সুশাসন প্রতিষ্ঠার নামে এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ তৌহিদুল আলম খানের চরম দুঃশাসন
অব্যবস্থাপনা এবং কর্মী হয়রানিঃ এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি-এ সুশাসন প্রতিষ্ঠার নামে সংঘটিত একের পর এক অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠে এসেছে। অনুসন্ধানে ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান মো: আলী হোসেন প্রধানিয়া ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো: তৌহিদুল আলম খান-এর বিরুদ্ধে ব্যাংক পরিচালনায় স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজনপ্রীতি ও নিয়োগ বাণিজ্যের গুরুতর তথ্য মিলেছে।
ব্যাংক সংশ্লিষ্ট একাধিক নথি ও অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা যায়, জুলাই অভ্যুত্থানের পর একটি সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যাংককে কার্যত নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার লক্ষ্যেই বিদ্যমান ব্যাংকিং আইন ও করপোরেট গভার্ন্যান্স নীতিমালা উপেক্ষা করে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র পরিচালক দিয়ে নতুন বোর্ড গঠন করা হয়। এই বোর্ড গঠনের পেছনে নিয়ন্ত্রক সংস্থার স্বাভাবিক যাচাই প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, নতুন বোর্ড দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ ও কর্মদক্ষ একাধিক কর্মকর্তাকে বিভিন্ন অজুহাতে গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তাদের স্থলে চেয়ারম্যান ও এমডি’র ঘনিষ্ঠ ও অনুগত ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হয়, যাদের অনেকেরই সংশ্লিষ্ট পদে প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এর ফলে ধীরে ধীরে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
নিয়োগ বাণিজ্য, বদলি ও পদোন্নতিতে আর্থিক লেনদেন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতার অভাব এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা দুর্বল করে দেওয়ার একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, বর্তমান বোর্ডের সময়কালে এমন কোনো অনিয়ম নেই যা সংঘটিত হয়নি।
ব্যাংকিং খাত বিশ্লেষকদের মতে, ব্যক্তিস্বার্থ ও ক্ষমতা কুক্ষিগত করার এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ব্যাংকটির আর্থিক স্থিতিশীলতা ও গ্রাহক আস্থার ওপর এরইমধ্যে যে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে তা আরো তলানিতে গিয়ে ঠেকবে। অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য বলছে, বর্তমান বোর্ড ও এমডিসহ কতিপয় কর্মকর্তা পরিকল্পিতভাবে ব্যাংকটিকে ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। এরইমধ্যে গত দুইমাসে দুই হাজার কোটি টাকার ডিপোজিট চলে গেছে ব্যাংক থেকে। এই অবস্থা চলতে থাকলে কিছুদিনের মধ্যেই তীব্র তারল্য সংকটে পড়তে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত ১২ মার্চ,২০২৫ ব্যাংকটির আগের পরিচালনা পরিষদ ভেঙ্গে দিয়ে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র পরিচালক দ্বারা নতুন এই বোর্ড গঠন করা হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপে। যাহা পুজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক হিসেবে ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ব্যতিরেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র