাধি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কিন্তু বাড়ছে অসংক্রামক রোগ। অসংক্রামক রোগ সারা পৃথিবীতেই বাড়ছে। মানুষের জীবনযাত্রা উন্নত হয়েছে, জীবনযাত্রার পাশাপাশি এই সমস্ত রোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার মধ্যে ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ অন্যতম। বাংলাদেশের ৬৭ শতাংশ মানুষ নন কমিউনিকেবল ডিজিজে (অসংক্রামক  রোগ) মারা যান। যার মধ্যে হৃদরোগ অন্যতম।

মূলত জাংক ফুড ও মাদকে আসক্তির কারণেই তরুণদের একটা বড় অংশ হৃদরোগে ভুগছে জানিয়ে হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক চিকিৎসক ডাঃ প্রদীপ কুমার কর্মকার বলেন, ১০ বছর আগে যুবকদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার হার ৫ শতাংশের নিচে ছিল। বর্তমানে তা ২০ শতাংশ পৌঁছেছে। বিশেষ করে জাংক ফুড ও মাদকে যাদের আসক্তি, তারা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। তিনি বলেন, আগে ৩০ বছরের নিচে হৃদরোগের রোগী পাওয়া যেত না, কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এটি মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এটি আমাদের ভাবিয়ে তুলছে। সংশ্লিষ্টদের এখনই গুরুত্ব দেয়া উচিত। এখনই সচেতন করা না গেলে সামনের দিনগুলোতে যুবকদের একটা অংশকে হারাব আমরা।
একই হাসপাতালের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে এই মুহূর্তে হৃদরোগের প্রকোপ অনেক বেশি। দেশে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয় এই রোগে। দেশে হৃদরোগের রোগীদের ঝুঁকি অনেক বেশি হওয়াই প্রধান কারণ তামাকের ব্যবহার, হাসপাতালে কাক্সিক্ষত সেবা না পাওয়া, লবণ বেশি খাওয়া এবং ওজন বেড়ে যাওয়া। তিনি বলেন, এসব কারণে আমাদের দেশে এখন কম বয়সীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। একটা ছেলে ১৬ বছর বয়সে সিগারেট খাওয়া শুরু করলে ৪০ বছরে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
তবে আর না। চিকিৎসকরা এবার বলছেন, যতœ নিতে হবে নিজের হৃদয়ের। তবেই ভাল থাকবে হৃদয়। প্রায় ৮০ শতাংশ প্রতিরোধযোগ্য এই রোগকে কেউ একজন চাইলেই নিজের থেকে দূরে রাখতে পারে। তাই বিশ^ হার্ট দিবসে চিকিৎসকদের আহ্বান যতœ নিন নিজের হৃদয়ের।
বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১০০টি দশ দিবসটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পালন করে থাকে। বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, বিশ্বে যে পরিমাণ মানুষ মৃত্যুবরণ করে তার শতকরা ৩১ শতাংশ হৃদরোগের কারণে। বাংলাদেশেও হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে।

