সোনালী ব্যাংকে কোনো প্রভিশন ঘাটতি থাকবে না
দীর্ঘদিনের আর্থিক চাপ, বড় ঋণ কেলেঙ্কারি ও আস্থাহীনতার অধ্যায় পেছনে ফেলে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক এখন ঘুরে দাঁড়ানোর পথে। ২০২৫ সালে পরিচালন মুনাফা, ঋণ আদায় জোরদার এবং কাঠামোগত সংস্কারের ফলে চলতি বছর শেষে ব্যাংকটিতে কোনো প্রভিশন বা মূলধন ঘাটতি থাকবে না বলে জানিয়েছেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী খান।
মঙ্গলবার মতিঝিলের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আর্থিক স্বাস্থ্যের সব সূচকেই সোনালী ব্যাংক এখন অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে।’ সোনালী ব্যাংকের প্রতি জনগণের আস্থাই তাদের বড় শক্তি বলে মন্তব্য করেন এমডি শওকত আলী খান। তিনি বলেন, “এই আস্থার কারণেই আমাদের আমানত ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।” হলমার্ক কেলেঙ্কারির পর ব্যাংকটির ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এখন ঋণগ্রহীতা নির্বাচনে আমরা অনেক বেশি সতর্ক। আমাদের আমানতকারীরাই আমাদের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ।”
সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে খেলাপি ঋণ থেকে নগদ আদায় হয়েছে ১ হাজার ২০৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে শীর্ষ ২০ খেলাপির কাছ থেকেই আদায় ৭৪৫ কোটি টাকা, যার মধ্যে হলমার্ক গ্রুপ থেকে এসেছে ৩০০ কোটি টাকা। এ বিষয়ে শওকত আলী খান বলেন, “আইনি ব্যবস্থা, নিয়মিত তদারকি এবং সম্পদ নিলামের মাধ্যমে আদায় কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
প্যানেল হু