পরিচালক দ্বারা বোর্ড গঠন ছিল সম্পূর্ণ আইনের পরিপন্থি। উল্লেখ্য যে, আইনে কমপক্ষে এক-পঞ্চমাংশ শেয়ারহোল্ডার অথবা উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডার বোর্ডে রাখার বিধান রয়েছে। কিন্তু বর্তমান বোর্ডে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া, পরিচালক মো. আবুল বশর, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. নুরুল হক, ব্যারিস্টার মো. শফিকুর রহমান, প্রফেসর ড. আবুল কালাম আজাদ ও মুহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ-যারা সকলেই স্বতন্ত্র পরিচালক এবং কেও ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার অথবা উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডার নয়। ফলে বাঁকটিতে চলছে চরম অরাজকতা। বর্তমান কর্মীদের কাছে থেকে খোজ নিয়ে বেশ চাঞ্চল্যকর ও ভীতিকর তথ্য পাওয়া যায়। নাম প্রকাশে অপারগ, ভীতসন্ত্রস্ত একাধিক কর্মীর সাথে যাহা জানা যায় তার সারসংক্ষেপ নিম্নরূপঃ
১। এনআরবিসি ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ তৌহিদুল আলম খান ব্যাঙ্কটির ব্যবসা সম্প্রসারন নিয়ে কোন কাজ তো করেনি না উপরন্তু পুরাতন ব্যবসাসমূহকে ঠিকভাবে দেখভাল করেন না।
২। মাঠ পর্যায়ের, শাখা সমূহের ও প্রধান কার্যালয়ে কর্মীবৃন্দ নতুন ব্যবসা অথবা পুরাতন যে কোন ব্যবসার প্রস্তাবনা আনেন না কেন তা মোঃ তৌহিদুল আলম খান বিভিন্ন কারনে বাতিল করে দেন এবং পরিচালনা পর্ষদ এর চেয়ারম্যান হিসেবে অথর্ব মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া ও সুশাসনের দোহাই দিয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ তৌহিদুল আলম খানকে সাপোর্ট করেন। মূলতঃ চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া নিজেকে একজন দক্ষ ব্যাংকার বলে দাবি করলেও বর্তমানে তিনি নিজ মুখেই বলেন যে আমরা স্বল্পকালীন পরিচালকগন কোন প্রকার ঝুকি বা ব্যবসা সম্প্রসারন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবো না কারন আমরা তো আর ব্যাংকের মালিক না। ফলে, ব্যাংকের ব্যবসা এখন তলানিতে।
৩। চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থেকে ব্যাংক পরিচালনায় সরাসরি হস্তক্ষেপ করছেন—যা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। একই সঙ্গে যাহা সুসাশনের পরিপন্থি। এদিকে চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়ার বিরুদ্ধে ব্যাংকের নানা অনিয়মের অভিযোগ করেছেন শেয়ার হোল্ডাররা। প্রধান উপদেষ্টা, অর্থ উপদেষ্টা, অর্থ সচিব, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংক, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানো অভিযোগ থেকে জানা যায়, প্রতিদিন অফিস করছেন চেয়ারম্যান। এমনকি রাত ১১-১২টা পর্যন্ত।
৪। চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া দায়িত্ব গ্রহণের পর ব্যাংকের অর্থে দামী গাড়ি কেনা, বিদ্যমান ওয়াশরুম থাকা সত্ত্বেও নতুন করে ওয়াশরুম নির্মাণের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। অরথাভাবের অজুহাতে বর্তমান কর্মীদের বিগত দুই বছর ধরে নেই কোনো প্রণোদনা বা পদোন্নতি অথচ চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ তৌহিদুল আলম খান নিজেদের ভোগ বিলাস চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের এইরকম স্বার্থপর ভোগ বিলাস ও ব্যবসাসমূহের প্রতি উদাসিনতার জন্য এনআরবিসি ব্যাংক থেকে চলে যাচ্ছেন কর্মক্ষম ও দক্ষ ব্যাংকার যারা এতদিন নিরলস ভাবে কাজ করে এনআরবিসি ব্যাংকটিকে একটি সফল ব্যাঙ্কে পরনিত করেন।
