ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ০৫ জুলাই ২০২২, ২১ আষাঢ় ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

বাংলাদেশ

সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে সনাক্ত হয় দুই চোর, উদ্ধার হলো ১০ লাখ টাকা

প্রকাশিত: ২০:০৩, ২৩ মে ২০২২

সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে সনাক্ত হয় দুই চোর, উদ্ধার হলো ১০ লাখ টাকা

নিজস্ব সংবাদদাতা, ফরিদপুর ॥ পোস্ট অফিসের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে সনাক্ত হয় দুই চোর। গ্রেপ্তাররের পর উদ্ধার হয় ১০ লাখ টাকা। অবসরপ্রাপ্ত এক শিক্ষকের ব্যাগের চেন খুলে ওই টাকা চুরি করেছিলেন তারা। চুরির ঘটনাটি ঘটে গত ৮ মে। দুইজন গ্রেপ্তারসহ টাকা উদ্ধার করা হয় রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে সোয়া ২টার মধ্যে ফরিদপুর সদরের ডোমরাকান্দি ও কবিরপুর এলাকা থেকে। গ্রেফতার হওয়া ওই দুই ব্যাক্তি হলেন ফরিদপুর সদরের ডোমরাকান্দী মহল্যার জাহিদুল ইসলাম (৪৭) ও সদরের কবিরপুর মহল্যার আবুল হোসেন মোল্যা (৫০)। এর মধ্যে জাহিদুল ইসলামকে রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এবং আবুল হোসেন মোল্যাকে রাত সোয়া দুইটার দিকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানকালে এই দুইজনের বাড়ি তল্লাশি করে পাঁচলাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে সোমবার জেলা পুলিশের উদ্যোগেএক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। দুপুর ১২টার দিকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা। যে শিক্ষকের ১০ লাখ টাকা চুরি হয় তাঁর নাম মো. হাতেম মোল্যা (৬১)। তিনি ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়নের মির্জাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। হাতেম মোল্যা জাহাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। গত ৮ মে ফরিদপুর পোস্ট অফিসে রাখা ১০ লাখ টাকা তুলে মধুখালী যাওয়ার পথে রাজবাড়ী রাস্তার মোড় থেকে তার ব্যাগের চেন খুলে ওই টাকা চুরি হয়। ফরিদপুর কোতয়ালী তানায় অজ্ঞাত ব্যাক্তিদের আসামি করে একটি চুরির মামলা করেন। লিখিত বক্তব্যে পুলিশ বলা হয়, ফরিদপুর পোস্ট অফিসের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে প্রথমে ওই দুই চোরকে সনাক্ত করা হয়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রথমে জাহাঙ্গীর ও পরে আবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ চুরির ঘটনায় ওই দুই ব্যাক্তির সহযোগী হিসেবে আরেকজনকে সনাক্ত করা হয়েছে। তাকে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা যায়নি বলে সেই ব্যাক্তির নাম ও ঠিকানা প্রকাশে পুলিশ অপরগতা প্রকাশ করে। ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ জলিল বলেন, পুলিশের জিজ্ঞাবাসাবাদে দুই আসামি টাকা চুরির কথা স্বীকার করেছেন। ওই দুই ব্যাক্তিকে সোমবার বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গ্রেফতার ওেয়া এই দুই ব্যাক্তি আন্তজেলা চোর/পকেটমার চক্রের সদস্য। তারা চক্রের সহায়তায় দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জেলায় চুরি ও পকেটমারের কাজ করে আসছিলেন।