উন্নত আড়ম্বরপূর্ণ জীবনযাত্রা, অস্বাস্থ্যকর জীবনাভ্যাস, অসচেতনতা এসব কারণে হৃদরোগ শুধু বড়দের নয় শিশু-কিশোরদের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে। তাই পরিমিত খাদ্যাভ্যাস এবং কায়িক শ্রমের প্রতি গুরুত্ব দেয়ার কথা বলেছেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ মাহবুবুর রহমান। জনকণ্ঠকে তিনি বলেন, যেহেতু হৃদরোগের ৮০ শতাংশ প্রতিরোধযোগ্য তাই মানুষের সদিচ্ছা জরুরী এটিকে প্রতিরোধের জন্য। তবে আমাদের মধ্যে সচেতনতার খুবই অভাব। কেউ যদি উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তাহলে এটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখলেই হৃদরোগের ঝুঁকি থাকে না। কারও যদি মাত্রাতিরিক্ত ওজন বা মাত্রাতিরিক্ত ধূমপান-এ্যালকোহলে আসক্তি থাকে তাহলে তার হৃদরোগের ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি থাকে। তাই এসব পরিহার করা উচিত।
ওজন বেশি হলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করতে হবে। কারও যদি কোলেস্টেরল বেশি থাকে তাহলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আর বাকি ২০ শতাংশ যা আছে তা হচ্ছে চিকিৎসা। এক্ষেত্রে হার্টের অনেক ধরনের চিকিৎসা রয়েছে। এর মধ্যে রিং পরানো, এনজিওগ্রাম, এনজিওপ্লাস্টি, ওপেন হার্ট সার্জারির মতো অনেক ব্যয়বহুল চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে। এরজন্য যে জিনিসটা জরুরী তা হচ্ছে স্বাস্থ্য বীমা। আমরা দেখছি বিশে^র অনেক দেশ তাদের মানুষকে স্বাস্থ্য বীমার আওতায় নিয়ে এসেছে। আমাদেরও প্রত্যেকের উচিত স্বাস্থ্য বীমার আওতায় আসা। তাহলে বড় কোন চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে চাপ তৈরি হবে না।
বিশ্ববাসীকে হৃদযন্ত্রসহ, সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা ও সুস্থ জীবনযাপন শেখানোর উদ্দেশে ২০০০ সালে বিশ্ব হৃদযন্ত্র দিবস পালন শুরু হয়। ২০১২ সালে বিশ্বনেতারা ঠিক করেন তারা ২০২৫ সালের মধ্যে হৃদরোগের মতো অসংক্রামক ব্যাধি কমাতে ভূমিকা রাখবেন।
হার্টের রোগের লক্ষণ হিসেবে চিকিৎসকরা বলছেন, বুকে চাপ চাপ ব্যথা, বুকের এক পাশে বা পুরো বুকজুড়ে অসহ্য ব্যথা। বেশিরভাগ সময় বুকে ব্যথার তীব্রতার জন্য শরীরের অন্য অংশে ব্যথা টের পাওয়া যায় না, অনেকসময় ব্যথা শরীরের এক অংশ থেকে অন্য অংশে চলে যেতে পারে যেমন, বুক থেকে হাতে ব্যথা হতে পারে। সাধারণত বাম হাতে ব্যথা হলেও দুই হাতেই ব্যথা হতে পারে, মাথা ঘোরা, ঝিমঝিম করা ও বমি ভাব, ঘাম হওয়া, নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসা, বুক ধড়ফড় করা বা বিনা কারণে অস্থির লাগা, সর্দি বা কাশি হওয়া।
হৃদরোগের ঝুঁকি এড়াতে করণীয় হিসেবে চিকিৎসকরা বলছেন, আঁশযুক্ত খাবার খেতে হবে। যেসব খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ আছে সেসব খাবার খেতে হবে বেশি করে। এসব খাবারের কারণে শরীরে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয় যা কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। শিম, মটরশুঁটি, ডাল জাতীয় শস্য এবং ফলমূল, আলু, মুলা, গাজর, আটা ও ব্রাউন রাইসে প্রচুর আঁশ রয়েছে। স্যাচুরেটেড ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

এক্ষেত্রে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা জমাট-বাঁধা চর্বিযুক্ত খাবার কম খেতে হবে। এতে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ার ভয় থাকবে না। ফলে কমবে হৃদরোগের ঝুঁকি। চিজ, দই, লাল মাংস, মাখন, কেক, বিস্কুট ও নারকেল তেলে প্রচুর পরিমাণ স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। এগুলো খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে হবে তাই। স্যাচুরেটেড ফ্যাট নেই যেসব খাবারে তার মধ্যে রয়েছে, তেল সমৃদ্ধ মাছ, বাদাম ও বীজ। আর রান্নায় জলপাই বা সূর্যমুখীর তেল ব্যবহারে উপকার পাবেন।
চিকিৎসকরা লবণ ও চিনি খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করার পরামর্শ দিয়েছেন। লবণ বেশি খেলে রক্তচাপ বেড়ে যায় যার ফলে বাড়ে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি। একজন ব্যক্তি দিনে ছয় গ্রাম বা এক চা চামচ লবণ খেতে পারবেন। সেই সঙ্গে কমাতে হবে চিনি বা মিষ্টি খাওয়ার পরিমাণও।

monarchmart
monarchmart

শীর্ষ সংবাদ:

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক জবির মাহাদী সেকেন্দার
আর্জেন্টিনা জিতলে বাংলাদেশও জেতে!
কলকাতায় শুরু হলো ১০ম বাংলাদেশ বইমেলা
বাংলাদেশিদের জন্য বাংলায় টুইট করছেন সেই আর্জেন্টাইন সাংবাদিক
বাংলাদেশের পরিবেশ উন্নয়নে ২৬৫০ কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
রাশিয়ার যুদ্ধে ইউক্রেনের ১৩ হাজার সৈন্য নিহত
খালেদা জিয়া তো মুক্ত, তাকে আবার কীভাবে জামিন দিব?
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে হোটেলে কাভার্ডভ্যান, বাবা-ছেলেসহ নিহত ৫
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হতে পারে লঘুচাপ, কমতে পারে তাপমাত্রা
শান্তি চুক্তির ২৫ বছর: সমস্যা ও উত্তরণের উপায়
চেয়ারম্যান পদে স্বামী-স্ত্রীর মনোনয়নপত্র দাখিল
বাঙ্গালি নিধনে পাকিস্তানিদের বিশ্বাসঘাতকতার উপাখ্যান
শিগগিরই মানব মস্তিষ্কে চিপ বসাবে নিউরালিংক