৫। চলে যাওয়া কর্ম ক্ষম ও দক্ষ ব্যাংকার একটি উক্তি ই করেন যে এনআরবিসি ব্যাংকে এখন আর কাজ করার কোন পরিবেশ নাই একইসঙ্গে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ এবং চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ তৌহিদুল আলম খান মিথ্যাচার করেন। পূর্ববর্তী পরিচালক ও কর্মীদের সাফল্য নিজেদের বলে চালিয়ে দেন যাহা মেনে নেয়া যায় না আবার চাকরি হারানোর ভয়ে চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ তৌহিদুল আলম খান কে কিছু বলা ও যায় না।
৬। মাঠ পর্যায়ের, শাখা সমূহের ও প্রধান কাঝালয়ের কর্মীবৃন্দের সাথে কথা বলে জানা যায় যে জুনিয়র অফিসার, ট্রেইনি অফিসার থেকে শুরু করে ডি এম ডি পর্যন্ত সকল কর্মীবৃন্দের দিন-রাত কাটে আতঙ্ক আর ভয়ে কারন যে কোন তুচ্ছ ও ছোট খাট কারনে মুহূর্তেএর মাঝে বদলি, সাসপেন্ড এবং টারমিনেট পর্যন্ত করেন চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ তৌহিদুল আলম খান। যাহা সুশান এর তীব্র অন্তরায়। সকল কর্মীবৃন্দ একযোগে স্বীকার করেন এবং জোর গলায় বলেন যে পূর্ববর্তী পরিচালকগন অনেক অনেক ভাল, কর্মীবান্ধব ও ব্যবসা মনোভাবাপন্ন ছিলেন। এমনকি পূর্ববর্তী পরিচালকগন সকলেই বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবসা বুঝতেন এবং সময়োপযোগী সঠিক সিদ্ধান্ত নিতেন। ফলে এনআরবিসি ব্যাংক একটি ভাল ও শক্তিশালী ব্যাংক হিসেবে এখনও পরিচিত। কিন্তু চেয়ারম্যান আলী হোসেন প্রধানিয়া ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ তৌহিদুল আলম খান এর খামখেয়ালিতে এনআরবিসি ব্যাংক তার জৌলুষ হারাচ্ছে। মূলতঃ চেয়ারম্যান হিসেবে মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া এই সকল বদলি ও কর্মী পদায়ানে কোনভাবেই নিজেকে জরাতে পারেন না।
৭। কথপকথনে এ বেরিয়ে আসে আর এক চাঞ্চল্যকর ও ভিতিকর তথ্য, তা হল- বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধানদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অডিট রিপোর্ট তৈরি করে চাকরিচ্যুতির করা। মামলা, মানহানিকর প্রচারণা এবং অতিরিক্ত সময় ধরে কর্মীদের অফিসে রাখা-এসব ঘটনা ব্যাংকের অভ্যন্তরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। আবার, চাকরি ছেড়ে যাওয়া বা ইস্তফা প্রদানকারী কর্মীদের জোর করে বন্ড সাইন করিয়ে রাখা এবং তাহাদের চাকরি পরবর্তী প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্রাচুয়েটি, ইত্যাদি কোন টাকা না দেওয়া। যাহা চেয়ারম্যান আলী হোসেন প্রধানিয়া ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ তৌহিদুল আলম খান উভয়েই সরাসরি তদারকি করেন। যাহা সুশাসন প্রতিষ্ঠার নামে প্রহশন মাত্র।
৮। বিভিন্ন বদলি ও কর্মী পদায়ন ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান আলী হোসেন প্রধানিয়া ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ তৌহিদুল আলম খান উভয়েই এমন সকল সিদ্দ্বান্ত নেন যাহা খুবই অপরিণামদর্শী যেমন মানব সম্পদ বিভাগের কর্মীকে বদলি করেন শাখা ব্যাংকিংএ, শাখা ব্যাংকিংএর কর্মী কে পদায়ান করেন এস এস ডি বা সাপোর্ট সারভিচ ডিভিশণএ, অডিট ডিভিশণএ পদায়ন করেন অনভিজ্ঞ শাখা ব্যাংকিংএর কর্মী কে, টেকনোলজি বিভাগের কর্মীকে বদলি করেন শাখা ব্যাংকিংএ। মুলতঃ যে কর্মী যে জায়গায় অভিজ্ঞ এবং এফেকটিভ না তাকে সেই জায়গায় বদলি ও পদায়ান করে অথর্ব কর্মী হিসেবে প্রমান করে চাকরি ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হয় এবং একই সঙ্গে নুতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আর্থিক লেনদেন, পরিচিতি ও পক্ষপাতিত্ব অর্থাৎ চেয়ারম্যান আলী হোসেন প্রধানিয়া ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ তৌহিদুল আলম খান উভয়েই বেশি বেতন এর বিনিময়ে নিজের কর্মীদের নিয়োগ দিচ্ছেন।
৯। নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। আগে আউট সোসিংয়ের মাধ্যমে গার্ড নিয়োগ করা হতো ১২ হাজার টাকায়। যে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গার্ড নেওয়া হতো ওই প্রতিষ্ঠান কমিশন হিসেবে পেতো ১ হাজার টাকা। আর বর্তমান চেয়ারম্যান দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রতিটি গার্ড নিয়োগে আগের ১২ হাজারের স্থলে ২৮ হাজার টাকা প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি কমিশন দেওয়া হচ্ছে ৬ হাজার টাকা। খরচ কমানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক বর্তমান বোর্ডকে দায়িত্ব দিলেও তারা বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে খরচ আরও বাড়িয়েছে।
১০। বর্তমান কর্মীদের সাথে কথা বলে ইহা স্পষ্ট প্রতিয়মান হয় যে চেয়ারম্যান আলী হোসেন প্রধানিয়া ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ তৌহিদুল আলম খান উভয়েই তাহাদের পছন্দমত চিফ লিগাল অফিসার, চিফ হিউম্যান রিসোর্সে অফিসার, একজন ব্যারিস্টার, চিফ ফিনান্স অফিসার, দুইজন ডি এম ডি, এইরূপ অনেক নিজেদের কর্মী এনে পুরাতন কর্মীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চাকরি ছেড়ে যেতে বাধ্য করা আবার চাকরি ছেড়ে যাওয়া চাকরি পরবর্তী কোন পাওনা না দেওয়ার কারনে প্রায় সকল কর্মী মানসিক ভাবে অসুহথ হয়ে পরছেন। কিন্তু কোথাও কিছু অভিযোগ জানাতে পারছেন না।
অতি সম্প্রতি, চেয়ারম্যান আলী হোসেন প্রধানিয়া ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ তৌহিদুল আলম খান উভয়েই বাংলাদেশ ব্যাংক সহ অর্থ মন্ত্রনালয়ে দৌর ঝাপ করছেন তাদের এহেন কার্যকলাপ ঢেকে রেখে এনআরবিসি ব্যাংকে যতদিন এই সুযোগ, সুবিধা ও ভোগ বিলাস এবং কর্মীদের হয়রানির মাধমে নিজেদের আধিপত্ত বজায় রেখে দিন পার করা যায়।
পরিশেষে, একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সফলতা নির্ভর করে স্বচ্ছতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতার ওপর। কিন্তু এনআরবিসি ব্যাংকে বর্তমানে এই মূলনীতি গুলো অবহেলিত। ব্যক্তিস্বার্থে পরিচালিত সিন্ডিকেট, ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রশাসনিক অরাজকতা প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎকে হুমকির মুখে ফেলেছে। ব্যাংকিং খাতে সুশাসনের মূলনীতি—স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও পেশাদারিত্ব। অথচ এনআরবিসি ব্যাংকে বর্তমানে এই গুণাবলির চরম অভাব দেখা যাচ্ছে। সিন্ডিকেট ভিত্তিক নেতৃত্ব, নিয়োগ বাণিজ্য ও প্রশাসনিক অরাজকতা ব্যাংকটির ভবিষ্যৎকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
এনআরবিসি ব্যাংকের সকল কর্মকর্তা এবং কর্মচারীগন এহেন ও কার্যকলাপের প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংক, দুদক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ ও কঠোর তদন্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাবি জানাচ্ছে।
রাজু








